নিচে কম্পিউটারের কয়েকটি ব্যবহার উল্লেখ করা হলো-
১. লেখালেখির কাজে টাইপরাইটারের বিকল্প হিসেবে অফিস-আদালতে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
২. অফিসের যাবতীয় ব্যবস্থাপনার কাজে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
৩. শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন গবেষণামূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪. বিনোদনের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার হয়।
Related Question
View Allকম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভান্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নির্দেশাবলি সংরক্ষণ করে রাখে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপন করে।
রায়না তার কম্পিউটারে অনেক বেশি সফটওয়্যার ইনস্টল করেছিল। রায়না তার কম্পিউটারটির Capacity এর অতিরিক্ত সফটওয়্যার ইনস্টলের এবং তা ব্যবহারে কাজ করায় এ সমস্যায় পড়েছিল। আইসিটি কিংবা অন্য কোনো যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে কাজ করাতে হলে এর রক্ষণাবেক্ষণ করাটা জরুরি। কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য এবং এর গতি বাড়ানোর জন্য সফটওয়্যার ভিত্তিক রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। প্রতিটি কম্পিউটারের মেমোরিতে সফটওয়্যার কিংবা নানা কাজ জমা রাখার জন্য নির্ধারিত ও পরিমাণগত জায়গা থাকে, অথবা বিভিন্ন সময় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মেমোরিতে অনেক temporary ফাইল জমা হয়, অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার নিয়মিত হালনাগাদ না করাবার কারণে, কম্পিউটারকে গতিশীল রাখবার জন্য রেজিস্ট্রি ক্লিনআপ সফটওয়্যার ব্যবহার না করা হলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যাবে, hang করবে, আইসিটি যন্ত্রটি ঠিকভাবে কাজ করবে না এবং তা ব্যবহারকারীর জন্য বিরক্তির কারণ হবে। এখানে রায়নাও একই ধরনের সমস্যায় পড়েছিল।
সমস্যা সমাধানে রায়না কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলো হলো:
১. নিয়মিত অপারেটিং সিস্টেমের হালনাগাদ করা বা Update করা।
২. কম্পিউটারকে গতিশীল ও সচল রাখার জন্য রেজিস্ট্রি-ক্লিনআপ সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
৩. হার্ডডিস্কের জায়গা খালি করে গতি বাড়ানোর জন্য সফটওয়্যারের সাহায্যে টেম্পোরারি ফাইলগুলো মুছে দেওয়া।
৪. ইন্টারনেট ব্যবহার করলে এর ক্যাশ মেমোরিতে অনেক কুকিজ ও temporary ফাইল জমা হয়। নিয়মিত সফটওয়্যারের ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করা ও ICT যন্ত্রটি গতিশীল করা।
৫. হার্ডডিস্কের কর্মক্ষমতার বাইরে সফটওয়্যার install এর চেষ্টা না করা।
৬. কাজের গতি বাড়ানোর জন্য ডিস্ক ক্লিনআপ ও ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার ব্যবহার করা ও Hard disk এর জায়গা খালি করা।
৭. যাতে ভাইরাস কিংবা ম্যালওয়ারের আক্রমণ কম্পিউটারের ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য Anti Virus বা Anti Malware সফটওয়্যার ব্যবহার করা এবং সফটওয়্যারগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করা।
রায়না কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর জন্য এবং একে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারে।
সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানো নির্দেশমালাকে প্রোগ্রাম বলে। এ প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের Hardware ও ব্যবহারকারীর মাধ্যমে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম করে তাকেই সফটওয়্যার বলে।
কম্পিউটার চালু হওয়ার পর কম্পিউটারে থাকা CD, DVD কিংবা Pendrive টি চালু হয়ে যায় এবং তাদের উপস্থিতি প্রদর্শন করে। একেই বলে Auto run। কোনো সফটওয়্যার install করতে হলে প্রথমেই সফটওয়্যারটির ডিজিটাল কপি প্রয়োজন হবে।
এ সফট কপিটি CD, DVD, Pendrive বা ইন্টারনেট থেকে পাওয়া যেতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সফটওয়্যারগুলোর সাথে Auto run নামে একটি প্রোগ্রাম সংযুক্ত অবস্থায় থাকে। CD, DVD কিংবা Pendrive প্রবেশ করালে Auto run প্রোগ্রামটি সচল হয়ে যায় এবং সফটওয়্যারটি setup করার অনুমতি চায়।
কোনো সফটওয়্যার ব্যবহারে কাজ করার জন্য সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার প্রয়োজন হয়। আবার নানা প্রয়োজনে তা uninstall করবারও প্রয়োজন হয়। মূলত সফটওয়্যার uninstall করার মাধ্যমে আমরা আমাদের আইসিটি যন্ত্র বা কম্পিউটার থেকে install করা যেকোনো সফটওয়্যার মুছে ফেলতে পারি। সুজাও তাই ভেবে সফটওয়্যারটি uninstallation করেছিল। কিন্তু তাতে দেখা গেল তা পুরোপুরি নিঃশেষ হয়ে যায় নি। আসলে কম্পিউটার বা অন্য যেকোনো আইসিটি যন্ত্রে কোনো সফটওয়্যার একবার install করলে তার uninstall এর মাধ্যমে তা সম্পূর্ণ মুছে ফেলা যায় না। Uninstall করলে সফটওয়্যারটির কিছু অংশ Operating System এর রেজিস্ট্রি ফাইলে থেকে যায়। তাই নিয়ম অনুসরণ করে delete করলে যেকোনো সফটওয়্যার মুছে ফেলা সম্ভব। আবর নিয়ম না মেনে শুধুমাত্র সফটওয়্যারটি delete করে দিলে সফটওয়্যারটি মুছে তো যায়ই না বরং আরও নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করে। তাই সফটওয়্যার delete করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করাটা জরুরি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!