কফিল সর্দার যে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তা

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কফিল সর্দার যে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তা হলো ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ, যা পূর্ব বাংলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল।
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ পূর্ব-বাংলার জনমনে প্রবলভাবে আইয়ুব বিরোধী চেতনা জাগ্রত করে। কেননা এ যুদ্ধের মাধ্যমে এটা প্রমাণিত হয় যে, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা পূর্ব বাংলার জনগণের নিরাপত্তার ব্যাপারে উদাসীন। বাঙালি সেনারা জীবন বাজি রেখে লাহোর রক্ষা করলেও আইয়ুব খান পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি। ফলে বাঙালিরা নিজেদেরকে পাকিস্তানিদের হাতে অনিরাপদ মনে করতে শুরু করেন। যার গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ে ছয় দফা কর্মসূচিতে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রুমির দাদা কফিল সর্দার পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তিনি নিখোঁজ হন। অর্থাৎ উদ্দীপকে ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধকে নির্দেশ করা হয়েছে। পূর্ব বাংলার জনমনে যার প্রভাব ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
122

পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই শাসনব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায় । এছাড়া এর সাথে যুক্ত হয় সেনাবাহিনীর প্রভাব । পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ ক্রমেই বাড়তে থাকে । সেনাবাহিনী শাসন ক্ষমতা দখল করার সুযোগ খুঁজতে থাকে। ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন। তার সময়কালে সামরিক বাহিনী রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব রাখতে শুরু করে । ইস্কান্দার মির্জা নানাভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করেন । তার ষড়যন্ত্রে কয়েকবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার পতন হয় । পূর্ব বাংলা আইন পরিষদে বিরোধী দল কৃষক-শ্রমিক পার্টির আক্রমণে ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী মাথায় আঘাত পেয়ে নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক জটিলতা ইস্কান্দার মির্জার পক্ষে সেনাশাসন প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ তৈরি করে দেয় ।

 

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • পাকিস্তানের রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপে সৃষ্ট পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং এর ফলাফল বর্ণনা করতে পারব;
  • তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যকার বৈষম্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনে ৬ দফার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব;
  •  ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  •  ১১ দফা সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
  •  ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও ফলাফল বর্ণনা করতে পারব;
  •  দেশের স্বার্থ ও অধিকার আদায়ে সচেতন হব ।

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

জেনারেল আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন।
মৌলিক গণতন্ত্র ইউনিয়ন পরিষদ, থানা পরিষদ, তহসিল পরিষদ (পশ্চিম পাকিস্তানে), জেলা পরিষদ, বিভাগীয় পরিষদ এ চারটি স্তরে বিভক্ত ছিল। মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় পাকিস্তানের উভয় অংশে ৪০০০০ করে মোট ৮০০০০ নির্বাচনি ইউনিট নিয়ে দেশের নির্বাচকমণ্ডলী গঠিত হয়। বিডি মেম্বারগণ বা মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থা ভোটে আইয়ুব খানকে ১৯৬০ সালে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
240
উত্তরঃ

উল্লিখিত ছকে পাকিস্তানি আমলে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের প্রশাসনিক বৈষম্য প্রদর্শন করা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রশাসনিক ক্ষেত্রে মূল চালিকাশক্তি ছিল সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাগণ। ১৯৬২ সালে পাকিস্তানের মন্ত্রণালয়গুলোতে শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার ৯৫৪ জনের মধ্যে বাঙালি ছিল মাত্র ১১৯ জন। আর ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের ৪২০০০ কর্মকর্তার মধ্যে বাঙালি ছিল মাত্র ২৯০০ জন।
আর ১৯৪৭ সালে করাচিতে রাজধানী হওয়ায় সকল সরকারি অফিস আদালতে পশ্চিম পাকিস্তানিরা ব্যাপকহারে চাকরি লাভ করে। তাছাড়া ১৯৬৬ সালে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে গেজেটেড কর্মকর্তা ছিল যথাক্রমে ১৩৩৮ ও ৩৭০৮ জন এবং নন-গেজেটেড কর্মকর্তা ছিল যথাক্রমে ২৬৩১০ ও ৮২৯৪৪ জন।
এ বিষয়গুলোতে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের প্রশাসনিক বৈষম্য ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
503
উত্তরঃ

ছকে বর্ণিত বৈষম্য তথা প্রশাসনিক বৈষম্য বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের একমাত্র কারণ নয় বলে আমি মনে করি।
প্রশাসনিক বৈষম্য ছাড়াও পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের আরো অনেকগুলো বৈষম্য বিদ্যমান ছিল। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্মের পর থেকেই সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ব পাকিস্তানকে রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু করে পশ্চিম পাকিস্তানের মুখাপেক্ষী করে রাখা হয়। লাহোর প্রস্তাবে পূর্ণ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কথা বলা হলেও পাকিস্তানি শাসকেরা প্রথম থেকেই এ বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করে। তারা ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচিত সরকারকে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করে এবং ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়। এছাড়া সামরিক বাহিনীতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব ছিল অতি নগণ্য। ১৯৫৫ সালের এক হিসাবে দেখা যায়, সামরিক বাহিনীর মোট ২২১১ জন কর্মকর্তার মধ্যে বাঙালি ছিল মাত্র ৮২ জন।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পূর্ব পাকিস্তানের সকল আয় পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যায়। তাছাড়াও শিক্ষা, সামজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও পশ্চিম পাকিস্তানিরা বাঙালিদের ওপর বৈষম্যের স্টিম রোলার চালিয়েছিল।
এসব বৈষম্যের শিকার হয়েই বাঙালি স্বাধিকার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
331
উত্তরঃ

সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী কোসিগিনের মধ্যস্থতায় তাসখন্দ শহরে ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে যুদ্ধ-বিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
502
উত্তরঃ

১৯৬৯ সালের আসাদ হত্যার প্রতিবাদ মিছিলে মতিউর নিহত হয়।
আসাদ হত্যার প্রতিবাদে ১৯৬৯ সালের ২২, ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি তারিখে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ২৪ জানুয়ারি তারিখে সারা দেশে হরতাল চলাকালে সর্বস্তরের মানুষের ব্যাপক ঢল নামে। আবারও পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর নিহত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
524
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews