কত করি উৎপাত

আবদার দিন রাত

সব সন হাসিমুখে, ওরে সে যে মা!

আমাদের মুখ চেয়ে

নিজে রন না খেয়ে

শত দোষে দোষী তবু মা তো ত্যজে না।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতা মনুষ্যত্বের প্রধান ধর্ম।

উত্তরঃ

"পিতাক নেহায় ডিউ জীবন যৌবন" বলতে পিতার স্নেহে জীবন-যৌবন নিয়ে জীবিত থাকাকে বোঝানো হয়েছে।

'বন্দনা' কবিতায় কবি মায়ের সাথে বাবার ত্যাগের কথাও অকুণ্ঠভাবে স্বীকার করেছেন। সন্তানের খাবার ও পোশাক-পরিচ্ছদের বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব বাবার ওপর। এ ক্ষেত্রে বাবা তার দায়িত্বে অবহেলা করেননি কখনো। নিজে না খেয়ে না পরে সন্তানের খাদ্য ও পোশাকের জোগান দিয়েছেন অকাতরে। সন্তানকে বড় করতে এভাবে দুঃখ-কষ্ট স্বীকার করেছে বছরের পর বছর। বাবার স্নেহ ও কর্তব্যপরায়ণতার ওপর নির্ভর করেই সন্তান তার জীবনের পরিপূর্ণতা লাভ করে তথা যৌবনে উত্তীর্ণ হয়। আলোচ্য পঙ্ক্তির মধ্য দিয়ে এ ভাবটিই প্রকাশ করেছেন কবি।

উত্তরঃ

মায়ের আদর-যত্ন ও পরিচর্যার দিক থেকে উদ্দীপকটি 'বন্দনা' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

মানবজীবনে মায়ের অবদান অপরিসীম। সন্তানের মঙ্গলার্থে মা সর্বদা নিবেদিতপ্রাণ। শৈশব-কৈশোরের অসহায় অবস্থা থেকে শুরু করে যৌবনের রোগশয্যায় মা সেবার হাত নিয়ে উপস্থিত হন।

উদ্দীপকে সন্তানের প্রতি মায়ের অপরিমেয় ত্যাগ স্বীকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সন্তানের সকল আবদার উৎপাত মা হাসিমুখে সহ্য করেন। সন্তানের মুখের পানে চেয়ে মা না-খেয়ে দিন অতিবাহিত করেন। সন্তানের শত অসংগতি সত্ত্বেও মা তাকে ত্যাগ করেন না। 'বন্দনা' কবিতায় কবি মায়ের ত্যাগকে অকপটে স্বীকার করেছেন। মায়ের সদাজাগ্রত কল্যাণদৃষ্টি সন্তানের জীবনপথের পাথেয়স্বরূপ। মায়ের আদর-যত্ন ও পরিচর্যার ওপর নির্ভর করেই শিশু ধীরে ধীরে পরিণত মানুষ হয়ে ওঠে। মা সকল প্রতিকূলতা থেকে সন্তানকে আগলে রাখেন। পিঁপড়ার, ভয়ে মা সন্তানকে মাটিতে রাখেননি- এই কথা উল্লেখ করে কবি মায়ের সেই স্নেহ-মমতা ও কল্যাণদৃষ্টিকে বড় করে তুলেছেন। এভাবে মায়ের আদর-যত্ন ও পরিচর্যার দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বন্দনা' কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তরঃ

"উদ্দীপক ও 'বন্দনা' কবিতার কবির আবেদন একই ধারায় প্রবাহিত।”- মন্তব্যটি যথার্থ।

সন্তানের কল্যাণ কামনায় মা সর্বদা নিবেদিতপ্রাণ। নিজ স্বার্থ ত্যাগ করে মা যেন সন্তানের জীবনকে সুন্দর ও সার্থক করার জন্য সব সময় প্রস্তুত। অনেক মা নিজের জীবন ত্যাগ করে হলেও সন্তানকে আগলে রাখে।

'বন্দনা' কবিতায় কবি কাব্য রচনায় সাফল্য লাভের জন্য মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। সন্তানের জন্য আবাল্য অবস্থা থেকে মায়ের ত্যাগকে কবি অকপটে স্বীকার করেছেন। অসহায় সদ্যোজাত অবস্থা থেকে মায়ের করুণার বশবর্তী সন্তান। তাই মাতৃস্নেহের তুলনা কবি খুঁজে পান না। উদ্দীপকের কবিতাংশে দেখানো হয়েছে মা সন্তানের সকল আবদার উৎপাত অকাতরে সহ্য করেন। সন্তানের মুখ চেয়ে মা না খেয়ে দিন গুজরান করেন। শত দোষ সত্ত্বেও মা কখনো সন্তানকে ত্যাগ করেন না।

উদ্দীপকে সন্তানের জন্য মায়ের অপরিমেয় ত্যাগের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। 'বন্দনা' কবিতায় কবি তার জন্ম ও বেড়ে ওঠায় মায়ের অপরিমেয় ত্যাগকে অকপটে স্বীকার করেছেন। সেবা-যত্ন, আদর-স্নেহ, মায়া-মমতা দিয়ে তিল তিল করে সন্তানকে মা সমাজে টিকে থাকার উপযোগী করে গড়ে তোলেন। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

37

দ্বিতীয়ে প্রণাম করোঁ মাও বাপ পাত্র ।

যান দয়া হন্তে জন্ম হৈল বসুধায় ॥

পিঁপিড়ার ভয়ে মাও না থুইলা মাটিত ।

কোল দিআ বুক দিআ জগতে বিদিত ॥

অশক্য আছিলঁ মুই দুর্বল ছাবাল ।

তান দয়া হন্তে হৈল এ ধড় বিশাল ॥

না খাই খাওয়াএ পিতা না পরি পরাএ ।

কত দুক্ষে একে একে বছর গোঞাএ ॥

পিতাক নেহায় জিউ জীবন যৌবন।

কনে বা সুধিব তান ধারক কাহন ॥

ওস্তাদে প্রণাম করোঁ পিতা হন্তে বাড় ।

দোসর-জনম দিলা তিঁহ সে আহ্মার ॥

আহ্মা পুরবাসী আছ জথ পৌরজন ।

ইষ্ট মিত্ৰ আদি জথ সভাসদগণ ।

তান সভান পদে মোহার বহুল ভকতি ।

সপুটে প্রণাম মোহার মনোরথ গতি ॥

মুহম্মদ সগীর হীন বহোঁ পাপ ভার ৷

সভানক পদে দোয়া মাগোঁ বার বার ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

'বন্দনা' কবিতায় পিতার চেয়েও ওস্তাদ/শিক্ষককে বেশি শ্রদ্ধা দেখাতে বলা হয়েছে।

450
উত্তরঃ

'দোসর জন্ম' বলতে কবি শিক্ষকের হাত ধরে আলোকিত জীবনের স্পর্শ পাওয়ার মাধ্যমে দ্বিতীয় জীবন পাওয়ার কথা বোঝাতে চেয়েছেন।

জন্মগত দিক থেকে মানুষ অন্য সকল প্রাণীর মতোই প্রাণিত্বের ধারক। শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ ন্যায়বোধ, কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধাবোধের সংস্পর্শে এসে মনুষ্যত্বের স্তরে উন্নীত হতে পারে। শিক্ষকের কল্যাণে মানুষ নৈতিক-সামাজিক ও মানবীয় গুণাবলি অর্জন করতে সক্ষম হয়। শিক্ষকের শিক্ষায় প্রাণিত্বের অন্ধকারত্ব থেকে মনুষ্যত্বের আলোয় আলোকিত জীবনের স্বাদ পাওয়ার বিষয়টিকে কবি 'দোসর জন্ম' বা দ্বিতীয় জন্ম বলে উল্লেখ করেছেন। আলোচ্য পঙ্ক্তি দ্বারা সেই আলোকিত জীবনকেই বোঝানো হয়েছে।

515
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বায়েজিদের মাঝে 'বন্দনা' কবিতার কবির মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগরণের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

মানবজীবনে মায়ের অবদান অন্য কারও তুল্য নয়। মা সন্তানকে কোলে-পিঠে করে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ প্রতিটি সন্তানের প্রধান কর্তব্য।

উদ্দীপকের বায়েজিদের মাঝে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিকটি বিবৃত হয়েছে। এক রাতে তার মা পানি খেতে চাইলে ঘরে পানি না থাকায় বাইরে থেকে সংগ্রহ করে নিয়ে এসে দেখেন তার মা ঘুমিয়ে পড়েছেন। পানি হাতে বায়েজিদ সারা রাত মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন, যাতে মা ঘুম থেকে জেগেই পানি পান করতে পারেন। 'বন্দনা' কবিতায় কবি তার জীবনে মায়ের অপরিমেয় ত্যাগের কথা স্বীকার করেছেন। মায়ের আদর-যত্ন-পরিচর্যার কথা তুলে ধরে তিনি মাকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। সেই সঙ্গে কাব্য রচনার শুরুতেই মায়ের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ করেছেন। এভাবে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশের দিকটি উদ্দীপকের বায়েজিদের কর্মকান্ডের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

184
উত্তরঃ

"প্রকাশিত দিকটিই 'বন্দনা' কবিতার একমাত্র দিক নয়।"- 'মন্তব্যটি যথার্থ।

মানবশিশু অসহায় হয়ে জন্মগ্রহণ করে। শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে বাবা-মা, শিক্ষক ও ঘনিষ্ঠজনদের অবদান উল্লেখযোগ্য। প্রতিটি মানুষের উচিত তার জীবনে অবদান রাখা মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

'বন্দনা' কবিতায় কবি তার জীবনে মা-বাবা ও শিক্ষকের অবদান স্বীকার করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। প্রথমেই কবি মায়ের সেবাযত্ন ও পরিচর্যায় অসহায় অবস্থা থেকে পূর্ণাঙ্গ মানুষে পরিণত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। এরপর কবি বাবার ত্যাগ স্বীকার ও শিক্ষকের হাত ধরে জ্ঞানের জগতে প্রবেশ করার দিকটি ফুটিয়ে তুলেছেন। উদ্দীপকের বায়েজিদের মাঝে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিকটি বিদ্যমান। মায়ের কষ্ট লাঘব করতে সারা রাত পানি হাতে মায়ের শিয়রে দাঁড়িয়ে থেকে মাতৃভক্তির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

উদ্দীপকের বায়েজিদের মাঝে মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধের যে দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে তা 'বন্দনা' কবিতার কবির মায়ের প্রতি-শ্রদ্ধাবোধের দিকটির প্রতিনিধিত্ব করে। তবে এটিই 'বন্দনা' কবিতার একমাত্র দিক নয়। এই কবিতায় কবি মায়ের পাশাপাশি বাবার ত্যাগ ও শিক্ষকের পরিশ্রমকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন। এছাড়াও কবি তার কাব্য রচনায় সাফল্য লাভের জন্য নগরবাসী ও রাজসভাসদদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। এদিক থেকে মন্তব্যটি যথার্থ।

186
উত্তরঃ

শাহ মুহম্মদ সগীর আনুমানিক ১৪-১৫ শতকের কবি।

381
উত্তরঃ

"অশক্য আছিলু মুই দুর্বল ছাবাল"- এখানে কবি মানবশিশুর শৈশবকালীন অসহায় অবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

'বন্দনা' কবিতায় কবি মায়ের স্নেহ-মমতার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। শিশুর শৈশব কাটে অসহায়ত্বের মধ্য দিয়ে। এ সময় মায়ের আদর-যত্ন না পেলে শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ ব্যাহত হয়। মায়ের আদর-যত্ন ও পরিচর্যার মধ্য দিয়ে শিশু ধীরে ধীরে পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠে। শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে মায়ের এমন ত্যাগকে কবি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন। মানবশিশুর অসহায় অবস্থার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক মায়ের অকৃত্রিম অবদানকে স্বীকার করার জন্য কবি আলোচ্য পঙ্ক্তিটির যোজনা করেছেন।'

132
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews