কমল মজুমদারের সীমানার পাশেই আফসার গোমেজের জমিদারী অবস্থিত। পাশাপাশি জমিদারী হওয়ায় সীমানা এবং চোর-ডাকাতের আশ্রয় প্রশ্রয় নিয়ে দুই জমিদারের বিবাদ লেগেই থাকত। একবার চর এলাকা থেকে কমল মজুমদারের কিছু প্রজা তাদের নিজেদের শস্য বোঝাই নৌকা নিয়ে আসার সময় জমিদার আফসার গোমেজের এলাকার কিছু জলদস্যু শস্যগুলো লুট করে নিয়ে যায়। কমল মজুমদারের এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। কিন্তু আফসার গোমেজ তাতে অস্বীকৃতি জানান। কমল মজমুদার তার লোকজনকে আফসার গোমেজের জমিদারী আক্রমণ করার নির্দেশ দেন। এতে আফসার গোমেজ বাধা প্রদান করতে এসে নিহত হন এবং তার এলাকার লোকজনদের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। লোকজন প্রাণভয়ে অন্যত্র পালিয়ে যায়।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

সিন্ধুর প্রধান বন্দরটির নাম দেবল বন্দর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ছিল একটি চূড়ান্ত মীমাংসাত্মক যুদ্ধ। এ যুদ্ধের ফলে স্থায়ীভাবে ভারতবর্ষে মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এ যুদ্ধে মুইজউদ্দিন মুহাম্মদ ঘুরী (ভারতে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠাকারী) ও তার বাহিনী দীপ্ত শপথে যুদ্ধ করে এবং পৃথ্বিরাজ (দিল্লি ও আজমিরের রাজপুত এবং চৌহান বংশের রাজা) ও সম্মিলিত রাজপুত বাহিনীকে পর্যুদস্ত করে। ফলে ভারতীয় রাজ্যগুলোর ওপর মুহাম্মদ ঘুরীর চূড়ান্ত সফলতা সুনিশ্চিত হয় এবং ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের ভিত প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত শস্য বোঝায় নৌকা নিয়ে যাওয়ার সাথে সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণটির সাদৃশ্য রয়েছে।

অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে সিংহলরাজ কর্তৃক খলিফা ওয়ালিদ ও হাজ্জাজ বিন ইউসুফের নিকট প্রেরিত উপঢৌকনপূর্ণ আটটি আরব জাহাজ দেবলস্য জলদস্যু কর্তৃক লুণ্ঠনই ছিল আরবদের সিন্ধু অভিযানের প্রত্যক্ষ কারণ। উদ্দীপকেও এ কারণটি প্রতিফলিত হয়েছে।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় যে, কমল মজুমদারের কিছু প্রজা তাদের নিজেদের শস্য বোঝাই নৌকা নিয়ে আসার সময় জমিদার আফসার গোমেজের এলাকার কিছু জলদস্যু শস্যগুলো লুট করে নেওয়ায় কমল মজুমদার জড়িতদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করলে আফসার গোমেজ অস্বীকৃতি জানায়। পরে কমল মজুমদার তার লোকজনকে আফসারের জমিদারি আক্রমণ করার নির্দেশ দেন। সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণটিও এরূপ। সিংহলে অবস্থানকারী বেশকিছু আরব বণিক মৃত্যুমুখে পতিত হলে সিংহলরাজ আটটি জাহাজে করে তাদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যা ও মূল্যবান উপঢৌকন হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এবং খলিফার দরবারে প্রেরণ করেন। জাহাজগুলো যখন সিন্ধুর দেবল উপকূলে এসে পৌছায় তখন জলদস্যুরা এগুলো লুণ্ঠন করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ সিন্ধুর রাজা দাহিরের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। ফলে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ তার জামাতা মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু আক্রমণের নির্দেশ দেন। তিনি ৭১২ খ্রিস্টাব্দে সিম্পুতে অভিযান চালান এবং রাজা দাহিরকে পরাজিত করে সিন্ধু বিজয় করেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকটি আরবদের সিন্ধু আক্রমণের প্রত্যক্ষ কারণকেই ইলিত প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আফসারের জমিদারির পরিণতি ও রাজা দাহিরের পরিণতি একই ধরনের।

উমাইয়া খলিফা আল ওয়ালিদের শাসনামলে সিন্ধুর রাজা দাহির কর্তৃক বিদ্রোহীদের আশ্রয়দান ও দেবল বন্দরের জলদস্যুদের জাহাজ লুণ্ঠনের এবং অন্যান্য কারণে খলিফার অনুমতিক্রমে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ৭১০ খ্রিষ্টাব্দের শেষের দিকে প্রথমে ওবায়দুল্লাহ এবং পরে বুদাইলের নেতৃত্বে সিন্ধুরাজ দাহিরের বিরুদ্ধে পরপর ২টি অভিযান প্রেরণ করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত উভয় সেনাপতি নিহত হন এবং অভিযান দুটিও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। পরাজয়ের গ্লানি মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ৭১১ খ্রিষ্টাব্দে স্বীয় ভ্রাতুষ্পুত্র ও জামাতা ১৭ বছর বয়স্ক মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে সিন্দু দেশে তৃতীয় অভিযান প্রেরণ করেন। মুহাম্মদ বিন কাসিম ৬০০০ বাছাই করা সৈন্য নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে দেবল দুর্গ, নিরুন, সিওয়ান ও সিসাম বিজয় করেন। অবশেষে তিনি সিন্ধু নদ অতিক্রম করে রাজা দাহিরকে পরাজিত করেন এবং ২০ জুন ৭১১ খ্রিষ্টাব্দে রাজা দাহিরকে হত্যা করেন। উদ্দীপকেও একইভাবে কমল মজুমদারের লোকজন আফসারের জমিদারি আক্রমণ করে সবকিছু ছারখার করে আফসারকে উৎখাত করে। সুতরাং জমিদার আফসার পরিণতি এবং রাজা দাহিরের পরিণতি যেন একই সূত্রে গাঁথা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
27
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাচীন হিন্দু সমাজে প্রচলিত স্বামীর শবদেহের সাথে জীবিত বিধবা স্ত্রীকে একই চিতায় দাহ করার রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।
মৃত স্বামীর প্রতি বিধবা স্ত্রীর চূড়ান্ত আনুগত্য প্রদর্শনের একটি আচার হিসেবে প্রাচীন সমাজে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সতীদাহ প্রথা মেনে চলত। তখন স্বামীর মৃত্যু হলে বিধবা স্ত্রী স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়েই স্বামীর চিতায় আত্মাহুতি দিত। কিন্তু কালক্রমে এটি হিন্দু সমাজে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতায় রূপ নেয়। এক সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে সমাজপতিরা বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে সহমরণ বরণ করে নিতে বাধ্য করে। তারা জোর করে অনেক বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে পুড়িয়ে মারতে শুরু করে। হিন্দু সমাজের এ জঘন্য ও নিষ্ঠুর রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
114
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত শাসক সুলতান মাহমুদের মিল রয়েছে।

যেকোনো দেশ, রাজ্য বা অঞ্চলকে সমৃদ্ধিশালী ও সুসজ্জিত করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- এই অর্থের প্রয়োজনে অনেক শাসক বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়েছেন। উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান এবং ইতিহাসখ্যাত সুলতান মাহমুদ উভয়ের মধ্যেই এ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সুলতান সুলেমান নিজ রাজ্যকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী করার জন্য বিভিন্ন দেশে অভিযান প্রেরণ করেন। সেসব অভিযান থেকে প্রাপ্ত ধন-সম্পদ কাজে লাগিয়ে তিনি তার শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন। তাছাড়া শিক্ষা বিস্তার ও দেশের উন্নয়নে তিনি ধন-সম্পদ ব্যয় করেন। বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদও ধন-ঐশ্বর্যে ভরপুর ভারতবর্ষে বারবার আক্রমণ করে সুলতান সুলেমানের মতোই প্রচুর ধন-সম্পদ আহরণ করেছিলেন। তার উদ্দেশ্যও ছিল নিজের রাজ্যের উন্নয়ন ঘটানো। তাই তিনি ভারতবর্ষকে তার প্রয়োজনীয় অর্থভাণ্ডার মনে করে সেখানে ১৭ বার (১০০০ থেকে ১০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে) অভিযান প্রেরণ করেন এবং প্রতিবারই জয়লাভ করে প্রচুর সম্পদ হস্তগত করেন। তিনি আহরিত অর্থ-সম্পদ কাজে লাগিয়ে গজনি রাজ্যকে সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলেছিলেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। শিল্প ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি সুলতান সুলেমানের মতোই উদার ও আন্তরিক ছিলেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান ও গজনির শাসক সুলতান মাহমুদের মধ্যে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
108
উত্তরঃ

উত্ত শাসক তথ্য সুলতান মাহমুদ শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের একজন প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।

বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। শত্রুপক্ষের অধীন সকল রাজ্য জয় করে তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত বিলোপ সাধনই ছিল সুলতান মাহমুদের লক্ষ্য এবং তিনি তা অর্জনে সক্ষম হন। পাঞ্জাবে তার শাসন দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্র গজনি রাজ্যকে তিনি বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।

ভারতীয় ঐতিহাসিক ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "সুলতান মাহমুদ ছিলেন বড় মাপের নৃপতি।" একটি পার্বত্য ক্ষুদ্র রাজ্যতে শুধু বাহুবলে বিশাল ও সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যে পরিণত করা অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচায়ক। তার পূর্বে এশিয়ার অন্য কোনো আরব বা তুর্কি শাসক হিরাত, কাবুল ও গজনির বাইরে অগ্রসর হতে পারেননি। তিনি যে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, তা বাগদাদের সমসাময়িক আব্বাসীয় খলিফার সাম্রাজ্য অপেক্ষা বিশাল ছিল বলে মনে করা হয়। মুসলিম শাসকদের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত পথে তিনিই প্রথম ভারতে অভিযান চালিয়েছিলেন। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুসলিম রাজবংশ প্রতিষ্ঠায় কৃতিত্বের অধিকারী না হলেও তারই দেখানো পথে মুহাম্মদ ঘুরী এদেশে এসে মুসলিম শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
পরিশেষে বলা যায়, শুধু কৃতী সেনানায়ক নয়, সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও সুলতান মাহমুদ খ্যাতি অর্জন করেন। অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা বলেই তিনি ক্ষুদ্র গজনিকে বিশাল সাম্রাজ্যে রূপায়িত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
82
উত্তরঃ

আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা শোচনীয় ছিল।
প্রাক-মুসলিম ভারতীয় সমাজে সতীদাহ প্রথা ও বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল। তাছাড়া বিধবা বিবাহ প্রথার বিলোপ ঘটেছিল। তাই নারীরা সমাজে অবহেলিত হয়ে পড়েছিল। তারা সব ধরনের অধিকার বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে এ চিত্র নিম্ন শ্রেণির নারীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যেত। অভিজাত পরিবারের নারীরা শিক্ষাগ্রহণ ছাড়াও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ পেত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
69
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews