ফোঁটাগুলোকে আমরা বিন্দু বলি।
বিন্দু: যার কোনো দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা নেই, কেবল অবস্থান আছে, তাকে বিন্দু বলে।
বিন্দুর বৈশিষ্ট্য:
১. বিন্দুর কোনো মাত্রা নেই।
২. বিন্দুর শুধু অবস্থান আছে।
৩. অসংখ্য বিন্দুর সমন্বয়ে রেখা তৈরি হয়।

চিত্রে কখগ এর পরিমাপ ৫০°।
অঙ্কিত কোণের বৈশিষ্ট্য:
১. অঙ্কিত কোণটি একটি সূক্ষ্মকোণ।
২. এটি এক সমকোণ অপেক্ষা ছোট।
৩. এর রেখাদ্বয় শীর্ষবিন্দুতে মিলিত হয়।

চিত্রে ঘঙচ একটি স্থূলকোণ।
স্থূলকোণের বৈশিষ্ট্য:
১. স্থূলকোণ সর্বদা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট হয়।
২. এ কোণে একটি সরলরেখার উপর অন্য একটি সরলরেখা লম্বভাবে অবস্থান করেনা।
৩. এর রেখাদ্বয় শীর্ষবিন্দুতে মিলিত হয়।

চিত্রে টঠড এর পরিমাপ ৯০°।
অঙ্কিত কোণের বৈশিষ্ট্য:
১. অঙ্কিত কোণটি সমকোণ।
২. এ কোণে একটি সরলরেখার উপর অন্য একটি সরলরেখা লম্বভাবে অবস্থান করে।
৩. এর রেখাদ্বয় শীর্ষবিন্দুতে মিলিত হয়।

চিত্রে কখগঘ একটি-আয়তক্ষেত্র যার দৈর্ঘ্য ৮ সেমি এবং প্রস্থ ৪ সেমি।
অঙ্কিত আয়তের বৈশিষ্ট্য:
১. আয়তের বিপরীত বাহু পরস্পর সমান।
২. এর প্রতিটি কোণ এক সমকোণ বা ৯০°।
৩. এর কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমদ্বিখন্ডিত করে।

চিত্রে কখগঘ বর্গের বাহু কখ = খগ = গঘ = ঘক = ৫ সেমি।
অঙ্কিত বর্গের বৈশিষ্ট্য:
১. বর্গের চারটি বাহু পরস্পর সমান।
২. এর প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ (৯০°)।
৩. এর কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
Related Question
View Allবিন্দুর চলার পথকে রেখা বলে।
বিন্দুর শুধু অবস্থান রয়েছে।
সমকোণের চেয়ে ছোটো কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে।
আয়তের বিপরীত বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য সমান।
বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ।
দুইটি রেখার মিলিত বিন্দুতে কোণ সৃষ্টি হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!