ওসমান ন্যাশনাল জিওগ্রাফি চ্যানেলে সমুদ্রের তলদেশের বিভিন্ন ভূমিরূপ দেখছিল। সে দেখল আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে সৃষ্ট দীর্ঘপথের মতো একটি চমৎকার ভূমিরূপ। সে আরও লক্ষ করল সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে অনেকগুলো খাত।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

জোয়ারভাটার সময় তীরভূমির যে স্থানের মধ্যে পানি ওঠানামা করে, তাকে তটদেশীয় অঞ্চল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

যে জলভাগের চতুর্দিক স্থলভাগ দিয়ে পরিবেষ্টিত তাকে হ্রদ বলে।
অর্থাৎ মাঝখানে গভীর জলরাশি এবং তার চতুর্দিক স্থল দ্বারা বেষ্টিত সে জলভাগকে হ্রদ বলে। যেমন- বৈকাল হ্রদ, সুপিরিয়র হ্রদ ভিক্টোরিয়া হ্রাস ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ওসমানের দেখা আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে সৃষ্ট দীর্ঘপথের মতো ভূমিরূপটি হচ্ছে নিমজ্জিত শৈলশিরা।
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ভূত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ ধূম্র, গ্যাস, গলিত শিলা, ভস্ম এবং নানা ধরনের তরল ও কঠিন ধাতব পদার্থ নির্গত হয়। দীর্ঘকাল যাবৎ লাভা ও ভস্ম অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সমুদ্রগর্ভে সঞ্চিত হয়ে পাহাড়, পর্বত বা উঁচু টিলা ও শৈলশিরার মতো ভূমিরূপ গঠন করেছে। এগুলোকেই বলা হয় নিমজ্জিত শৈলশিরা।
নিমজ্জিত শৈলশিরাগুলোর মধ্যে মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা হচ্ছে অন্যতম। মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা 'পানি শৈলশিরা' নামেও পরিচিত। ভূমিবিজ্ঞানীদের ধারণা, অতীতে এ শৈলশিরা বরাবর আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যস্থান দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে একটি সুদীর্ঘ ফাটল ছিল এবং ফাটল দিয়ে ভূঅভ্যন্তরীণ পদার্থসমূহ উপরে উত্থিত ও জমা হয়ে ঐ শৈলশিরার সৃষ্টি করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ওসমান সমুদ্র তলদেশে দীর্ঘপথ ছাড়াও গভীর সমুদ্রখাত ভূমিরূপটি দেখতে পেল।
গভীর সমুদ্রের সমভূমি অঞ্চলে মাঝে মাঝে গর্ত দেখা যায়। এসব গর্তকে গভীর সমুদ্রখাত বলে। প্রশান্ত মহাসাগরের প্রান্তদেশে বহুসংখ্যক সুদীর্ঘ গভীর সমুদ্রখাত তলদেশের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
সুগভীর সমুদ্রখাতগুলো অধিকাংশই ভূপৃষ্ঠের উচ্চ পর্বতের কাছাকাছি স্থানে অবস্থিত। আবার কোনো কোনো স্থানে সমুদ্র খাতগুলো পর্বতসমূহের সাথে সমান্তরালভাবে অবস্থিত। কারণ পাশাপাশি অবস্থিত মহাদেশীয় ও সামুদ্রিক পাতের সংঘর্ষের ফলে সমুদ্রখাত সৃষ্টি হয় বিধায় প্রতিটি গভীর সমুদ্রখাত পাত সীমানায় অবস্থিত হয়।
এ পাত সীমানায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি অধিক হয় বলেই এসব খাতের সৃষ্টি হয়েছে। এ খাতগুলো অধিক প্রশস্ত না হলেও খাড়া ঢালবিশিষ্ট।
গভীর সমুদ্রখাত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তেই অধিক সংখ্যায় দেখতে পাওয়া যায়। এ সকল গভীর সমুদ্রখাতের মধ্যে গুয়াম দ্বীপের ৩২২ কিমি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ম্যারিয়ানা খাত সর্বাপেক্ষা গভীর। এর গভীরতা ১০,৮৬ কিলোমিটার এবং এটাই পৃথিবীর গভীরতম খাত।
এছাড়া আটলান্টিকের পোর্টোরিকো, ভারত মহাসাগরের শুণ্ডাখাত বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
59

Related Question

View All
উত্তরঃ

মহাদেশসমূহের বাইরে সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশের দিকে ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশই মহীসোপান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
157
উত্তরঃ

সমুদ্রের গভীরে গর্তসদৃশ বিষয়টি গভীর সমুদ্রখাত নামে পরিচিত। গভীর সমুদ্রের সমভূমি অঞ্চলের l

পাশাপাশি অবস্থিত মহাদেশীয় ও সামুদ্রিক পাতের সংঘর্ষের ফলে সমুদ্রখাতের উদ্ভব হয় বিধায় প্রতিটি গভীর সমুদ্রখাত পাত সীমানায় অবস্থিত। এ পাত সীমানায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি অধিক হয় বলেই এসব খাত সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
92
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত জলভাগটি হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত যার ভূমিরূপ বৈচিত্র্যপূর্ণ।
বঙ্গোপসাগরের মহীঢাল এলাকায় খাড়া ঢাল বিশিষ্ট অবস্থানজনিত একটি গভীর নিমগ্ন খাত রয়েছে। এটি প্রায় ১২ কিমি. চওড়া এবং প্রায় ১২৭০ মিটার গভীর। এছাড়া প্রচন্ড ঢেউয়ের প্রভাবে পলল মহীসোপান জমা হয়ে চরাভূমি গঠন করে।

বঙ্গোপসাগরে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নামে একটি গভীর গিরিখাত; ৯০ ডিগ্রি পূর্ব শৈলশিরা, মায়ানমার ও চ্যাগোস পূর্ব উপকূলীয় সমুদ্রখাত ও কতিপয় নিমজ্জিত চরাভূমি। বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানের গভীরতা সর্বত্র ২০০ মিটারের কম। দক্ষিণ-পূর্বাংশের মহীসোপান খুবই চওড়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
91
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত জলভাগটি হলো বঙ্গোপসাগর। নিচে বঙ্গোপসাগরের তলদেশের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলো-

বঙ্গোপসাগরের তলদেশ নানা ধরনের সম্পদে সমৃদ্ধ। এ সাগরের তলদেশ খনিজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধশালী। সম্প্রতি বাংলাদেশের উপকূলীয় মহীসোপান অঞ্চলে প্রাকৃতিক গ্যাস ও প্রচুর খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।
সাগরের অনেক স্থানে আবার মূল্যবান লোহা, সিসা, তামা ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। মৎস্য সম্পদেও এ এলাকা সমৃদ্ধশালী। এখানকার মৎস্য সম্পদের মধ্যে লাক্ষা, রূপচান্দা, চান্দা, চিংড়ি, গলদা চিংড়ি, হাঙ্গর, কোরাল, বোয়াল, ইলিশ প্রভৃতি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও প্রচুর পরিমাণে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
134
উত্তরঃ

তটদেশীয় অঞ্চলের পর হতে মহীসোপানের প্রান্ত পর্যন্ত অঞ্চলকে ঝিনুক অঞ্চল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
146
উত্তরঃ

পানি ছাড়া জীবজগতের অস্তিত্ব সম্ভব নয়, তাই জীবজগতে পানিচক্রের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীবজগতের ওপর পানিচক্র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। পানিচক্রের প্রক্রিয়া সংঘটিত হয় সূর্যের তাপশক্তি দ্বারা। বাষ্পীভবন ও বর্ষণ একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীজগতের ওপর প্রভাব রাখে। তাই বলা যায়, জীবজগতে পানিচক্রের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
101
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews