কর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ নিরসনে জনাব মেহেরের কোন ধরনের প্রেষণা পদ্ধতি প্রবর্তন করা সমীচীন হবে উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।

(উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

কর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ নিরসনে জনাব মেহেরের অনার্থিক প্রেষণা পদ্ধতি প্রবর্তন করা সমীচীন হবে।

অর্থ বা আর্থিক সুযোগ-সুবিধার বাইরে প্রেষণা দানের যে সকল উপায় রয়েছে তার মাধ্যমে প্রেষণা দানকেই অনার্থিক প্রেষণা বলে। স্বাস্থ্যকর কার্যপরিবেশ ও মতামত প্রকাশের সুযোগ এক ধরনের অনার্থিক প্রেষণা। কর্মীরা যেখানে কাজ করে সেই স্থানের পরিবেশ উন্নত হলে এবং কর্মীদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হলে তা কর্মীদের মনোবল উন্নত করে।

উদ্দীপকে জনাব মেহের সাভার রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকার একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক। তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের সব ধরনের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন। কিন্তু তাদেরকে বিরূপ ও অস্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশে কাজ করতে হয়। এমনকি তাদের কোনো প্রকার মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয় না। ফলে প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের ভেতর অসন্তোষ ও ক্ষোভের অবস্থা বিরাজ করছে। এ অসন্তোষ ও ক্ষোভ দূর করতে হলে আর্থিক প্রেষণার পাশাপাশি অনার্থিক প্রেষণা প্রদান করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরকে কাজের জন্য সুষ্ঠু কার্যপরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে, অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর কার্যপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে এবং কর্মীদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। তবেই কর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ নিরসন হবে।

সুতরাং উদ্দীপকে কর্মীদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ নিরসনে জনাব মেহেরের অনার্থিক প্রেষণা পদ্ধতি প্রবর্তন করা সমীচীন হবে।

167

Related Question

View All
উত্তরঃ

ন্যূনতম বাঁচার বা জীবনধারণের প্রয়োজনকে জৈবিক চাহিদা বলে।

302
উত্তরঃ

প্রখ্যাত মার্কিন মনোবিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক হার্জবার্গ প্রেষণার Y তত্ত্বের প্রবক্তা।

এরূপ তত্ত্বে কর্মীদের সম্পর্কে উচ্চ ধারণা পোষণা করা হয়। এক্ষেত্রে মনে করা হয় কর্মীরা কাজ করতে পছন্দ করে এবং তারা স্বউদ্যোগেই চলতে চায়। এ কারণে কর্মীদের ওপর অহেতুক চাপ সৃষ্টি না করে তাদের স্বেচ্ছায় কাজ করতে দেওয়া হয়। এ তত্ত্ব কর্মীদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই Y তত্ত্বকে ইতিবাচক বলা হয়।

479
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কর্মপরিবেশ অনার্থিক ইতিবাচক প্রেষণা।

অর্থ বা আর্থিক সুযোগ-সুবিধার বাইরে প্রেষণাদানের যে সকল উপায় রয়েছে তার মাধ্যমে প্রেষণাদানকেই অনার্থিক প্রেষণা বলে। তেমনি একটি প্রেষণা হলো সুষ্ঠু কার্যপরিবেশ। কর্মী যে পারিপার্শ্বিকতায় কাজ করে তা কর্মবান্ধব হওয়াকেই সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ হিসেবে গণ্য করা হয়। পর্যাপ্ত জায়গা, আলো-বাতাসের ব্যবস্থা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, সাজানো- গুছানো পরিবেশ, উপযুক্ত নিয়ম-রীতি, উত্তম শ্রম-ব্যবস্থাপনা সম্পর্ক সবমিলিয়েই প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ গড়ে ওঠে। কর্মী যেখানে কাজ করে সেই স্থানের পরিবেশ উন্নত হলে তা কর্মীদের মনোবল উন্নত করে। তখন কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে।

উদ্দীপকে M & M কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ কর্মীদের কর্মপরিবেশ বহুলাংশে বৃদ্ধি করায় শ্রমিক-কর্মীরা স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করছে। এর ফলে কর্মীদের মনোবল উন্নত হয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে। তখন প্রতিষ্ঠান তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য সহজেই অর্জন করতে পারে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানের জন্য সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ একটি অনার্থিক ইতিবাচক প্রেষণা।

286
উত্তরঃ

অর্থ ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধার সাথে সম্পৃক্ত প্রণোদনামূলক ব্যবস্থাকে আর্থিক প্রেষণা বলে। এ আর্থিক প্রেষণা কর্মীদের কাজের গতিকে বৃদ্ধি করে।

ব্যবস্থাপনার কাজ হলো অন্যের দ্বারা কাজ সম্পাদন করিয়ে নেওয়া। কিন্তু কাজের ব্যাপারটি বিশেষভাবে কর্মীদের কার্য সন্তুষ্টির সাথে সম্পর্কিত। আর উচ্চ কার্য সন্তুষ্টি সৃষ্টি করে প্রেষণা। তন্মধ্যে আর্থিক প্রেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতি এবং কাজের প্রতি কর্মীদের অধিক আন্তরিক করে তোলে। ন্যায্য বেতন, মুনাফার অংশ, বোনাস, আর্থিক নিরাপত্তা, অগ্রিম, বাসস্থান ভাতা, যাতায়াত ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, পদোন্নতি, আর্থিক পুরস্কার, রেশন সুবিধা, কেন্টিন সহযোগিতা ইত্যাদি নানা প্রকার আর্থিক সুবিধা কর্মীদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করে। ফলে কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।

উদ্দীপকে M & M কোম্পানি বাংলা নববর্ষ উৎসব পালনের জন্য প্রত্যেককে বোনাস প্রদানের ঘোষণা দেয়। এর ফলে শ্রমিক-কর্মীরা বিপুল উদ্দীপনা নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে সেই সাথে কর্মীদের কাজের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ মানুষের জীবনে যে সীমাহীন অভাব লক্ষণীয় তার মুখ্য অংশের পূরণ অর্থের সাথে সংশ্লিষ্ট। কর্মীরা যখন আর্থিক প্রেষণা পায় তখন তারা আর্থিক দুশ্চিন্তামুক্ত হয়ে তাদের উৎপাদন কার্য চালিয়ে যায়। এতে কর্মীরা কাজে উৎসাহিত হয় এবং গতি বৃদ্ধি পায়।

সুতরাং 'আর্থিক প্রেষণা কর্মীদের কাজের গতিকে বৃদ্ধি করে'- কথাটি যথার্থ।

305
উত্তরঃ

সমাজের অন্যদের থেকে বা বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীদের থেকে নিজেকে একটু উচ্চতায় এবং উপরে উঠার আগ্রহকে আত্মতৃপ্তির চাহিদা বলে।

334
উত্তরঃ

কর্মীদেরকে কাজের প্রতি উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করে সেচ্ছাপ্রণোদিত করার কাজকে প্রেষণা বলে।

মনোবল মানসিক শক্তি সংশ্লিষ্ট। কর্মীদের মানসিক অবস্থা যদি প্রতিষ্ঠান ও কাজের প্রতি ইতিবাচক হয় তবে কর্মীর মনোবল উত্তম বিবেচিত হয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জন্য উত্তম প্রেষণার ব্যবস্থা করলে কর্মীদের কার্যসন্তুষ্টি বাড়ে যা তাদের মনোবল বৃদ্ধি করে। তাই প্রেষণার সাথে কর্মী মনোবলের সরাসরি সম্পর্ক বিদ্যমান।

2.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews