কারখানাটিতে বিভিন্ন পদমর্যাদা ও বেতনভুক্ত কর্মকর্তা- কর্মচারী কাজ করে। কারখানার মালিক বিপুল সম্পদ ও আয়ের অধিকারী। তারপর রয়েছে ব্যবস্থাপক ও অন্যান্য কর্মকর্তারা। কারখানার শ্রমিকরা নিম্নবেতনে কর্মরত। তাদের অবস্থা খুব সুখকর নয়। পরিবার পরিজন নিয়ে তারা অনিশ্চিত ভবিষ্যতে বসবাস করছে। শিক্ষা, চিকিৎসা কীভাবে নিশ্চিত হবে এই শ্রমিকরা জানে না। শ্রমিক ইউনিয়ন ও রাষ্ট্র এসব বিষয়ে ভূমিকা না নিলে তাদের অবস্থার উন্নতি হবে না।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক স্তরবিন্যাসের প্রাচীনতম রূপ দাসপ্রথা। 

উত্তরঃ

সাংস্কৃতিক অধিকার ভোগে যখন নারীকে পুরুষের তুলনায় পিছিয়ে রাখা হয় তখনই নারী-পুরুষের সাংস্কৃতিক বিভাজনের উদ্ভব ঘটে।

শিক্ষা ব্যক্তির সাংস্কৃতিক অধিকার। কিন্তু আমাদের দেশে প্রায়শই | লক্ষ করা যায়, পরিবারগুলো ছেলেদের জন্য উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা করলেও মেয়েদের জন্য এমনটি করে না। অর্থাৎ নারীর প্রতি এক রকম অবহেলা থেকেই এ ধরনের বিভাজন তৈরি হয়। সুতরাং বলা যায়, সাংস্কৃতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীকে সমসুযোগ না দেওয়াই সাংস্কৃতিক বিভাজন।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে সামাজিক স্তরবিন্যাসের শ্রম বিভাজনভিত্তিক অসমতা ধরনটি উল্লেখ করা হয়েছে।

শ্রমবিভাজন সমাজের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য। তবে সমাজভেদে এটি ভিন্নতর হয়। জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদান মানুষ একাকী তৈরি করতে পারে না। তাই প্রয়োজন হয় শ্রম বিভাজন। আর এই শ্রমে যারা দক্ষ তারা অধিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে অদক্ষদের তুলনায়। এভাবে দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমের মাধ্যমে সামাজিক অসমতা গড়ে ওঠে। যেমনটি উদ্দীপকেও পরিলক্ষিত হয়। ২০১৫ সালের মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী শ্রমবিভাজনভিত্তিক অসমতার কারণে বাংলাদেশের ক্ষতির পরিমাণ ২৯.৯%।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে কারখানার মালিক বিপুল সম্পদ ও আয়ের অধিকারী। তারপর রয়েছে ব্যবস্থাপক ও অন্যান্য কর্মকর্তারা এবং এরপর রয়েছে নিম্ন বেতনে কর্মরত শ্রমিকরা। যা সামাজিক স্তরবিন্যাসের শ্রমবিভাজনভিত্তিক অসমতাকে নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে সামাজিক স্তরবিন্যাসের অন্যতম ধরন শ্রমবিভাজনভিত্তিক অসমতা ফুটে উঠেছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তায় শ্রমিক ইউনিয়ন ও রাষ্ট্রের ভূমিকা পালনের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এসব প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান করা হয়েছে।

বর্তমান বিশ্বে রাষ্ট্রের সংবিধানেই সামাজিক নিরাপত্তার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশের সংবিধানেও সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন কর্মসূচির সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে। শ্রমিকদের কল্যাণে শ্রমিক ইউনিয়ন ও রাষ্ট্র বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। যেমন- কল্যাণ তহবিল। কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো ব্যক্তির চাকুরির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বেই তার মৃত্যু ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির পরিবার পরিজনের মানবিক ও আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন দেখা দেয়। এ অবস্থায় কল্যাণ তহবিলের সাহায্যে তার পরিবারের নিরাপত্তার উপায় হতে পারে। আবার পেনশনও একজন শ্রমিকের নিরাপত্তার উপায় হতে পারে। বৃদ্ধ বয়সে শ্রমিকের পক্ষে উপার্জন করা সম্ভব হয় না। সে কারণে এককালীন পেনশন ভাতা তার নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়াও শ্রমিক ইউনিয়ন ও রাষ্ট্রের উদ্যোগে প্রভিডেন্ট ফান্ড, শ্রমিক ক্ষতিপূরণ আইন, মাতৃত্ব কল্যাণ আইন প্রভৃতি প্রণয়নের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষিত হতে পারে।

শ্রমিকদের নিরাপত্তায় শ্রমিক ইউনিয়ন ও রাষ্ট্র যৌথ উদ্যোগে কাজ করলে শ্রমিকদের নিরাপত্তা অনেকাংশেই রক্ষা করা সম্ভব হবে। উদ্দীপকেও এ বিষয়টির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

228
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

Caste শব্দের অর্থ বংশ বা বংশগত গুণাবলি। এর দ্বারা জাতিবর্ণ প্রথাকে বোঝায়।

1.1k
উত্তরঃ

সামাজিক পরিবর্তনে 'তথ্য প্রযুক্তির' গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব অপরিসীম। তথ্য প্রযুক্তি সামাজিক পরিবর্তনের অন্যতম উপাদান হিসেবে ভূমিকা রেখে চলছে। এর উন্নতি ও প্রসার সামাজিক মনোভাব, প্রথা বা প্রতিষ্ঠানকে ধারাবাহিকভাবে প্রভাবিত করে। বর্তমানে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি আবিষ্কার, কেবল প্রযুক্তি, ডিজিটাল প্রযুক্তি, অপটিক্যাল ফাইবার, ইন্টারনেট প্রভৃতি আবিষ্কার বিশ্বব্যাপী তথ্য যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করেছে। তাই বলা যায় যে, তথ্য প্রযুক্তি সামাজিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

1.9k
উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে ছকের'?' চিহ্নিত স্থানে অন্যতম সমাজতাত্ত্বিক প্রত্যয় সামাজিক স্তরবিন্যাস নির্দেশিত হয়েছে।

সামাজিক স্তরবিন্যাস হচ্ছে এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সমাজের ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে অন্যান্য আরও কিছু বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন স্তরে বিন্যস্ত করা হয়। এককথায় সামাজিক স্তরবিন্যাস হলো সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী বা শ্রেণির উঁচু-নীচু অবস্থান বা বিন্যাস ব্যবস্থা। সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার এবং পেজ বলেন, 'সামাজিক স্তরবিন্যাস বলতে মর্যাদা অনুযায়ী স্তরবিভাগকে বোঝায়। দার্শনিক কার্ল মার্কস-এর মতানুসারে অর্থনীতির মানদণ্ডে সমাজের মানুষের যে ভেদাভেদ সেটাই সামাজিক স্তরবিন্যাস। অথবা উৎপাদনের উপকরণের মালিকানার ভিত্তিতে মানুষ যে ভেদাভেদ সেটাই সেটাই সামাজিক স্তরবিন্যাস। সামাজিক স্তরবিন্যাস সমাজ বা কালভেদে আলাদা হতে পারে। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে সামাজিক স্তরবিন্যাসের ধরণগুলোকে পর্যালোচনা করে সমাজবিজ্ঞানীরা চারটি ধরনের কথা বলেছেন যথা: ১. দাসপ্রথা, ২. এস্টেট প্রথা, ৩. জাতিবর্ণ, ৪. সামাজিক শ্রেণি ও মর্যাদা গোষ্ঠী।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ছকে সামাজিক স্তরবিন্যাসের এ চারটি প্রকারভেদই বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের "?" স্থানে সামাজিক স্তরবিন্যাস প্রত্যয়টিই নির্দেশিত হয়েছে।

449
উত্তরঃ

"উক্ত সমাজতাত্ত্বিক প্রত্যয় তথা সামাজিক স্তরবিন্যাস ছাড়া পৃথিবীর কোনো সমাজকে কল্পনা করা যায় না'- আমি এ বক্তেব্যের সাথে একমত।

সামাজিক স্তরবিন্যাস হলো চিরন্তন ও সর্বজনীন। সমাজজীবনের সূচনা থেকেই সামাজিক স্তরবিন্যাসের উদ্ভব ঘটেছে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এমন কোনো সমাজব্যবস্থার পরিচয় পাওয়া যায় না যা পরিপূর্ণভাবে সাম্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। আদিম অধিবাসীদের জীবনেও দলপতির প্রভাব প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠিত ছিল। এসব প্রভাব প্রতিপত্তিকে কেন্দ্র করে কিছুসংখ্যক ব্যক্তি অধিকতর সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতো। এজন্য স্তরবিন্যাসমুক্ত সমাজ কল্পনাতীত। কালের বিবর্তনের ধারায় সামাজিক স্তরবিন্যাসের আকৃতি প্রকৃতিতে পরিবর্তন ঘটছে। যুগে যুগে স্তরবিন্যাসের রূপরেখা পরিবর্তিত হচ্ছে। কিন্তু স্তরবিন্যাস কথনো বিলুপ্ত হয়নি। বাস্তবে বৈষম্যহীন বা শ্রেণিহীন সমাজব্যবস্থা কল্পনা করা যায় না। সব সমাজেই কম-বেশি স্তরবিন্যাস লক্ষ করা যায়। প্রাচীন তথা আদিমযুগের যূথবদ্ধ সমাজ থেকে বর্তমানের আধুনিক শিল্পসমাজ সর্বত্র সামাজিক স্তরবিন্যাস প্রক্রিয়াটি বিদ্যমান ছিল এবং আছে। স্তরবিহীন কোনো সমাজ নেই। অর্থ-সম্পদ, মেধা, বংশ, পেশা, বয়স, লিঙ্গ, ক্ষমতা, শিক্ষা এর কোনো না কোনো একটির ভিত্তিতে সমাজকে স্তরায়িত করা যায়। এ সম্পর্কে জন মিলার বলেন- শ্রেণি, পদমর্যাদা, সামাজিক উঁচুনিচু ভেদাভেদ সর্বজনীন। ক্রমান্বয়ে সামাজিক আবর্তন-বিবর্তন ও পরিবর্তনের ফলে তা সম্পত্তির মালিকানা ও পদমর্যাদার ওপর নির্ভর করে।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, সামাজিক স্তরবিন্যাস। চিরন্তন ও সর্বজনীন। আর এটি সব সমাজেই বিদ্যমান। সুতরাং প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ ও সঠিক।

496
উত্তরঃ

সামাজিক পরিবর্তনের একটি প্রক্রিয়া হলো উন্নয়ন।

327
উত্তরঃ

বংশমর্যাদা ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার সন্তান সন্ততি যদি পিতার কাছ থেকে পায়, সেক্ষেত্রে এ ধরনের পরিবারকে পিতৃসূত্রীয় পরিবার বলে।

পিতৃসূত্রীয় পরিবারের নেতৃত্ব, সম্পত্তি, বংশমর্যাদা ইত্যাদি উত্তরাধিকারসূত্রে পিতা থেকে পুত্রের কাছে আসে। এখানে দাদা, বাবা, পুত্র ও নাতিকে নানা, মাতা, মেয়ে ও নাতনির চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। আমাদের প্রচলিত সমাজ ও চাকমা সমাজে এ ধরনের পরিবার প্রচলিত।

1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews