কাদের হয় মরণশীল।
 আনোয়ার হয় মরণশীল।
 সবুজ হয় মরণশীল।
সকল মানুষ হয় মরণশীল।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ম্যালেরিয়া রোগের কারণ অ্যানোফিলিস নামক স্ত্রী মশার কামড়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আরোহ হচ্ছে বিশেষ আশ্রয়বাক্যের ওপর ভিত্তি করে সার্বিক সিদ্ধান্তে পৌঁছার পদ্ধতি। আরোহ অনুমানের মূল উদ্দেশ্য হলো অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাস্তব জীবনের বিশেষ বিশেষ ঘটনা সম্পর্কে যে জ্ঞান লাভ করা হয় তার ওপর ভিত্তি করে কোনো একটি সমগ্র জাতি বা শ্রেণি সম্বন্ধে প্রযোজ্য এরূপ একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো। আরোহ অনুমানে কার্যকারণ নিয়ম ও প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে কোনো বস্তু বা বিষয় বা ঘটনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উল্লিখিত উদ্দীপকের দৃষ্টান্তে সকল মানুষের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা সম্ভব নয়। কতিপয় মানুষের মৃত্যু দেখে আমরা সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। অর্থাৎ আংশিক নিরীক্ষণের ভিত্তিতে আমরা এক লাফে সমগ্র বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, একে বলা হয় 'আরোহমূলক লম্ফ' বা 'আরোহমূলক উলম্ফন'। জ্ঞাত থেকে অজ্ঞাত বিষয়ে যাওয়া, বিশেষ থেকে সার্বিকে উপনীত হওয়া, প্রত্যক্ষ থেকে অপ্রত্যক্ষে এবং নিরীক্ষিত থেকে অনিরীক্ষতে গমন করাকে আরোহমূলক উলম্ফন বলে। আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্তটি একটি সার্বিক সংশ্লেসক রাক্য। এই বাক্যে কোনো শ্রেণির সকল সদস্য সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কিন্তু আশ্রয়বাক্য হিসাবে কয়েকটি বিশেষ বাক্যকে উপস্থাপন করা হয়। আর যে প্রক্রিয়ায় কোনো শ্রেণির কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টিান্তের। ভিত্তিতে ঐ শ্রেণির সকল সদস্য সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় সে প্রক্রিয়া হলো আরোহাত্মক উল্লম্ফন উদ্দীপকে কাদের আনোয়ার ও সবুজের মৃত্যুর অভিজ্ঞতা থেকে সকল মানুষের মৃত্যু সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আর যে প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সে প্রক্রিয়াটি হলো আরোহমূলক উল্লম্ফন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হয়। আরোহ অনুমানের আশ্রয়বাক্যগুলো হলো বিশেষ যুক্তিবাক্য। এ ' যুক্তিবাক্যগুলোর ব্যক্ত্যর্থ কম। অন্যদিকে আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত হলো সার্বিক যুক্তিবাক্য। সার্বিক যুক্তিবাক্যের ব্যক্ত্যর্থ হলো বেশি। এজন্য বলা হয়, আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে বেশি ব্যাপক হয়। এ অনুমানে, আমরা বিশেষ থেকে সার্বিকে, অল্প থেকে সমগ্রে গমন করি। এ অনুমানের গতি ঊর্ধ্বমুখী। আমরা কাদের, আনোয়ার, সবুজকে' মারা যেতে দেখেছি, আরও অনেক মানুষের মারা যাবার কথা জানি। এ পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা সার্বিক বাক্য প্রতিষ্ঠা করি 'সকল মানুষ হয় মরণশীল'। আরোহ অনুমানের ক্ষেত্রে বিশেষ থেকে সার্বিক গমনের একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়। কাদের আনোর সবুজ এর মৃত্যু দেখেছি, • কিন্তু এই তিনজনের মৃত্যুর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা সার্বিক সিদ্ধান্তে গমন করছি। আরোহ অনুমানে এটিই হলো প্রক্রিয়া। সেখানে সিদ্ধান্ত সর্বদা আশ্রয়বাক্য থেকে ব্যাপক হবে, যা বিশেষ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সমগ্রে পৌছাতে সাহায্য করে। অর্থাৎ আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত সর্বক্ষেত্রেই আশ্রয়বাক্য থেকে ব্যাপক হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
132
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো কার্যকে ঘটানোর জন্য যে সকল পূর্ববর্তী ঘটনার প্রয়োজন হয় তাদের সমষ্টিকে 'কারণ' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো ঘটনাকে, সুনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রত্যক্ষণ করাই হলো 'নিরীক্ষণ'। আর কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে গবেষণাগারে যন্ত্রপাতির সাহায্যে উৎপাদিত ঘটনাবলির সুনিয়ন্ত্রিত প্রত্যক্ষণ হলো পরীক্ষণ। পরীক্ষণ এক ধরনের নিরীক্ষণ। পৃথিবীতে অনেক ঘটনা রয়েছে, যেগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়, যেমন- ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি। এগুলো নিরীক্ষণ ব্যতীত পরীক্ষণ করা। যায় না। পরীক্ষণের ক্ষেত্র কেবল গবেষণাগারে কিন্তু নিরীক্ষণের ক্ষেত্র সর্বত্র। এজন্য নিরীক্ষণের ব্যাপকতা পরীক্ষণ থেকে বেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
288
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাঁশঝাড় সম্পর্কে ইকবালের ভাবনা ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণের দিকটি নির্দেশ করা হয়েছে। নিরীক্ষণের মাধ্যমে আমরা অভিজ্ঞতার জগতের নানা বিষয় সম্পর্কে ধারণা লাভ করি। অর্থাৎ বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো ঘটনাকে সুনিয়ন্ত্রিত প্রত্যক্ষণ হলো নিরীক্ষণ। নিরীক্ষণ সব সময় অ-ভ্রান্ত হয় না, ভ্রান্ত নিরীক্ষণও হয়। ভ্রান্ত নিরীক্ষণ বা নিরীক্ষণ জাতীয় অনুপপত্তিকে দুভাগে ভাগ করা হয়। ১. সদর্থক জাতীয় অনুপপত্তি, ২. নঞর্থক জাতীয় অনুপপত্তি। সদর্থক জাতীয় অনুপপত্তি হলো ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। এটি দুই ধরনের- ১. ব্যক্তিগত, ২. সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। বাঁশঝাড় সম্পর্কে ইকবালের ভাবনা ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। কারণ ভ্রান্ত নিরীক্ষণ হলো তাই যা- যখন কোনো বস্তু যেরূপ তাকে সেভাবে না দেখে ভিন্নরূপে দেখা। ইকবাল বাঁশঝাড়কে বাঁশঝাড়রূপে না দেখে ভিন্নরূপ ভূত বলে মনে করে চিৎকার করে। এটি ব্যক্তিগত কারণ নিরীক্ষণে কেবল ব্যক্তিবিশেষের বেলায় প্রযোজ্য দেখা যাচ্ছে যে দুজন একসঙ্গে যাচ্ছেলো কিন্তু ইকবাল 'ভূত' বলে চিৎকার করলেও তামিম সে ভুল করেনি। অর্থাৎ ইকবালের সে ভ্রান্ত ধারণা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
205
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তামিম এবং ইকবাল দুজনেই ভ্রান্ত ধারণা বা ভ্রান্ত নিরীক্ষণের শিকার। তামিমের ভ্রান্ত নিরীক্ষণ ছিল সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ এবং ইকবালের যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ ছিল তা হলো ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ।

নিরীক্ষণ হলো- যা কিছু আমরা প্রত্যক্ষ করি এবং যা কিছুকে আমরা মনের সম্মুখে রাখি। নিরীক্ষণজনিত ভুল হলো ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। কোনো বস্তু বা ঘটনাকে যেভাবে দেখার কথা সেভাবে না দেখে ভিন্নভাবে বা ভুলভাবে দেখা হলো ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। ইকবাল অন্ধকারে বাঁশঝাড় দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠে ভূত ভূত বলে। আসলে সেটি ভূত যে নয়, সেটি বাঁশঝাড় ছিল। তামিম, ইকবালকে সেটাই দেখালো এবং তাঁর ভুল ভাঙালো। ইকবালের এই ভ্রান্ত ধারণা ছিল ব্যক্তিগত। দুজন একসঙ্গে থেকেও ইকবাল বাঁশঝাড়কে ভূত মনে করলেও তামিম তা করেনি। সুতরাং ইকবালের বাঁশঝাড় সম্পর্কে যে ভুল ছিল তা হলো ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। তামিম, ইকবালের ব্যক্তিগত ভুল ভাঙালো কিন্তু সে যে ভুল করলো সেটা হলো সর্বজনীন ভুল। যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ কেবল ব্যক্তিবিশেষের বেলায় নয় বরং সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেটা মূলত সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। উদ্দীপকে তামিমের মতো প্রায় সবাই বলে যে সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে যার ফলে সন্ধ্যা হয়। সূর্য কখনো পশ্চিম আকাশে হেলে পড়ে না বরং পৃথিবী যেহেতু সূর্যের চারদিকে ঘুরে, সেহেতু একটা সময় আসে যখন পৃথিবীর একটা অংশ সূর্য থেকে আড়াল হয় এবং অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। সুতরাং, তামিম ও ইকবালের ধারণা বা নিরীক্ষণ ভ্রান্ত নিরীক্ষণ। ইকবালের ব্যক্তিগত ভ্রান্ত নিরীক্ষণ এবং তামিমের যে ভ্রান্ত নিরীক্ষণ তা হলো সর্বজনীন ভ্রান্ত নিরীক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
286
উত্তরঃ

যা কিছুকে আমরা প্রত্যক্ষ করি এবং যা-কিছুকে আমরা মনের সম্মুখে রাখি তাই হলো নিরীক্ষণ। 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
545
উত্তরঃ

পরীক্ষণের সকল ক্ষেত্রে নিরীক্ষণ সম্ভব। নিরীক্ষণ ব্যতীত পরীক্ষণ সম্ভব নয়। কোনো বিষয় বা ঘটনাকে পরীক্ষণ করতে গেলে নিরীক্ষণ করতে হয়। অর্থাৎ পরীক্ষণ নিরীক্ষণের উপর নির্ভরশীল। পরীক্ষক পরীক্ষা কার্য চালাতে গেলে আগে নিরীক্ষণ করতে হয়। নিরীক্ষণ সুষ্ঠু ও নিশ্চিত হলেই কেবল পরীক্ষণকার্য সত্য হয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
317
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews