সার্কের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হলো আফগানিস্তান।
বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর অন্যতম সদস্য দেশ। শুরু থেকেই বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ডে সমর্থন জানাচ্ছে. ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সর্বপ্রথম সেনাসদস্য প্রেরণ করে ১৯৮৮ সালে। তখন থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ৪০টি দেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষাকারী মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে এ পর্যন্ত প্রায় ১.৪৬ লক্ষ সেনাসদস্য পাঠিয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত সংগঠনটি অর্থাৎ মুসলিম লীগ-এর সাথে OIC- এর গঠনের প্রেক্ষাপট অনেকটা সাদৃশ্যপূর্ণ।
বিশ্বের মুসলিম প্রধান দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন হচ্ছে ওআইসি (OIC)। এর পুরো নাম Organization of Islamic Co-operation | ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইল ও তার পশ্চিমা বিশ্বের মিত্রদের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলোর বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের এক পর্যায়ে ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট ইসরাইল অতর্কিতভাবে মুসলমানদের পবিত্র মসজিদ আল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে। সমগ্র মুসলিম বিশ্ব এর তীব্র নিন্দা জানায় ও ক্ষোভ প্রকাশ করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিশরে ১৪টি মুসলিম রাষ্ট্রের প্রধানদের নিয়ে একটি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সম্মেলনে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থরক্ষায় একটি সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করা হয় এবং ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
সুতরাং বলা যায়, খাজা সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম লীগ গঠনের প্রেক্ষাপট মোটামুটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
খাজা সলিমুল্লাহর প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি অর্থাৎ মুসলিম লীগ-এর আন্তর্জাতিক রূপ OIC - উক্তিটি যথার্থ।
ব্রিটিশ শাসনের শুরু থেকেই ভারতের মুসলিম সম্প্রদায় সর্বদিক থেকে অবহেলিত ও বঞ্চিত হতে থাকে। ১৮৮৫ সালে সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস গঠিত হলেও এটি অবহেলিত ও বঞ্চিত মুসলমানদের দাবি দাওয়া আদায় করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে কংগ্রেস মুসলমানদের প্রতি একচোখা নীতি অবলম্বন করে। ফলে মুসলমানদের এ অবহেলিত ও হীন অবস্থা হতে উদ্ধারকল্পে একটি রাজনৈতিক সংগঠনের বিশেষ প্রয়োজন দেখা দেয়। এ প্রয়োজন এবং কংগ্রেসের আধিপত্য খর্ব করার লক্ষ্যে ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগের জন্ম হয়।
অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নিয়ে ইসরাইল ও তার পশ্চিমা বিশ্বের মিত্রদের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলোর বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের একপর্যায়ে ১৯৬৯ সালের ২১ শে আগস্ট ইসরাইল অতর্কিতভাবে মুসলমানদের পবিত্র মসজিদ আল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে। সমগ্র মুসলিম বিশ্ব এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে। উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওআইসি প্রতিষ্ঠিত হয়। ওআইসি ইসলামি পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা বিধান করা, পবিত্র ভূমিকে মুক্ত করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রামকে সমর্থন করা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইসলামি ভ্রাতৃত্ব ও সংহতি জোরদার করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়।
সুতরাং বলা যায়, খাজা সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম লীগের আন্তর্জাতিক রূপ হলো ওআইসি।
Related Question
View AllSAARC-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "South Asian Association for Regional Cooperation" |
বিশ্বের যেসব জনপদের পৃথক সত্তা আছে কিন্তু স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নেই এবং অন্য রাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় তাকে অছি এলাকা বলে। অছি এলাকার তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব জাতিসংঘের অছি পরিষদের। এ এলাকার উপর শাসন ক্ষমতার অধিকারী জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য ও নির্বাচিত অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে অছি পরিষদ গঠিত। এর কোনো সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। অছি এলাকার সংখ্যার উপর ভিত্তি করে এর সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়।
হাসান সাহেবের 'শান্তি সংস্থার' সাথে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) উদ্দেশ্যের মিল রয়েছে।
কেননা ওআইসি-এর প্রাথমিক সদস্য সংখ্যা ছিল ২৩। ওআইসির কিছু উদ্দেশ্য আছে। ইসলামি ভ্রাতৃত্ব ও সংহতি জোরদার করা, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, বর্ণবৈষম্যবাদ ও উপনিবেশবাদ বিলোপ করা, ইসলামি পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা বিধান, পবিত্র ভূমিকে মুক্ত করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রামকে সমর্থন করা। এছাড়া মুসলিম জাতির মর্যাদা রক্ষা এবং তাদের সংগ্রামকে জোরদার করতে সাহায্য করা, সদস্য রাষ্ট্র ও অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে সৌহার্দ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি।
উদ্দীপকের হাসান সাহেবের 'শান্তি সংস্থার' মধ্যেও আমরা দেখতে পাই, এই সংস্থার প্রাথমিক সদস্য ২৩। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়ন করা এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সাথে সৎভাব বজায় রাখা এর প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তাই আমরা বলতে পারি, হাসান সাহেবের শান্তি সংস্থার সাথে ওআইসির উদ্দেশ্যের মিল রয়েছে।
হাকিম সাহেবের সংস্থার সাথে জাতিসংঘের অনেক উদ্দেশ্যের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়- উক্তিটি যথার্থ।
বিশ্বশান্তি ও সহযোগিতার মহান লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের উদ্দেশ্যগুলো হলো- শান্তির প্রতি হুমকি ও আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ প্রতিরোধ করে বিশ্বশান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সুকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও অন্যান্য সমস্যার সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; এবং আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিবাদের মীমাংসা করা।
উদ্দীপকের হাকিম সাহেবের সংস্থা 'সূর্যনগর সমবায় সমিতি' এর উদ্দেশ্য হলো অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে গ্রামের শান্তি-শৃঙ্খলার উন্নয়নসহ পাঠাগার, খেলাধুলার ক্লাব গড়ে তোলা। এই উদ্দেশ্যগুলোর সাথে জাতিসংঘের উদ্দেশ্যের অনেক মিল রয়েছে।
জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ছয়টি।
বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মূল দায়িত্ব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের।
নিরাপত্তা পরিষদ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিরোধ সমাধানের চেষ্টা করে। আগ্রাসী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অবরোধ আরোপ করতে পারে। এ চেষ্টা ব্যর্থ হলে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। মোটকথা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল কাজ এ সংস্থাটি করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!