মানসিক আচরণকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
মানসিক অস্থিরতা দূরীকরণের তথা প্রতিরোধের উপায়গুলো হলো:
১. সুশিৰার ব্যবস্থা করা।
২. শিশুর স্বাস্থ্যসম্মত লালন-পালন, পরিচর্যা নিশ্চিত করা।
৩. উন্নত পারিবারিক পরিবেশ সৃষ্টি করা।
৪. মাতা-পিতা ও অভিভাবকের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা।
কবিরের সমস্যাটি হলো মানসিক অবসাদ। তার মতো শিৰার্থীরা যখন মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে তখন তাদের মধ্যে নিম্নোক্ত প্রভাবগুলো লব করা যায়-
১. শিৰার্থীদের কর্মসূচি পালনকালে ভুল হতে থাকে।
২. তারা নিজেদের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে।
৩. তাদের কাজের মধ্যে সমন্বয় থাকে না।
৪. তারা কাজের ছন্দ হারিয়ে ফেলে এবং ভুল সিদ্ধান্ত নেয়।
৫. তারা অমনোযোগী হয়ে পড়ে, কর্মসূচি বাস্তবায়নের কলাকৌশল সহজে বুঝতে পারে না।
৬. শিৰার্থীরা মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।
কবিরের মতো শিৰার্থীদের ৰেত্রে মানসিক অবসাদ খুব বতিকর। তাই তার মতো শিৰার্থীদের মানসিক অবসাদ দূর করার জন্য নিম্নোক্ত পদৰেপগুলো গ্রহণ করা জরৎরি।
১. প্রথমে শিৰার্থীর যে বিশেষ কারণে মানসিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে তা উদঘাটন করা এবং সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করা।
২. শিৰার্থীকে নির্দিষ্ট কোনো কর্মসূচিতে আটকে না রেখে কর্মসূচিকে আনন্দপূর্ণ ও বৈচিত্র্যময় করে তোলা।
৩. শিৰার্থীরা যেন কোনো কর্মসূচিতে অতিরিক্ত চাপ অনুভব না করে সেদিকে লব রাখা।
৪. শিৰার্থীদের পুষ্টিকর খাবার প্রদান করে এবং পরিমাণমতো বিশ্রাম ও ঘুমের ব্যবস্থা করে মানসিক অবসাদ দূর করা যায়।
৫. শিবার্থীদের সবসময় স্বাস্থ্যকর, আলো-বাতাসপূর্ণ, খোলামেলা পরিবেশে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সচেষ্ট রাখতে হবে। এর ফলে শিৰার্থীর মানসিক অবসাদ সৃষ্টি হবে না।
৬. শিবার্থীদের মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে তাদের প্রতি ভালো ব্যবহার করতে হবে। স্নেহ, ভালোবাসা প্রভৃতির মাধ্যমে মা-বাবা শিৰার্থীদের মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!