কবিতায় কবি প্রশ্ন করেছে হাসি প্রসঙ্গে। তার কল্পনার ব্যক্তি মানসে কবির জিজ্ঞাসা এত হাসির উৎস কী? খলখল হাসির শব্দকে কবি নদীর প্রবহমান জলের কলকলানির সাথে তুলনা করেছেন। দেখাতে চেয়েছেন কলমী ফুলের মতো রঙিন ঠোঁটের হাসিকে। এছাড়াও কল্পনার মানস লোকের হেঁটে যাওয়াকে তুলনা করেছেন লতার এঁকেবেঁকে চলার সাথে।
Related Question
View Allহাসি মানুষের মনের খোরাক। হাসলে মানুষের মন ভালো থাকে। হাসির মাধ্যমে মানুষের দুঃখকষ্ট দূর হয়ে যায়। মানুষ যখন অনেক বেশি বেদনায় থাকে তখন মানুষের হাসা উচিত। গোমড়া মুখে থাকলে মন মেজাজ খারাপ হয়ে পড়ে। শুধু মন নয় এতে মানুষের শরীর খারাপের কারণ হতে পারে। তাই মন ও শরীর সুস্থ রাখতে সর্বদা হাসি খুশি থাকা চাই।
হাসিতে মুখের ভিতর খলখল শব্দ হয়। নদীর বয়ে চলা কলকল ধ্বনি যেমন নদীর উৎফুল্লতা প্রকাশ করে। তেমনি মানুষের মুখের হাসিও মানুষের অন্তরের আনন্দ প্রকাশ করে। মানুষের অন্তর আনন্দকে প্রকাশ করতে হাসির ব্যবহার করেছেন। সেই মুখ ভরা হাসির আনন্দকে নদীর কলকল ধ্বনির সাথে তুলনা করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!