করোনাকালীন সময়ে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফয়সাল শিক্ষাজীবন শেষে মাশরুম ও স্ট্রবেরীর চাষ শুরু করে। পরবর্তীতে সে তার বাড়ির পাশের পুকুরে রুই মাছের চাষও করতে থাকে। সে এখন সফল উদ্যোক্তা।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ জীবাশ্ম বিজ্ঞান হলো বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা পৃথিবীর অতীত ভূতাত্ত্বিক যুগের প্রাণী ও উদ্ভিদের জীবাশ্ম (fossils) নিয়ে আলোচনা করে।

এই বিজ্ঞানের মাধ্যমে বিলুপ্ত জীবদের দেহাবশেষ বা তাদের অস্তিত্বের প্রমাণ (যেমন: ছাপ, পদচিহ্ন, শিলায় সংরক্ষিত অস্থি) পরীক্ষা করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর জীবন এবং ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা। জীবাশ্ম বিজ্ঞানীরা (paleontologists) বিভিন্ন স্থান থেকে জীবাশ্ম সংগ্রহ করে সেগুলোর বয়স, গঠন এবং জীববৈচিত্র্যের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করেন। ডাইনোসর, অ্যামোনাইট ইত্যাদি বিলুপ্ত প্রাণীদের সম্পর্কে আমরা যা কিছু জানি, তার বেশিরভাগই জীবাশ্ম বিজ্ঞানের অবদান। এটি বিবর্তন (evolution) এবং ভূতাত্ত্বিক সময়কাল (geological timescale) বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রজাতির টিকে থাকার জন্য বিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি জীবের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে চলার ক্ষমতা বাড়ায় এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করে। সময়ের সাথে সাথে জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ও অভিযোজনই প্রজাতির দীর্ঘমেয়াদী অস্তিত্ব নিশ্চিত করে।

বিবর্তনের ফলেই জীবকুল পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে সক্ষম হয়। কোনো প্রজাতির মধ্যে যখন নতুন বৈশিষ্ট্য দেখা দেয়, যা তাকে টিকে থাকতে বা বংশবৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, তখন সেই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবগুলোই প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বেঁচে থাকে এবং তাদের জিন পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়। এভাবে একটি প্রজাতি প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা পেয়ে টিকে থাকে এবং সময়ের সাথে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

জীবজগতের প্রতিটি জীবকে নির্দিষ্ট ও সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উপায়ে নামকরণের পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature) বলে। এই নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus)। এই পদ্ধতি অনুযায়ী, প্রতিটি জীবের একটি বৈজ্ঞানিক নাম থাকে যা দুটি অংশ নিয়ে গঠিত এবং বিশ্বজুড়ে এই নামেই জীবটি পরিচিতি লাভ করে।

দ্বিপদ নামকরণের প্রধান নিয়মাবলী হলো: ১. নামটি ল্যাটিন ভাষায় হতে হবে বা ল্যাটিন ভাষার মতো করে প্রকাশ করতে হবে। ২. বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ থাকে— প্রথম অংশ গণ (Genus) এবং দ্বিতীয় অংশ প্রজাতি (Species)। ৩. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে এবং প্রজাতির নাম ছোট হাতের হবে। ৪. ছাপানোর সময় বৈজ্ঞানিক নাম ইটালিক অক্ষরে লিখতে হবে এবং হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতির নামের নিচে আলাদাভাবে দাগ দিতে হবে। ৫. একই নামে দুটি ভিন্ন প্রজাতির নামকরণ করা যাবে না।

উদ্দীপকে ফয়সাল তার বাড়ির পাশের পুকুরে "রুই মাছের চাষ" শুরু করার কথা বলা হয়েছে। রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Labeo rohita। এই নামকরণ পদ্ধতি দ্বিপদ নামকরণের সকল নিয়মাবলি অনুসরণ করে। এখানে 'Labeo' হলো গণ নাম এবং 'rohita' হলো প্রজাতি নাম। এই নামকরণের মাধ্যমে রুই মাছকে বিশ্বব্যাপী একটি নির্দিষ্ট ও সুনির্দিষ্ট জীব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়, যা ফয়সালের মতো উদ্যোক্তাদের জন্য তাদের উৎপাদিত পণ্যকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করতে সহায়তা করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মাশরুম, স্ট্রবেরী এবং রুই মাছ জীবজগতের ভিন্ন ভিন্ন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। তাদের জীবনধারণ পদ্ধতি, কোষীয় গঠন এবং পরিবেশগত ভূমিকার দিক থেকে রাজ্যতাত্ত্বিক তুলনা বিশ্লেষণ করা হলো।

উদ্দীপকে ফয়সাল কর্তৃক চাষকৃত মাশরুম ছত্রাক (Fungi) রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। ছত্রাক হলো বহুকোষী বা এককোষী ইউক্যারিওটিক জীব, যারা সাধারণত পরজীবী বা মৃতজীবী (saprophytic) এবং সালোকসংশ্লেষণ করতে অক্ষম। এদের কোষপ্রাচীর কাইটিন দ্বারা গঠিত। অন্যদিকে, স্ট্রবেরী উদ্ভিদ (Plantae) রাজ্যের সদস্য। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে (স্বভোজী) এবং এদের কোষপ্রাচীর মূলত সেলুলোজ দিয়ে তৈরি। আর পুকুরে চাষ করা রুই মাছ প্রাণী (Animalia) রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে। প্রাণীরা পরভোজী (heterotrophic), সুনির্দিষ্ট টিস্যুতন্ত্র ও অঙ্গতন্ত্র বিদ্যমান এবং এদের কোষে কোনো কোষপ্রাচীর থাকে না।

রাজ্যতাত্ত্বিক তুলনার ক্ষেত্রে, মাশরুমের মতো ছত্রাক রাজ্য খাদ্যের জন্য অন্য জীবের উপর নির্ভরশীল (পরভোজী বা মৃতজীবী), যেখানে স্ট্রবেরীর মতো উদ্ভিদ রাজ্য সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে (স্বভোজী)। রুই মাছের মতো প্রাণী রাজ্যও খাদ্যের জন্য অন্য জীবের উপর নির্ভরশীল, তবে তারা খাদ্য গ্রহণ করে (ingestion)। কোষপ্রাচীরের দিক থেকে, ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কাইটিনের এবং উদ্ভিদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজের তৈরি হলেও প্রাণীকোষে কোনো কোষপ্রাচীর থাকে না। জৈবিক সংগঠনের দিক থেকে, উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ই সাধারণত বহুকোষী এবং উন্নত টিস্যুতন্ত্র ও অঙ্গতন্ত্র বিদ্যমান, তবে ছত্রাকের মধ্যেও এককোষী ও বহুকোষী উভয় প্রকার জীব দেখা যায়। চলনের ক্ষেত্রে, রুই মাছের মতো প্রাণীরা সক্রিয়ভাবে চলাচল করতে সক্ষম হলেও মাশরুমের মতো ছত্রাক এবং স্ট্রবেরীর মতো উদ্ভিদ সাধারণত নিশ্চল।

ফয়সালের এই বহুমুখী উদ্যোগ জীবজগতের তিনটি ভিন্ন রাজ্যের জীবের অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে। এই তিনটি রাজ্য—ছত্রাক, উদ্ভিদ ও প্রাণী—তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও ভূমিকা নিয়ে জীববৈচিত্র্য এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য। মাশরুম বিয়োজক হিসেবে, স্ট্রবেরী উৎপাদক হিসেবে এবং রুই মাছ প্রাথমিক বা গৌণ খাদক হিসেবে বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের এই ভিন্ন রাজ্যতাত্ত্বিক অবস্থানই তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্বের কারণ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
513

মানবসভ্যতা বিকাশে বর্তমান শতকের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, চিকিৎসাশাস্ত্রের উন্নয়ন এবং বিরূপ পরিবেশে জীবনের অস্তিত্ব রক্ষা। এসব ক্ষেত্রে জীববিজ্ঞানের ভূমিকা অপরিসীম। এই অধ্যায়ে জীববিজ্ঞানের সংজ্ঞা, শাখাসমূহের নাম এবং জীবের নামকরণের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • জীববিজ্ঞানের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
  • জীববিজ্ঞানের প্রধান শাখাগুলো বর্ণনা করতে পারব।
  • জীবের শ্রেণিবিন্যাসের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • জীবের শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করতে পারব। 
  • জীবের শ্রেণিবিন্যাসকরণ পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব। 
  • দ্বিপদ নামকরণের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • বাস্তবজীবনে জীবের শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীবের শ্রেণিবিন্যাসের প্রতিটি ধাপই শ্রেণিবিন্যাসের একক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.3k
উত্তরঃ

বংশগতিবিদ্যায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হলো জীববিজ্ঞানের ভৌত শাখার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
এ কারণেই বংশগতিবিদ্যাকে জীববিজ্ঞানের ভৌত শাখা বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.3k
উত্তরঃ

চিত্র-২ এর উদ্ভিদটির নামকরণের ক্ষেত্রে যেভাবে ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো-
i.উদ্ভিদটির নামকরণে অবশ্যই ল্যাটিন শব্দ ব্যবহার করব।
ii. বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ। প্রথমটি হবে গণের এবং দ্বিতীয়টি হবে প্রজাতির।
iii.উদ্ভিদটির নামকরণে বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষরটি বড় অক্ষরে, এবং বাকি অক্ষরগুলো ছোট অক্ষরে লিখবো আর দ্বিতীয় অংশটির নাম ছোট অক্ষর দিয়ে লিখবো।
iv. উদ্ভিদটির নাম মুদ্রণের সময় অবশ্যই ইটালিক অক্ষরে লিখবো।
V.উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতি নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিবো।
vi. যিনি উদ্ভিদটির নাম সর্বপ্রথম দিয়েছিলেন তাঁর নামের সংক্ষিপ্তরূপ বৈজ্ঞানিক নামের শেষে যোগ করবো। যেমন- লিনিয়াসের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো- L  ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.6k
উত্তরঃ

চিত্র-১ হলো মাশরুম এবং চিত্র-২ হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। উদ্দীপকের জীব দুটির মধ্যে চিত্র-২ এর জীবটি বা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ অধিক উন্নত। নিচে এর কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হলো-
i. মাশরুম অপুষ্পক, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটি সপুষ্পক। সপুষ্পক উদ্ভিদ সর্বদাই অপুষ্পক উদ্ভিদ অপেক্ষা উন্নত।
ii. মাশরুম নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না। কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটি সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।
iii. মাশরুম স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায়। কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটি যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায় যা উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য।
iv. মাশরুমকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটিকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।
V.পরিবহণ কলাগুচ্ছ উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। এই পরিবহণ কলাগুচ্ছ মাশরুমে অনুপস্থিত, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে উপস্থিত।
vi. মাশরুমের দেহ নরম, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদদেহ বেশ শক্ত। শক্ত উদ্ভিদদেহ উন্নত উদ্ভিদেরই বৈশিষ্ট্য বহন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.6k
উত্তরঃ

পৃথিবীর বিশাল ও বৈচিত্র্যময় জীবজগৎকে সহজভাবে অল্প পরিশ্রমে ও অল্প সময়ে সঠিকভাবে জানার উদ্দেশ্যে সুষ্ঠুভাবে বিন্যাস করার জন্য জীববিজ্ঞানের স্বতন্ত্র শাখাই হলো শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

অঙ্গসংস্থান ভৌত জীববিজ্ঞানের একটি শাখা। এর উদ্দেশ্য হলো জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা করা। জীবদেহের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উভয়ই বর্ণনা করে অঙ্গসংস্থান। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃঅঙ্গসংস্থান এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান বলে। জীবের দৈহিক গঠনের বর্ণনা জেনে ঐ জীবকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
420
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews