উদ্দীপকে কর্মী উদ্দীপনা সৃষ্টিতে আহসান সাহেবের মৌখিক যোগাযোগ মাধ্যমটি অত্যন্ত যথার্থ।
মৌখিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রেরক মৌখিক কথাবার্তা বা আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে গ্রাহকের নিকট তার মনের ভাব বা বার্তা প্রেরণ করে থাকে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে মৌখিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে আহসান সাহেব কর্মীদের সাথে যোগাযোগের মৌখিক মাধ্যমটি দ্বারা যোগাযোগ করেন। তিনি প্রতিটি বিভাগের কর্মীদের নিয়ে আলাদাভাবে দলগত আলোচনা করেন। মৌখিক যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় সমস্যা ও কাজের অগ্রগতি বুঝে সহজেই পদক্ষেপ নিতে পারেন। অনেক সময় তার বক্তব্যের দুর্বোধ্যতার ফলে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সমস্যায় পড়লেও তা অতি সহজেই সমাধান করে থাকেন। এ পদ্ধতিতে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য কোনো রকম আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় না। এতে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সহজেই আহসান সাহেবের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পায়। ফলে কর্মীরা সহজে যেকোনো সমস্যার সমাধান পায় এবং তাদের কাজের মধ্যে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। তারা প্রতিষ্ঠানে নিজেদের মতো করে কাজ করতে পারে। এতে সময় ও অর্থের অপচয় কম হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যার্জন সম্ভব হয়।
পরিশেষে বলা যায়, মৌখিক যোগাযোগের মাধ্যমে মনের ভাবকে স্বাচ্ছন্দ্যে কর্মীদের সামনে তুলে ধরা যায় বলে কর্মীদের মধ্যে কাজের প্রতি উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়ে থাকে। ফলে প্রতিষ্ঠানের সাফল্য অর্জন সহজ হয়।
Related Question
View Allসংগঠন কাঠামোর উর্ধ্বতন এবং অধস্তনদের মধ্যে যে যোগাযোগ সংঘটিত হয় তাকে উল্লম্ব যোগাযোগ বলে।
লিখিতভাবে সংঘটিত যোগাযোগকে লিখিত যোগাযোগ বলে। এরূপ যোগাযোগ ভুল বুঝাবুঝির অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
যোগাযোগের বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে লিখিত যোগাযোগ সর্বাধিক সঠিক ও নির্ভুল যোগাযোগ পদ্ধতি। এরূপ যোগাযোগ সংবাদের ভুল ব্যাখ্যা, পক্ষসমূহের মধ্যে সন্দেহ ও ভুল বুঝাবুঝির সম্ভাবনা দূর করে। তাই ভুল বুঝাবুঝির অবসানে লিখিত যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে লিটনের যোগাযোগ আনুষ্ঠানিকতার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
যে যোগাযোগ সংগঠন কর্তৃক প্রণীত নিয়ম-নীতি, রীতি-পদ্ধতি ইত্যাদি অনুসরণ করে সংঘটিত হয় তাকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ বলে।
উদ্দীপকে লিটন একটা প্রাইভেট ফার্মের কর্মচারী। তিনি প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-নীতি মেনে সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে উর্ধ্বতনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যেহেতু লিটন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তাই বলা যায়, লিটনের যোগাযোগটি আনুষ্ঠানিকতার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
যান্ত্রিক যোগাযোগ উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানকে গতিশীল করেছেন'- উক্তিটি যথার্থ।
মৌখিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য, সংবাদ, ধারণা, মতামত ইত্যাদি দুই বা ততোধিক পক্ষের মাঝে বিনিময়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের যান্ত্রিক ও ইলেক্ট্রনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটেছে। বর্তমান যুগ হচ্ছে তথা প্রযুক্তির যুগ। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে তথ্য প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগেনি। যোগাযোগ ক্ষেত্রও এর বাইরে নয়। যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সর্বাগ্রে। দূরালাপনি, বেতার, টেলিভিশন, ভিডিও কনফারেন্স, অডিও কনফারেন্স, ইন্টারনেট প্রভৃতি যোগাযোগ মাধ্যম যে তথ্য প্রযুক্তির ফলে সংঘটিত হয় তাকে যান্ত্রিক যোগাযোগ বলা হয়।
যোগাযোগের ক্ষেত্রে যান্ত্রিক যোগাযোগ একটি বড় আশীর্বাদ। এর মাধ্যমে যোগাযোগ প্রক্রিয়া সহজ হয়, ব্যয় হ্রাস পায় এবং যোগাযোগের গতি বাড়ে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফলাবর্তন নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রাপ্তির হাতিয়ার। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলাসহ ভিডিও দেখা যায় ফলে অনেক দূর হতেও কাজের তদারকি করা যায়। আজকাল সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে উর্ধ্বতনরা বিদেশ থেকেও স্নকল কাজ পর্যবেক্ষণ করাসহ যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। শুধু তাই নয় ঘরে বসেও অফিস পরিচালনা করা যায় এ যান্ত্রিক যোগাযোগের মাধ্যমে।
উদ্দীপকে লিটন একটা প্রাইভেট ফার্মের কর্মচারী। প্রতিষ্ঠানটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের এজেন্টদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ করে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিদেশি ব্যবসায়ীদের সাথে ইন্টারনেটে যোগাযোগ করে। ফলে যেকোনো ধরনের তথ্য অতি দ্রুত পাওয়া যায়। এ ধরনের যান্ত্রিক যোগাযোগের ফলে উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানিটি দ্রুত তাদের যেকোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে। তথ্য প্রাপ্তি ও প্রদানে যান্ত্রিক যোগাযোগের ভূমিকা অতি দ্রুততম ও গতিশীল। এর ফলে দ্রুত প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়িক সাফল্য লাভ করছে। তাই বলা যায়, 'যান্ত্রিক যোগাযোগ উদ্দীপকের - প্রতিষ্ঠানকে গতিশীল করেছে'- উক্তিটি যথার্থ।
এক কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটের মধ্য দিয়ে অন্য কম্পিউটারে যোগাযোগ করাকে ই-মেইল বলে।
ভিডিও কনফারেন্সিং হলো এক ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে টেলিভিশন বা মনিটরের পর্দায় কনফারেন্স বা মিটিংয়ে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিগণ পরস্পরে মুখোমুখি হয় ও কথোপকথনে অংশগ্রহণ করে।
টেলিকনফারেন্সিংয়ের একটি প্রক্রিয়া হলো ভিডিও কনফারেন্সিং। এজন্য কম্পিউটার, ইন্টারনেট আবশ্যক। এ ব্যবস্থায় মনিটরের পর্দায় গ্রাহক ও প্রেরক পরস্পরকে দেখতে ও কথা বলতে পারেন। দেশে এবং বিদেশেও এ প্রক্রিয়ায় একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এ জাতীয় যোগাযোগ তুলনামূলক ব্যয়বহুল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!