কবিরের মা বাবা সারাদিন ঝগড়া করেন। প্রায়ই মা তাকে বাবার থেকে দূরে নানার বাড়িতে নিয়ে যান। তারা কবিরের ব্যাপারে উদাসীন। ফলে সে হতাশায় ভোগে। বন্ধুদের সাথে বেশি সময় কাটানোর এক পর্যায়ে সে মাদক গ্রহণ করে। এখন সে প্রতিদিনই মাদক গ্রহণ করে। ফলে লেখাপড়ায় খারাপ করছে। সে উগ্র আচরণ করে, জিনিসপত্র ভাঙচুর করে, টাকাও চুরি করে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

জাতিসংঘ সনদে ৫৪টি ধারা আছে।

উত্তরঃ

শিশুশ্রম একটি অন্যায় ও নিষিদ্ধ কাজ।

অনেক শিশু আছে যারা নানা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে করে যার ফলে তাদের মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঝুঁকিও থাকে। এ ধরনের কাজে নিয়োজিত শিশুদের শ্রমকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বলে।

উত্তরঃ

মা বাবার সম্পর্কের অবনতিই মূলত কবিরের হতাশায় ভোগার প্রধান কারণ।

প্রতিটি শিশুরই বাবা মা উভয়েরই স্নেহ, ভালোবাসা প্রয়োজন। তাই উভয়ের সাথে একত্রে বাস করার অধিকারের কথা শিশু অধিকার সনদে বলা হয়েছে। যদি কোনো শিশু তার মা অথবা বারা বা উভয় হতে বিচ্ছিন্ন, হয়ে যায়, তবে তাদের দু'জনের সাথেই যোগাযোগ করার অধিকার শিশুটির রয়েছে।

কবির হতাশায় ভুগছে। কারণ তার মা-বাবা সারাদিন ঝগড়া করেন। তার মা প্রায়ই তাকে বাবার থেকে দূরে নানাবাড়িতে নিয়ে যান। বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং বাবা-মায়ের ঝগড়ার কারণে সে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। নিরাপত্তাহীনতা তার মধ্যে হতাশার জন্ম দেয়।

উত্তরঃ

মাদকদ্রব্য হচ্ছে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ। এটি নেশার সৃষ্টি করে। সুস্থ মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটায়। জ্ঞান ও স্মৃতিশক্তি লোপ করে দেয়। মাদক সেবন একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

কবিরের পিতামাতার অসচেতনতা ও উদাসীনতা কবিরের মাদক গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছে। মাদক গ্রহণের ফলে কবিরকে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়েছে। সে লেখাপড়ায় উদাসীন হয়ে পড়েছে। কাজ করার ক্ষমতা কমে গিয়েছে। সে সবার সাথে উগ্র আচরণ করছে। অন্যকে স্নেহ, ভালোবাসা বা সম্মান করছে না। ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করছে। মাদকের টাকার জোগাড় করতে চুরি করা শুরু করেছে। এসকল সমস্যা বর্তমানে কবিরের মধ্যে দেখা দিয়েছে। মাদকদ্রব্য শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি করে। তাই কবিরের উচিত মাদক বর্জন করা।

49

শিশুকে এক কথায় সংজ্ঞায়িত করা বেশ কঠিন। আমরা পাঁচ বছরের ছেলেমেয়েকেও শিশু বলি, আবার দশ-এগারো বছরের ছেলেমেয়েকেও শিশু বলে থাকি। শিশু মনোবিজ্ঞানীরা অবশ্য শিশুকালকে কয়েকটি পর্যায়ে ভাগ করেছেন। তাঁদের মতে, জন্মের পর থেকে বয়ঃসন্ধিকাল বা কিশোর বয়সের আগে পর্যন্ত ছেলেমেয়েরাই হচ্ছে শিশু। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী ১৮ বছর বয়সের নিচে সবাই শিশু। বাংলাদেশের জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ এবং শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সিদের শিশু হিসেবে ধরা হয়। তোমরা নিশ্চয়ই জাতিসংঘ সম্পর্কে জানো, জাতিসংঘ হচ্ছে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার পক্ষে সহযোগিতা দানের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থা। শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ১৯৮৯ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শিশু অধিকার সনদ সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। ১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বরে এটি আন্তর্জাতিক আইনের একটি অংশে পরিণত হয়। ইতিহাসে এটি হচ্ছে সবচেয়ে ব্যাপকভাবে গৃহীত মানবাধিকার চুক্তি। জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে ১৯১টি দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেছে, বাংলাদেশ তার মধ্যে একটি।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী ১৮ বছর বয়সের নিচে সবাই শিশু। আমাদের দেশের জাতীয় শিশুনীতিতে ১৪ বছরের কম বয়সীদের শিশু হিসেবে ধরা হয়। সনদের সাথে এ অসামঞ্জস্যের ফলে বাংলাদেশের অনেক শিশুই সনদ অনুযায়ী সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

117
উত্তরঃ

রানা শিক্ষা লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আবদুল মালেক একজন রিক্সাচালক। তার বড় ছেলে রানার বয়স ১২ বছর। সে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। সে পড়ালেখায় ভালো। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ তার বাবা অসুস্থ থাকায় ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। এ অবস্থায় আবদুল মালেক তার ছেলেকে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে গার্মেন্টসে কাজে লাগিয়ে দেন। ফলে সে স্কুলে যেতে পারছে না। শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী প্রতিটি শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং মাধ্যমিক ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনে সরকার তাদের আর্থিক সাহায্য দেবে। শিক্ষার অধিকার হলো শিশুর অন্যতম মৌলিক অধিকার।

শিক্ষার মাধ্যমে শিশুর ব্যক্তিত্ব, শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্যের পরিপূর্ণ বিকাশ হয়। কিন্তু দারিদ্র্যের কারণে অনেক শিশু শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

122
উত্তরঃ

আবদুল মালেকের গৃহীত পদক্ষেপ জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় উপার্জন করতে পারছেন না। তাই তিনি তার ছেলেকে শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করেছেন। শিশুরা যদি অনাদর, অবহেলা ও শিক্ষার অভাবে অজ্ঞতায় ডুবে থাকে তবে তাদের জীবন বিপন্ন হবে।

শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী সব শিশুর সমান অধিকার রয়েছে। সরকারের দায়িত্ব শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা। সরকারের পক্ষ থেকে এ সুযোগ বিনামূল্যে দেওয়া প্রয়োজন। যদি তা সম্ভব না হয় তবে তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া উচিত। অনেক শিশু আর্থিক সমস্যার কারণে স্কুলে না গিয়ে কাজ করে। এই শিশুশ্রম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। উদ্দীপকে আব্দুল মালেক অসুস্থ হয়ে পড়ায় ঠিকমতো কাজ করতে পারেন না। যার কারণে পরিবারে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। ফলে তিনি তার ছেলের লেখাপড়া বন্ধ করে তাকে গার্মেন্টসে কাজে লাগিয়ে দেন।

সুতরাং বলা যায় যে, তার গৃহীত পদক্ষেপটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

96
উত্তরঃ

অতি শৈশব থেকেই যদি শিশু অবহেলা, অনাদরে জীবনযাপন করে, অপুষ্টি ও রোগের কারণে স্বাস্থ্যহীন হয়ে পড়ে, শিক্ষার অভাবে অজ্ঞতায় ডুবে থাকে তাহলে তার জীবন বিপন্ন হয়।

103
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews