কতদিনের দৈর্ঘ্যের তারতম্যের কারণে বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন ফসল জন্মায়। কিন্তু কলা সব ঋতুতে জন্মায়, কারণ দিনের দৈর্ঘ্যের তারতম্য কলার ফুল ধারণের ওপর কোন প্রভাব ফেলে না। তাই কলাকে ঋতু নিরপেক্ষ ফল বলা হয়।
Related Question
View Allকৃষিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার আগে মানুষ ২টি উপায়ে, যথা-পশুপাখি শিকার অথবা ফলমূল আহরণ করে খাদ্য সংগ্রহ করত।
উদ্দীপকে রফিকের কৃষিজ সম্পদ বলতে একটি ছোট্ট বসতবাড়ি, ভর মাঝারি আকারের পুকুর ও ৫০ শতাংশ ফসলি জমি ছিল।
রফিক তাঁর চাচার পরামর্শমতো কৃষিজ সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহারের দ উদ্যোগ নেন। তিনি পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন। উৎপাদিত মাছের ৬ মাধ্যমে তাঁর পরিবারের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হয়। অতিরিক্ত মাছ নয় তিনি বাজারে বিক্রি করেন, যার ফলে তাঁর অর্থনৈতিক সংকট দূর হয়। পরবর্তীতে রফিক তাঁর জমিতে ঋতুভিত্তিক ও লাভজনক ফসলের চাষাবাদ ২ শুরু করেন। এক্ষেত্রেও পারিবারিক খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জন অতিরিক্ত ফসল বিক্রি করে তিনি বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হন।
অর্থাৎ, রফিক উল্লিখিত উপায়ে তাঁর কৃষিজ সম্পদের বহুমাত্রিক ব্যবহার জন করে লাভবান হয়েছিলেন।
রফিক তাঁর পুকুরে মাছ চাষ ও ৫০ শতাংশ জমিতে ফসল আবাদের উদ্যোগ নেন।
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে বাংলাদেশের কৃষি জমি, নদনদী ও খালবিল ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে দেখা দিচ্ছে খাদ্য ও পুষ্টির ঘাটতি। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৮০ গ্রাম আমিষের প্রয়োজন অথচ আমরা বর্তমানে গড়ে মাত্র ২১ গ্রাম আমিষ পেয়ে থাকি। রফিকের পুকুরে মাছ চাষ করার উদ্যোগ তাঁর পরিবারের সদস্যদের আমিষের চাহিদা পূরণ করবে। এছাড়াও অতিরিক্ত মাছ বাজারে বিক্রির ফলে তার অর্থনৈতিক সংকট দূর হবে এবং দেশে মাছের মোট উৎপাদনের সাথে সেটা যোগ হবে। এই বাড়তি উৎপাদন দেশের খাদ্য ও পুষ্টির ঘাটতি কিছুটা হলেও কমিয়ে আনবে। জমি পতিত না রেখে যথাযথভাবে ব্যবহারের ফলে দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
সুতরাং, রফিকের কৃষিজ সম্পদ ব্যবহারের উদ্যোগগুলো যুক্তিযুক্ত ও সময়োপযোগী।
মানুষ শিকারের যুগে আগুনের ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ শিখেছিল।
পরিবার হলো মানব সমাজের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
খাদ্যসহ সার্বিক নিরাপত্তার প্রথম ও প্রধান কেন্দ্র হলো পরিবার। পরিবারসমূহ স্নেহ, ভালোবাসা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে সুরক্ষিত।
এছাড়া বয়স ও সক্ষমতা অনুযায়ী পরিবারের সদস্যরা কাজ ভাগ করে নেন।
রহিম মিয়া তাঁর জমিতে বিভিন্ন প্রকার মাঠ ও উদ্যান ফসল চাষ করেন।
মানুষের দৈহিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সুষম খাদ্যের প্রয়োজন। এই সুষম খাদ্য কেবল মাঠ ও উদ্যান ফসল চাষের মাধ্যমেই পাওয়া সম্ভব।
মাঠ ফসল, যেমন- ধান, গম, আখ, ডাল ইত্যাদি চাষ করার মাধ্যমে শর্করা ও আমিষের চাহিদা পূরণ হয়। উদ্যান ফসল, যেমন- ফল, শাকসবজি, মসলা ইত্যাদি চাষ করে ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানির চাহিদা পূরণ করা যায়। এইসব মাঠ ও উদ্যান ফসল দ্বারা একদিকে পারিবারের এবং অন্যদিকে দেশের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদাও পূরণ হয়।
অর্থাৎ, রহিম মিয়ার উল্লিখিত চাষাবাদ কার্যক্রম সব ধরনের খাদ্য চাহিদা মিটাতে সাহায্য করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
