কদম আলী ঢাকা শহরের একটি ছোটখাটো ভিক্ষুক দলের সর্দার। তার ভিক্ষুক দলে রয়েছে শারীরিক এবং বাকপ্রতিবন্ধী চারজন সদস্য। এছাড়া রয়েছে দিপু নামের এক অনাথ শিশু। এরা সকলেই নানা অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে পথচারীদের সহানুভূতিপূর্ণ দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভিক্ষা আদায় করে। 

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

COS হচ্ছে Charity Organization Society' বা দান সংগঠন সমিতি।

উত্তরঃ

শিল্পকারখানায় কর্মরত অবস্থায় যে সব দুর্ঘটনা ঘটে সেগুলোই শিল্প দুর্ঘটনা।
শিল্পকারখানায় যান্ত্রিক উৎপাদন পদ্ধতিতে শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত হতে হয়। এতে পেশাগত দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। পেশাগত দুর্ঘটনার কারণে অনেক সময় শ্রমিকদের অকাল মৃত্যু ঘটে। অনেক সময় দুর্ঘটনাজনিত বিকলাঙ্গতার কারণে তারা কর্মক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে। শিল্প-কারখানায় ঘটে যাওয়া এ সব পেশাগত দুর্ঘটনাই শিল্প দুর্ঘটনার অন্তর্ভু।

উত্তরঃ

বাউদ্দীপকের দীপু ১৬০১ সালের দরিদ্র আইন অনুযায়ী নির্ভরশীল শিশু হিসেবে বিবেচিত।

১৬০১ সালের দরিদ্র আইনে দরিদ্রদের তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এগুলো হলো- সক্ষম দরিদ্র, অক্ষম দরিদ্র ও নির্ভরশীল শিশু। এতিম, পরিত্যক্ত ও অক্ষম পিতা-মাতার সন্তানরা নির্ভরশীল শিশু শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ছিল। এদেরকে কোনো নাগরিকের কাছে বিনা খরচে দত্তক অথবা কম খরচে লালন-পালনের জন্য দেওয়া হতো। এক্ষেত্রে ছেলেদের ২৪ বছর পর্যন্ত এবং মেয়েদেরকে ২১ বছর বা বিয়ের পূর্ব পর্যন্ত মনিবের বাড়িতে থাকতে হতো। উদ্দীপকে উল্লিখিত দীপু অনাথ শিশু। কদম আলীর অধীনে সে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত। অনাথ শিশু হওয়ার কারণে দীপু ১৬০১ সালের আইন অনুযায়ী নির্ভরশীল শিশু শ্রেণির দরিদ্র হিসেবে বিবেচিত হবে।

উত্তরঃ

দীপু ছাড়াও উদ্দীপকে বর্ণিত অপর শ্রেণির অর্থাৎ অক্ষম দরিদ্রের জন্য ১৬০১ সালের দরিদ্র আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

ইংল্যান্ডের দরিদ্রদের কল্যাণে ১৬০১ সালের দরিদ্র আইন প্রণীত হয়েছিল। এই আইনের অধীনে দরিদ্রদের সাহায্য ও পুনর্বাসনে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করতো। এক্ষেত্রে সাহায্যদানের সুবিধার্থে দরিদ্রদের বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছিল। যেমন-সক্ষম দরিদ্র, অক্ষম দরিদ্র ও নির্ভরশীল শিশু। এই আইনে শ্রেণি অনুযায়ী তাদের কাজের ব্যবস্থা করা, ত্রাণ সহায়তা প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ রয়েছে।
উদ্দীপকের কদম আলী ভিক্ষুক দলের সর্দার। তার ভিক্ষুক দলের চারজন সদস্য শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধী। ১৬০১ সালের দরিদ্র আইন অনুযায়ী এরা সবাই অক্ষম দরিদ্রের পর্যায়ভুক্ত। তাই এ আইন অনুযায়ী তাদের জন্য সক্ষমতা অনুসারে জীবিকা লাভের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাদেরকে ত্রাণ সাহায্য প্রদান করতে হবে। এসবের পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করতে হবে। এভাবে ১৬০১ সালের দরিদ্র আইন উদ্দীপকে উল্লিখিত অক্ষম দরিদ্রের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, দিপু ছাড়াও উদ্দীপকে বর্ণিত অপর শ্রেণি অর্থাৎ অক্ষম দরিদ্র শ্রেণির মানুষের জন্য ১৬০১ সালের দরিদ্র আইনটি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।

123

Related Question

View All
উত্তরঃ

হেনরীয় দরিদ্র আইন প্রণয়ন করেন ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরি।

444
উত্তরঃ

আত্মনির্ভরশীলতা বলতে যেকোনো বিষয়ে ব্যক্তির আত্মনিয়ন্ত্রণকে বোঝায়।
সমাজকর্মে সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে সাহায্যার্থীকে এমনভাবে সাহায্য করা হয় যেন সে নিজেই নিজেকে সাহায্য করতে পারে। সক্ষমতা অর্জন করতে পারাই আত্মনির্ভরশীলতা। এ গুণ অর্জনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তি জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে পারেন। এক্ষেত্রে ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস তাকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলে।

416
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রফিক সমাজকর্ম পেশার প্রতিনিধিত্ব করছেন।
সমাজকর্ম হলো একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নির্ভর সাহায্যকারী পেশা। এ পেশায় নিয়োজিত সমাজকর্মীরা সমাজকর্মের জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োগ করে সমাজে বসবাসকারী ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহায়তা করেন। এক্ষেত্রে তারা সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক, মানসিক ও আর্থিক সহযোগিতার ব্যবস্থা করেন। উদ্দীপকের রফিকও তাই করেছেন।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, কারখানায় কাজ করার সময় আতিক সাহেবের হাত কেটে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসা বাবদ অনেক টাকা খরচ হয় যা তার পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় তার সমস্যা সমাধানে রফিক এগিয়ে আসেন। তিনি নিজের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা দিয়ে আতিক সাহেবকে সাহায্য করেন। তিনি আইনের সহায়তায় কারখানা থেকে তাকে ক্ষতিপূরণও পাইয়ে দিয়েছেন। অর্থাৎ রফিক সমাজকর্মীর মতো সমাজকর্মের জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োগ করে আতিক সাহেবের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সহায়তা করেছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রফিক সমাজকর্ম পেশার প্রতিনিধিত্ব করছেন।

209
উত্তরঃ

আতিকের সহায়তায় ১৯৪২ সালের বিভারিজ রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রণীত সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির সাহায্য নেওয়া হয়েছে যা পরবর্তী সময়ে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ইংল্যান্ডে আর্থ-সামাজিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এ সমস্যা মোকাবিলার লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার স্যার উইলিয়াম বিভারিজকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করে। সার্বিক বিশ্লেষণে- এ কমিটি ১৯৪২ সালে সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদন পেশ করে যা বিভারিজ রিপোর্ট নামে পরিচিত। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে ১৯৪২ সালে ইংল্যান্ডের সামাজিক নিরাপত্তায় সামাজিক বিমা, পারিবারিক ভাতা, শ্রমিক ক্ষতিপূরণ বা শিল্প দুর্ঘটনা বিমা, সরকারি সাহায্য, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি প্রভৃতি প্রণয়ন করা হয়। এসব কর্মসূচির আওতায় স্বাস্থ্য, বার্ধক্য ও পড়া বিমা; শিশু জন্ম-মৃত্যুর জন্য বিশেষ ভাতা, পরিবারে দুইয়ের অধিক ১৮ বছরের কমবয়সী সন্তানের জন্য ভাতা, শিল্প দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের ক্ষতিপূরণ, দরিদ্রদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কাজের ব্যবস্থা এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

ইংল্যান্ডে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি প্রণয়নের ফলে সমাজের দুস্থ, অসহায় ও দরিদ্ররা সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা পেতে থাকে। অনেকের কাজের ব্যবস্থা হওয়ায় পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসে সরকারিভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করায় জনগণের চিকিৎসার চাহিদাও পূরণ হয় যা জনসাধারণের সুস্থ জীবনযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এভাবে বিভারিজ রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রণীত কর্মসূচিগুলো জনগণের কল্যাণ সাধনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এর ফলে বিশ্বে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের ধারণা সৃষ্টি হয়।

উদ্দীপকে দেখা যায়, আতিক সাহেব কারখানায় কাজ করতে গিয়ে আহত হন। তিনি চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে ব্যর্থ হলে রফিক তাকে সহযোগিতা করেন। এ সময় রফিক ১৯৪২ সালের বিভারিজ রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রণীত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় কারখানা থেকে' আতিক সাহেবকে ক্ষতিপূরণ পাইয়ে দেন। আর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলো জনগণের কল্যাণ সাধনে ভূমিকা রেখেছিল যা দেখে বিশ্বের অন্য দেশগুলো অনুপ্রাণিত হয়। এর ফলে বিশ্বে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি রচিত হয়। তাই বলা যায়, আতিকের সহায়তায় যে কর্মসূচির সাহায্য নেওয়া হয়েছে সেটি পরবর্তী সময়ে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে

196
উত্তরঃ

সামাজিক নীতি প্রণয়নের উদ্দেশ্য হলো সামাজিক কল্যাণ সাধন।
যেকোনো সমাজেই দারিদ্রদ্র্য বিমোচন, নারীদের ক্ষমতায়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি লক্ষ্য পূরণের মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হয়। এক্ষেত্রে সামাজিক নীতি প্রণয়নের উদ্দেশ্য হলো ক্ষুধা, দারিদ্রদ্র্য এবং মানসিক অসুস্থতার মতো সামাজিক সমস্যাসমূহ দূর করা। তাই বলা যায়, সামাজিক নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো সামাজিক কল্যাণ ও উন্নয়ন সাধন।

348
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews