কলেজের পাঁচটি কম্পিউটারকে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের মাধ্যমে যুক্ত করে একটি নেটওয়ার্ক টপোলজি তৈরি করা হয়। এটি দেখে একজন আইসিটি বিশেষজ্ঞ কেন্দ্রীয় ডিভাইসটির পরিবর্তে নতুন একটি ডিভাইস ব্যবহারের সুবিধা ব্যক্ত করলেন।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ ব্যান্ডউইথ হলো কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি নেটওয়ার্ক সংযোগের মাধ্যমে যে পরিমাণ ডেটা স্থানান্তরিত হতে পারে তার পরিমাপ। এটি সাধারণত বিটস পার সেকেন্ড (bps) এককে প্রকাশ করা হয়।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

স্বল্প দূরত্বের মধ্যে তারবিহীনভাবে দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব, যা সাধারণত ব্লুটুথ (Bluetooth) প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটে থাকে। এটি একটি স্বল্প পাল্লার (short-range) ওয়্যারলেস (wireless) প্রযুক্তি যা ব্যক্তিগত এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network - PAN) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

ব্লুটুথ রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে খুব কম দূরত্বে (সাধারণত ১০ মিটার বা ৩৩ ফুট পর্যন্ত) ডেটা স্থানান্তর করে। এর মাধ্যমে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, হেডফোন, স্পিকার, এবং অন্যান্য পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন সংযোগ স্থাপন করা যায়। যেমন, একটি স্মার্টফোন থেকে একটি ব্লুটুথ হেডফোনে গান শোনা বা দুটি ফোনের মধ্যে ফাইল আদান-প্রদান করা সম্ভব হয় এই প্রযুক্তির সাহায্যে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত কলেজটির নেটওয়ার্ক টপোলজিটি হলো স্টার টপোলজি (Star Topology)।

স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস (যেমন - হাব বা সুইচ) থাকে যার সাথে নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড সরাসরি যুক্ত থাকে। এই টপোলজিতে সমস্ত ডেটা কেন্দ্রীয় ডিভাইসের মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়। কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি নেটওয়ার্কের প্রধান নিয়ন্ত্রণকারী হিসাবে কাজ করে।

উদ্দীপকে কলেজটির পাঁচটি কম্পিউটারকে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের মাধ্যমে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে, যা স্টার টপোলজির মূল বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে। এখানে প্রতিটি কম্পিউটার স্বাধীনভাবে কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে, যার ফলে একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও অন্য কম্পিউটারগুলো নেটওয়ার্কে সক্রিয় থাকে এবং কেন্দ্রীয় ডিভাইসের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কলেজের নেটওয়ার্ক টপোলজিতে ব্যবহৃত কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি সম্ভবত একটি হাব (Hub) ছিল, যা পাঁচটি কম্পিউটারকে সংযুক্ত করে। আইসিটি বিশেষজ্ঞ পূর্বের হাব-এর পরিবর্তে একটি সুইচ (Switch) ব্যবহারের সুবিধা ব্যক্ত করেছেন। একটি হাব তার সংযুক্ত সকল কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা সম্প্রচার (Broadcast) করে, যা নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা হ্রাস করে এবং সংঘর্ষ (Collision) ঘটার সম্ভাবনা বাড়ায়। অন্যদিকে, একটি সুইচ হলো আরও বুদ্ধিমান ডিভাইস যা প্রতিটি সংযুক্ত কম্পিউটারের মিডিয়া অ্যাক্সেস কন্ট্রোল (MAC) ঠিকানা শিখে নেয় এবং ডেটা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট গন্তব্যে প্রেরণ করে।

আইসিটি বিশেষজ্ঞের ব্যক্ত করা নতুন ডিভাইস (সুইচ) ব্যবহারের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:

        
  • দক্ষ ডেটা ট্রান্সমিশন: সুইচ সংযুক্ত ডিভাইসের ম্যাক অ্যাড্রেস ব্যবহার করে সরাসরি নির্দিষ্ট গন্তব্যে ডেটা প্রেরণ করে। এর ফলে নেটওয়ার্কে অপ্রয়োজনীয় ডেটা ট্র্যাফিক কমে যায় এবং ডেটা ট্রান্সমিশন অনেক বেশি কার্যকর ও দ্রুত হয়। হাবের মতো এটি সকল পোর্টে ডেটা ব্রডকাস্ট করে না।
  •     
  • কলিশন ডোমেইন হ্রাস: প্রতিটি সুইচ পোর্টের জন্য একটি পৃথক কলিশন ডোমেইন তৈরি করে। এর ফলে নেটওয়ার্কে ডেটা সংঘর্ষের (Collision) সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, যা হাবভিত্তিক নেটওয়ার্কে একটি বড় সমস্যা। কম কলিশনের কারণে ডেটা ট্রান্সমিশনের গতি ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।
  •     
  • পূর্ণ-দ্বৈত যোগাযোগ (Full-Duplex Communication): সুইচ পূর্ণ-দ্বৈত মোডে (Full-Duplex Mode) কাজ করতে পারে, অর্থাৎ একই সময়ে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করা উভয়ই সম্ভব। হাব সাধারণত অর্ধ-দ্বৈত মোডে (Half-Duplex Mode) কাজ করে, যেখানে ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা একসাথে করা যায় না। ফলে সুইচ উচ্চ ব্যান্ডউইথ এবং দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
  •     
  • উন্নত নিরাপত্তা: যেহেতু সুইচ ডেটা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট গন্তব্য পোর্টে প্রেরণ করে, তাই অন্য পোর্টের ডিভাইসগুলো সেই ডেটা দেখতে পায় না। এটি হাবের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা প্রদান করে, যেখানে ডেটা সকল পোর্টে ব্রডকাস্ট হওয়ায় যে কেউ সেই ডেটা দেখতে পারতো।

কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানে যেখানে একাধিক কম্পিউটার ব্যবহারকারী একই সময়ে ইন্টারনেট বা ফাইল সার্ভার অ্যাক্সেস করেন, সেখানে একটি হাবের পরিবর্তে সুইচ ব্যবহার নেটওয়ার্কের সামগ্রিক কার্যকারিতা, গতি এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আইসিটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শটি কলেজের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, নির্ভরযোগ্য ও কার্যকরী করে তুলবে, যা শিক্ষার্থীদের অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে এবং প্রশাসনিক কাজে সহায়তা করবে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
129

এটি মোটেও অতিশয়োক্তি নয় যে বর্তমান পৃথিবীর মানুষ পারিবারিক বন্ধনের মতো একটি বিস্ময়কর মানবিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আছে। একসময় সকলের অগোচরে পৃথিবীর কোনো এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে মনুষ্যত্বের উপর চরম অবমাননা ঘটে যাওয়া সম্ভব হতো। এখন সেটি আর সম্ভব হয় না। পৃথিবী থেকে যুদ্ধ- বিগ্রহ এখনো পুরোপুরি থামিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি কিন্তু সেটি কমানো সম্ভব হয়েছে, তার প্রধান কারণ তথ্য প্রযুক্তি। এখন কোনো দেশই বিশ্ব-বিবেকের কাছে জবাবদিহি না করে একটি অন্যায় যুদ্ধ শুরু করতে পারে না, যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে না। নেটওয়ার্কিংয়ের কারণে পুরো পৃথিবী এখন একটি বড় পরিবারের মতো, এখানে সবাই সবার সাথে যুক্ত হয়ে বসবাস করে। এই নেটওয়ার্কিংকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য একসাথে অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রযুক্তি গড়ে তুলতে হয়েছে। এই অধ্যায়ে শিক্ষার্থীদের সামনে সেই প্রযুক্তিগুলোর উপর আলোকপাত করা হয়েছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে -

  • কমিউনিকেশন সিস্টেমের ধারণা বর্ণনা করতে পারবে।
  • ডেটা কমিউনিকেশনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • ডেটা কমিউনিকেশন প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করতে পারবে।
  • ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের শ্রেণিবিন্যাস করতে পারবে।
  • ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যমসমূহের মধ্যে তুলনা করতে পারবে।
  • ডেটা কমিউনিকেশনে অপটিক্যাল ফাইবারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে, ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের বিভিন্ন মাধ্যমসমূহ চিহ্নিত করতে পারবে:
  • বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ডেটা কমিউনিকেশন পদ্ধতির মধ্যে তুলনা করতে পারবে,
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করতে পারবে;
  • নেটওয়ার্কের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে; নেটওয়ার্কের পুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে।
  • বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্কের কার্যাবলি বিশ্লেষণ করতে পারবে:
  • নেটওয়ার্কের টপোলজি ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • ক্লাউড কম্পিউটিং-এর ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সুবিধা ব্যাখ্যা করতে পারবে।

 

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

ব্যান্ডউইথ হল একটি মাপকাঠি যা নির্দিষ্ট সময়কালে ডেটা পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উপলব্ধ ডেটা পরিমাণের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক লিঙ্ক বা ইন্টারনেট কানেকশনের প্রদর্শক। ব্যান্ডউইথ মাপকাঠি হিসাবে উপযুক্ত একক বিট/সেকেন্ড (bps), কিলোবিট/সেকেন্ড (kbps), মেগাবিট/সেকেন্ড (Mbps), গিগাবিট/সেকেন্ড (Gbps) ইত্যাদি ব্যবহার হয়।

2.9k
উত্তরঃ ফুল ডুপ্লেক্স (Full Duplex) হলো ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের এমন একটি মোড যেখানে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়। এই পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক উভয়ই একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করতে পারে।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
1.6k
উত্তরঃ

নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সম্পূর্ণ ডেটা এককভাবে না পাঠিয়ে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করা হয়। এই ছোট অংশগুলোকে ডেটা প্যাকেট বা ডেটা ব্লক (Data Block) বলা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে প্রেরক ও প্রাপকের ঠিকানা, ডেটার ক্রমিক নম্বর এবং ডেটার ক্ষুদ্র অংশ সংযুক্ত থাকে।

ডেটা প্যাকেট আকারে ডেটা ট্রান্সমিশনের মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটা স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর, নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুত করা। যদি একটি বড় ডেটা ফাইলকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করা হয়, তবে নেটওয়ার্কে কোনো একটি প্যাকেটের ত্রুটি দেখা দিলেও কেবল সেই প্যাকেটটি পুনরায় পাঠানো হয়, সম্পূর্ণ ফাইলটি নয়। এর ফলে নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ (bandwidth) সাশ্রয় হয় এবং ডেটা ট্রান্সমিশনে দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এই প্রক্রিয়াকে প্যাকেট সুইচিং (Packet Switching) বলা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
3.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews