কাজের স্থান বলতে বোঝায়, যে স্থানে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ ধরনের স্থানগুলো হলো- রান্নাঘর, কাটা-বাছার ও থালা-বাসন ধোয়ার স্থান, ভাঁড়ার ঘর (চাল, ডাল ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণের স্থান) ইত্যাদি।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allছোট বা বড় কোনো দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিক আরাম দেওয়ার জন্য যে চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা বলে। এ চিকিৎসায় ব্যবহৃত উপকরণ হলো- তুলা; ব্যান্ডেজ, ডেটল, বার্নল, অ্যান্টিসেপটিক মলম ইত্যাদি।
রাইয়ানের জিনিসপত্র গুছিয়ে না রাখার অভ্যাসের জন্য রূপা ব্যথা পেল।
রাইয়ান স্কুল থেকে ফিরে তার ব্যাগ, বই ও জুতা নির্দিষ্ট জায়গায় রাখে না। আবার প্রতিদিন পড়ালেখা শেষে বই, খাতা ও কলম গুছিয়ে রাখে না। ফলে প্রয়োজনের সময় সে সবকিছু হাতের কাছে পায় না। খেলা। শেষে সে খেলার সামগ্রীগুলো এলোমেলো করে রাখে। একদিন ছড়িয়ে রাখা একটি খেলার সামগ্রীর সাথে তার ছোট বোন রূপা হোঁচট খায়। ফলে তার কপাল কেটে যায়। রাইয়ান যদি তার খেলার সামগ্রীগুলো গুছিয়ে রাখত তাহলে তার বোন আহত হতো না।
রাইয়ানের এ ধরনের অভ্যাস আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
রাইয়ান তার প্রয়োজনীয় সামগ্রীগুলো ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট স্থানে রাখে না। ফলে সে কিছুদিন পর পর এগুলো হারিয়ে ফেলে। এছাড়া তার এই অগোছালো স্বভাবের কারণে গৃহে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনা এড়াতে আমাদের প্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিস যথাস্থানে রাখা অত্যন্ত জরুরি। এতে জিনিসগুলো যেমন টেকসই হয় তেমনি গৃহ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকে।
কিন্তু রাইয়ানের মতো অভ্যাসের কারণে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে
প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া জিনিস খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে অযথা সময় ও শক্তির অপচয় হয়। ফলে কাজের সময় অসুবিধা হয় ও বিরক্তি আসে। সুতরাং, রাইয়ানের এ ধরনের অভ্যাস আমাদের দৈনন্দিন জীবনে উল্লিখিত সমস্যাগুলো সৃষ্টি করে।
গৃহের অনানুষ্ঠানিক স্থান বলতে সাধারণত যে স্থানগুলোতে ব্যক্তিগত কাজগুলো সম্পন্ন করা হয় এমন স্থানকে বোঝায়। যেমন-শোবার, পড়ার ও সাজসজ্জার ঘর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!