কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য আবাদি জাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন সম্ভব।

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ

ডিম্বাণু ছাড়া ভূণথলির অন্য যে কোনো কোষ (যেমন- সহকারি কোষ, প্রতিপাদ কোষ ইত্যাদি) থেকে ভ্রূণ সৃষ্টির প্রক্রিয়াই হলো অ্যাপোগ্যামি.।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

নিষেক ও দ্বি-নিষেকের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ-

নিষেকদ্বি-নিষেক
i. পুংগ্যামেট ও স্ত্রীগ্যামেটের মিলন প্রক্রিয়াকে নিষেক বলে।i. একই সময়ে ডিম্বাণুর সাথে পুংগ্যামেটের মিলন ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর পুংগ্যামেটের মিলন প্রক্রিয়াকে দ্বি-নিষেক বলে।
ii. এতে একটি পুংগ্যামেটের প্রয়োজন হয়।ii. এতে দুটি পুংগ্যামেটের প্রয়োজন হয়।
iii. নিষেকের ফলে ভূণের উৎপত্তি হয়iii. দ্বি নিষেকের ভূণ ও সস্যকলা উৎপন্ন হয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নির্দেশিত কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়াটি হলো হাইব্রিডাইজেশন বা সংকরায়ন। নিম্নে প্রক্রিয়াটির ধাপসমূহ সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো-প্রজনক নির্বাচন, ইমাস্কুলেশন, ব্যাগিং, পরাগরেণু সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, ক্রসিং, লেবেলিং, পরিপক্ক বীজ সংগ্রহ ও জনু সৃষ্টি প্রভৃতি ধাপ অতিক্রমের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
কৃত্রিম সংকরায়নের শুরুতেই এমন প্রজনক নির্বাচন করতে হবে যাদের ভালো বৈশিষ্ট্য প্রচলিত জাতে অনুপস্থিত। অনাকাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য দূরীকরণের জন্য প্রজনকের স্বপরাগায়ন করা হয়। মাতৃপুষ্প উভলিঙ্গ হলে তার স্বপরাগায়ন রোধের জন্য পরিপক্ক হওয়ার আগেই পুষ্প থেকে পুংকেশর সরিয়ে ফেলাকে বলা হয় ইমাস্কুলেশন। স্ত্রী হিসেবে ব্যবহৃত প্রজনকের স্বপরাগায়ন রোধের জন্য ইমাস্কুলেশন করা হয়। ইমাস্কুলেশনের পর নির্বাচিত প্রজনক উদ্ভিদের পুষ্পিত অংশ পাতলা পলিথিন বা কাগজের ব্যাগ দিয়ে ঢেকে দিতে হয়। একে ব্যাগিং বলে। ব্যাগকৃত পুংফুল ফোটার পর পরাগরেণু বা পরাগধানী পেট্রিডিস বা কাগজের ব্যাগে সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত পরাগধানী ইমাস্কুলেশনকৃত ফুলের গর্ভমুণ্ডে নরম তুলির সাহায্যে ঘসে দিয়ে ক্রসিং করা হয়। ক্রসিং করার পর ফুল ব্যাগ দিয়ে পুনরায় ঢেকে দেওয়ার পর একটি ট্যাগ আটকে দেয়া হয়। বীজ পরিপক্ক হলে লেবেলসহ কাগজের প্যাকেটে বীজ সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত বীজ পরবর্তী মৌসুমে বপন করে নতুন জনু সৃষ্টি করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রক্রিয়াটি প্রকৃতপক্ষে কৃত্রিম সংকরায়ন প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়াটি আমাদের অর্থনীতি ও বিবর্তনে বিভিন্নভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বর্তমান বাংলাদেশে কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে বুনো প্রজাতির রোগ প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য আবাদী উদ্ভিদের মধ্যে স্থানান্তরের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধী জাত উৎপাদন করা হচ্ছে। অনেক উচ্চ ফলনশীল ফসলের জাত রয়েছে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। এমন ফসলী জাতে কৃত্রিম সংকরায়নের মাধ্যমে রোগপ্রতিরোধী জাত উৎপাদন করা হচ্ছে। ফলে ফসলের পরিমাণ অনেকাংশে বেড়ে যাচ্ছে। এছাড়া অল্প সময়ে অধিক ফসল পাওয়ার জন্য ফসলের আবাদকাল কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত করা হচ্ছে। ফলে একই ফসল বছরে কয়েক বার উৎপাদন করা সম্ভব হয়ে উঠছে। এভাবে আমাদের দেশের মোট খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে এবং জিডিপিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠানু ইতোমধ্যে ৩০ জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান কৃষকের নিকট হস্তান্তর করেছে। এর ফলে দেশে খাদ্য উৎপাদন ৪-৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া তৈলবীজ, ডাল, আঁশ জাতীয় ফসল, আখ, শাকসবজি ও ফলজ উদ্ভিদের উন্নয়নে নানামুখী অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। এভাবে কৃত্রিম সংকরায়ন কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি করে দেশের জিডিপির পরিমাণ অনেকাংশে বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া উদ্ভিদের বিবর্তনে কৃত্রিম সংকরায়নের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। বিবর্তনের আধুনিক ধারণা মতে মিউটেশন, ক্রোমোসোমীয় মিউটেশন, জেনেটিক রিকম্বিনেশন প্রজাতির বৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফলে কৃত্রিম প্রজননের, মাধ্যমে উন্নত গুণসম্পন্ন নতুন নতুন প্রজাতি তৈরি হয় যার মাধ্যমে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়। উপরের আলোচনার মাধ্যমে সহজেই বোঝা যায় যে, অর্থনীতি ও বিবর্তনে কৃত্রিম সংকরায়নের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
25

উদ্ভিদ প্রজননঃ প্রজনন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যা দ্বারা উদ্ভিদ এবং প্রাণী তার প্রতিরুপ বা বংশধর সৃষ্টি করে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অপেক্ষাকৃত বড় ও নিশ্চল স্ত্রীগ্যামিটের সাথে ছোট ও সচল পুংগ্যামিটের যৌন মিলনই হলো নিষেক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
44
উত্তরঃ

পুংকেশরের কাজগুলো হলো-
i.পুংকেশর পুংজনন স্তবক গঠন করে থাকে।
ii.এরা পরাগধানীকে ধারণ করে।
iii. পুংকেশরের মাথায় অবস্থান করা পরাগধানী পরাগরেণু তৈরি করে, যা পরাগায়নে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
49
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র 'A' হলো পুংগ্যামিটোফাইট। পুংগ্যামিটোফাইটের প্রথম কোষ হলো পরাগরেণু।
পরাগরেণুর নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস তৈরি করে। বড়টিকে বলা হয় নালিকা নিউক্লিয়াস এবং ছোটটিকে বলা হয় জনন নিউক্লিয়াস। পরাগায়নের ফলে পরাগরেণু স্ত্রীকেশরের গর্ভমুণ্ডে পতিত হয় এবং অঙ্কুরিত হয়, অর্থাৎ ইনটাইন বৃদ্ধি পেয়ে জার্মপোর দিয়ে নালিকার, আকার বাড়তে থাকে। এ নালিকাকে পোলেন টিউব বলে। পোলেন টিউবের ভিতরে নালিকা নিউক্লিয়াস এবং পরে জনন নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে। নালিকাটি গর্ভদণ্ডের ভেতর ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং গর্ভাশয়ের ভিতরে ডিম্বকরন্দ্র পর্যন্ত পৌছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি করে। এভাবেই উদ্ভিদদেহে পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামিটোফাইট সৃষ্টি হয়। ডিম্বকরন্দ্র পর্যন্ত পৌছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামেট সৃষ্টি করে। এভাবেই উদ্ভিদদেহে পরাগরেণু থেকে পুংগ্যামিটোফাইট সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
45
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র 'B' হলো স্ত্রীগ্যামিটোফাইট বা পূর্ণাঙ্গ ভূণথলি। নিষেকের পর ভ্রূণথলির বিভিন্ন অংশ পরিবর্তিত হয়।

নিষেকের পর ডিম্বকরন্দ্র পরিবর্তিত হয়ে বীজরন্দ্রে পরিণত হয়। ডিম্বকনাভী পরিবর্তিত হয়ে বীজনাভীতে পরিণত হয়। ডিম্বক নাড়ী পরিবর্তিত হয়ে বীজবৃত্তে পরিণত হয়। এক্সাইন ও ইন্টাইনে পরিবর্তিত হয়ে যথাক্রমে টেস্টা ও টেগমেন তৈরি করে। নিষেকের পরে জুণপোষক বা নিউসেলাস নষ্ট হয়ে যায় অথবা পেরিস্পার্মে পরিণত হয়। সস্য নিউক্লিয়াস পরিবর্তিত হয়ে সস্য বা এন্ডোস্পার্ম তৈরি হয়। সাহায্যকারী কোষ এবং প্রতিপাদ কোষ নষ্ট হয়ে যায়। নিষেকের পর গর্ভাশয় পরিবর্তিত হয়ে ফলে পরিণত হয়। গর্ভাশয় প্রাচীর পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয় ফলত্বক। ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে বীজে পরিণত হয়। ডিম্বকের বহিঃত্বক রূপান্তরিত হয়ে বীজ বহিঃত্বক এবং ডিম্বক অন্তঃত্বক রূপান্তরিত হয়ে বীজ অন্তঃত্বক তৈরি করে। ডিম্বাণু পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয় ভুণ। এটি বীজের অভ্যন্তরে থাকে। এভাবে চিত্রের বিভিন্ন অংশ পরিবর্তিত হয়ে ফল তৈরি করে। সপুষ্পক উদ্ভিদের জনন কোষ দুটি গঠিত হওয়ার পর এদের মিলন ঘটলে ফুলের গর্ভাশয়টি ফলে এবং ডিম্বকসমূহ বীজে পরিণত হয়। বীজ উদ্ভিদের বংশ রক্ষা করে এবং বংশ বৃদ্ধি করে। নিষেকের মাধ্যমে উত্ত পরিবর্তন না ঘটলে ফল ও বীজের সৃষ্টি হতো না। ফলে খাদ্যের অভাবে প্রাণিকুল বিশেষ করে মানবজাতি ধ্বংস হয়ে যেতো

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
51
উত্তরঃ

নিষেক ক্রিয়া ছাড়া ডিম্বাণু হতে ভ্রূণ তৈরির প্রক্রিয়াই হলো পার্থেনোজেনেসিস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
47
উত্তরঃ

ভূণথলিতে ডিম্বাণু ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে দুটি পুংগ্যামিটের মিলনকে একত্রে দ্বিনিষেক বলে। একই সময়ে ডিম্বাণুর সাথে একটি পুংগ্যামিটের মিলন ও সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে অপর পুংগ্যামিটের মিলন ঘটে। এক্ষেত্রে, দুটি পুংগ্যামিটের একটি ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট এবং অন্যটি সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে সস্য নিউক্লিয়াস গঠন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
48
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews