কাজল অনেকদিন থেকে প্রবাস জীবনযাপন করছে। বাংলাদেশে বেড়াতে এসে তিনি প্রবাস রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার কথা বলছিলেন। তার বক্তব্য সেখানকার সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে প্রকৃত শাসকের ক্ষমতা প্রদান করেছে। রাষ্ট্রপতি যে কাউকে মন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দিতে পারেন, আবার যে কাউকে পদচ্যুত করতে পারেন। অর্থাৎ তার প্রবাস রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিচালনা করেন।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে সরকার প্রধানের পদ প্রধানমন্ত্রী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে সরকার পরিচালনার জন্য একটি মন্ত্রিপরিষদ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এর নেতা। তিনি যেরূপ সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন, সেরূপ সংখ্যক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রিগণ সাধারণত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিযুক্ত হন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য কিন্তু সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিত্ব মন্ত্রী নিযুক্ত হতে পারেন। তবে এর সংখ্যা মন্ত্রিপরিষদের মোট সদস্যসংখ্যার এক দশমাংশের বেশি হবে না। মন্ত্রিসভা যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থেকে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কাজলের বক্তব্য অনুসারে তার প্রবাস রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
আমরা জানি, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ তার কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে না। রাষ্ট্রপতি তার পছন্দের লোকদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেন। রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টির ওপর মন্ত্রীদের কার্যকাল নির্ভর করে। উদ্দীপকের কাজলের প্রবাস রাষ্ট্রে আমরা অনুরূপ সরকার কাঠামোই লক্ষ করি। নিচে উদ্দীপকের রাষ্ট্রপতির সাথে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার পার্থক্য দেখানো হলো-
উদ্দীপকের রাষ্ট্রপতিকে সেখানকার সংবিধানে প্রকৃত শাসকের ক্ষমতা প্রদান করা হলেও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে সংবিধান অনুরূপ ক্ষমতা প্রদান করেনি। বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তার নামে পরিচালিত হলেও কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই। অর্থাৎ প্রকৃত শাসন ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। আবার উদ্দীপকের রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি যে কাউকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ, আবার যে কাউকে পদচ্যুত করতে পারলেও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাদের দপ্তর বণ্টন করেন। উদ্দীপকের প্রবাস রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিচালনা করলেও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রের সকল কাজ পরিচালনা করেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের রাষ্ট্রপতি তার রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হলেও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান আসলে নামমাত্র প্রধান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, বাংলাদেশে উদ্দীপকে বর্ণিত সরকারব্যবস্থা অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা চালু ছিল।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে প্রথমে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হলেও সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হ্যা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হলে আওয়ামী লীগ নেতা খন্দকার মুশতাক আহমদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তার শাসনকাল ছিল সংক্ষিপ্ত। পরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব লাভ করেন বিচারপতি আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। এরপর ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১৯৭৮ সালের ৩ জুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান জয়লাভ করেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ নামের রাজনৈতিক মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালের ২৯ মে চট্টগ্রামে এক' সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়া নিহত হলে সংবিধান অনুযায়ী উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি হন। আবদুস সাত্তারের দুর্বল নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ শাসক জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রক্তপাতবিহীন এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন। তিনি স্বৈরশাসক হিসেবে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত শাসন করেন। ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানে তার পতনের পর সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরায় চালু হলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থার অবসান হয়।

এভাবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মূলত সেনা শাসন আমলেই দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা চালু ছিল। দেশে সেনা শাসন বহাল রেখে সুবিধামতো সময়ে জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং জেনারেল এরশাদ নির্বাচন সম্পন্ন করে বেসামরিক শাসন চালু করেন। বস্তুত তাদের অগণতান্ত্রিক শাসন, জনগণের ভোটাধিকার হরণ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কার্যকলাপ দেশের জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে। অবশেষে ১৯৯১ সালে পুনরায় রাষ্ট্রপতি শাসিত তথা সেনা শাসনের পরিবর্তে সংসদীয় সরকারব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়।
পরিশেষে বলা যায় যে, বাংলাদেশে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থার অন্তরালে সেনাশাসন চালু ছিল। তখন রাষ্ট্রপতি সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা একচ্ছত্রভাবে পরিচালনা করতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
22
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে বিচারকদের স্বাধীনভাবে বিচার কাজ পরিচালনা করার ক্ষমতাকে বোঝায়।
কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা বিচারের - মাপকাঠি হলো সে দেশের বিচার বিভাগ কার্য সম্পাদনে কতটুকু স্বাধীন। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা সমাজব্যবস্থার প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। জনগণের মৌলিক অধিকার, সংবিধান এবং আইন সংরক্ষণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জরুরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
70
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আবুল কালামের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদের সাদৃশ্য রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী। তিনি হলেন শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি। তাকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রিসভা গঠিত ও পরিচালিত হয়। তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ দেন। তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধান করেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা হারালে কিংবা অন্য কোনো কারণে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন। তিনি একাধারে দলের নেতা, সংসদের নেতা, মন্ত্রিসভার মধ্যমণি, রাষ্ট্রপতির পরামর্শদাতা এবং জাতির নেতা ও পথপ্রদর্শক। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংহতির প্রতীক।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আবুল কালাম 'Y' রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী। তাকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। তিনি এমন এক সূর্য যার চার দিকে রাজনৈতিক গ্রহগুলো আবর্তিত হয়। উদ্দীপকের 'Y' এর মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তাঁর নেতৃত্বেই মন্ত্রিসভা পরিচালিত হয়। আর তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পদের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
65
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পদ অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
একটি দেশের জনগণ তাদের সরকারের ওপরই সর্বোতভাবে নির্ভরশীল। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। এ ব্যবস্থায় জনগণ প্রধানমন্ত্রীকেই তাদের মূল আশ্রয় বলে মনে করে। তার ওপর দেশের উন্নতি, অবনতিত, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন প্রভৃতি অনেকাংশে নির্ভর করে।
বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। তাই প্রধানমন্ত্রী এ দেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী। দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পর্যন্ত সব বিষয়ের সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট। দেশের উন্নয়নে সব ধরনের পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেন। সরকারের যেকোনো ব্যর্থতা তার ওপর বর্তায়। এ কারণে তৃণমূল থেকে জাতীয় সব পর্যায়েই তাকে নিপুণ দক্ষতার পরিচয় দিতে হয়। তিনি জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক সংকট প্রভৃতি ক্ষেত্রে জনগণের পাশে দাঁড়ান, সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং বক্তব্য-বিবৃতির মাধ্যমে জনগণকে ভরসা দেন। জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতি রক্ষার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বাংলাদেশের মতো সংসদীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রীর যথাযথ ও কল্যাণমূলক কর্মকান্ডের ফলে জনগণ সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারে এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন ঘটে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পদটি অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হলেন জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
46
উত্তরঃ

আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন কিংবা শাসন বিভাগের কাজ সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা বিচার বিভাগ কর্তৃক পর্যালোচনা করার ক্ষমতাই হলো বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা।
বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ধারণাটির উদ্ভব হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক। সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকারী হিসেবে বিচার বিভাগ এর শ্রেষ্ঠত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য সচেষ্ট থাকে। বিচার বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন সংবিধানের সাথে অসংগতিপূর্ণ, তাহলে তা বাতিল করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের রয়েছে। তেমনি শাসন বিভাগের কোনো কাজ সংবিধানসম্মত না হলে বিচার বিভাগ তা অবৈধ ঘোষণা করতে পারে। সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব ও পবিত্রতা বজায় রাখতে বিচার বিভাগ এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
60
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews