কবির যুগে তাঁরা পুতুল খেলেছেন। আকাশে ঘুড়ি উড়িয়েছেন। উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতে থাকা জিন-পরিদের গল্প শুনেছেন। আজকের শিশুরা খেলার বয়সে পড়ালেখা করে। আকাশে কলের জাহাজ চালায়। উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর সব অজানা তথ্য জানে।
Related Question
View Allআমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা
তোমরা এখন কলের জাহাজ চালাও গগন জুড়ি।
জগৎ করিবে মধুময় , প্রাণে প্রাণে বাঁধি প্রীতিডোর।
উত্তর মেরু, দক্ষিণ মেরু সব তোমাদের জানা।
মেরুতে মেরুতে জানা পরিচয় কেমন করিয়া হবে।
আকাশ-আলোক বাঁধি আনি দূর করিবে অন্ধকার।
তোমরা এ যুগে সেই বয়সে লেখাপড়া করো মেলা।
পাতালপুরীর অজানা কাহিনি তোমরা শোনাও সবে।
তোমাদের ঘরে আলোর অভাব কভু নাহি হবে আর।
আমরা যখন আকাশের তলে উড়ায়েছি শুধু ঘুড়ি।
শিশুরা আকাশে ঘুড়ি ওড়াচ্ছে।
শরীর ভালো থাকলে মন ভালো থাকে।
প্রীতি ও শুভেচ্ছা রইল।
ভোরে পাখি ডাকে।
কবির মতে আজকের শিশুরা খেলার বয়সে অনেক পড়ালেখা করে। তাই তারা অনেক তথ্য বা অজানা বিষয় সম্পর্কে জানে। সেই সব জানা বিষয়গুলো তারা অন্যদের জানায়। যেমন: পাতালপুরীর অজানা সব কাহিনি সবাইকে জানায়। এক মেরুর সাথে আরেক মেরুর মানুষের কীভাবে জানাশোনা হবে সে কথা বলে।
কবির দৃষ্টিতে আজকের শিশুরা-
১. আকাশের আলো এনে অন্ধকার দূর করবে
২. মাঠে ফুল ও ফসল আনবে
৩. পাখি-ডাকা রাঙা ভোর আনবে
৪. জগৎ মধুময় করবে
৫. প্রীতিডোরে সবাইকে বেঁধে রাখবে
'আজিকার শিশু' কবিতায় ব্যবহৃত পাঁচটি মিল-শব্দ হলো খেলা - মেলা, ঘুড়ি – জুড়ি, জানা- দানা, সবে – হবে, ভোর - প্রীতিডোর
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!