কারাকাসের স্বৈরাচারী সরকারের কার্যক্রমে যখন সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ, তখন হামাস বংশের হাফিস নামের এক বিপ্লবী নেতার উত্থান ঘটে। তিনি সরকারের উৎখাতের ডাক দেন। কর্মসূচীকে বেগবান ও সফল করার জন্য নানামুখী প্রলোভন প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে বিভিন্ন শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের সমর্থন পেয়ে উক্ত সরকারের পতান ঘটানো সম্ভব হয়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

৭৫০ সালে জারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

আব্বাসি খলিফা আল-মামুনের সময় রোমান সম্রাট অগাস্টানের শাসনামলের মতো বাগদাদ শিক্ষা ও সংস্কৃতির পাদপীঠে পরিণত হয়েছিল বলে তার শাসনামলকে ইসলামের অগাস্টান যুগ বলা হয়।
মামুনের শাসনকাল ছিল আব্বাসি তথা আরবদের জন্য অলংকারস্বরূপ। সৈয়দ আমির আলী বলেন, "তাঁর বিশ বছরব্যাপী শাসনকাল চিন্তাধারার প্রত্যেক ক্ষেত্রে মুসলমানদের বুদ্ধিবৃত্তি পরিবর্ধিত স্থায়ী স্মৃতিচিহ্ন রেখে গিয়েছে।" তার শাসনকালে সাম্রাজ্যের সর্বত্র সুখ, শান্তি ও শৃঙ্খলা বিরাজ করত। আমির আলী বলেন, "মামুনের খিলাফত সারাসানীয় ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা গৌরবময় অধ্যায়। যথার্থভাবেই এটিকে ইসলামের অগাস্টান যুগ বলা হয়েছে।"

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিপ্লবী নেতা সেলিমের সাথে আব্বাসি খলিফা আবুল আব্বাস আস-সাফফাহর মিল রয়েছে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মালাগার স্বৈরাচারী সরকারের অন্যায়, অরাজকতা থেকে জনগণকে রক্ষা করতে আফেন্দি বংশের সেলিম নামের এক বিখ্যাত নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি জনগণকে নানামুখী প্রলোভন দেখিয়ে ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনসমর্থন আদায় করেন এবং সরকার উৎখাতে আন্দোলনের ডাক দেন। তার আহ্বানে জনগণ সাড়া দেয় এবং তারা সরকারের পতন ঘটাতে সক্ষম হয়। একই পরিস্থিতি লক্ষ করা যায় আবুল আব্বাসের আব্বাসি আন্দোলনের মাধ্যমে উমাইয়াদের পতনের ক্ষেত্রে।
উমাইয়া বংশীয় শেষ পর্যায়ের দুর্বল শাসকদের অন্যায়-অপকর্ম যখন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছিল, তখন আব্বাসিরা তাদের উৎখাতে তৎপর হয়ে ওঠে। উমাইয়াদের পতনে তারা জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন শুরু করে। আব্বাসিগণ কুরাইশ বংশের হাশেমি শাখা থেকে উদ্ভূত। এই সূত্রে তারা মুহাম্মাদ (স)-এর নিকটতম এবং খিলাফতের যোগ্য দাবিদার এমন প্রচারণায় সর্বপ্রথম মুহাম্মদ বিন আলী আব্বাসি আন্দোলন শুরু করেন এবং তা বিভিন্ন ব্যক্তির হাত ধরে চূড়ান্ত' পরিণতি লাভ করে। সর্বশেষ আবুল আব্বাস ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত জাবের যুদ্ধে উমাইয়া বংশীয় শেষ খলিফা দ্বিতীয় মারোয়ানকে পরাজিত করে আব্বাসি বংশের শাসনপর্ব শুরু করেন। তিনি নানা প্রচারণা, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিয়া, খারেজি, মাওয়ালি, খোরাসানি প্রভৃতি সম্প্রদায়কে উমাইয়াদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলেন। তারা উমাইয়াদের পতনে আব্বাসিদের সর্বতোভাবে সহায়তা করে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকে বর্ণিত সেলিমের গৃহীত কর্মকাণ্ডে আব্বাসি বংশের প্রতিষ্ঠাতা আবুল আব্বাস আস-সাফফাহর কাজের প্রতিফলন ঘটেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতিই ছিল আবুল আব্বাস আস-সাফফাহ কর্তৃক উমাইয়া বংশের অবসান ঘটিয়ে আব্বাসি বংশ প্রতিষ্ঠায় সফলতা অর্জনের মূল কারণ।

উমাইয়া সাম্রাজ্যের বিশৃঙ্খলার সুযোগে ইবনে আব্বাসের নেতৃত্বে তার অপর তিন ভাতা ও অন্যরা আব্বাসি আন্দোলনের সূচনা করেন। তারা মর্মর সাগরের তীরে সেলিম নামক একটি নিরাপদ গ্রামকে উমাইয়াবিরোধী আব্বাসি প্রচারণার কেন্দ্রেভূমিতে পরিণত করেন। তাঁরা পূর্ব পুরুষদের উমাইয়াবিরোধী মনোভাবকে কার্যসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে লোকজনকে তাদের পক্ষে, সমবেত করতে সক্ষম হন। আবুল আব্বাসকে ৭৪৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ নভেম্বর কুফা মসজিদে খলিফা বলে ঘোষণা করা হলেও তার শাসনকাল শুরু হয় ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারিতে জাবের যুদ্ধে দ্বিতীয় মারওয়ানের পরাজয় ও পলায়নের পর থেকে।

উদ্দীপকে সেলিম যেমন তার কর্মসূচিকে বেগবান ও সফল করার জন্য জনগণকে নানা ধরনের প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতি প্রদানের পন্থা অবলম্বন করেছিল, তেমনি উমাইয়াবিরোধী আন্দোলনকে সফল করে তুলতে আবুল আব্বাসও জনগণকে প্রলোভন ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি প্রদানের কৌশল অবলম্বন করেন। তিনি জনগণকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ও প্রতিশ্রুতি প্রদান করে উমাইয়া শাসকদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলেন। জনগণ তাঁর পক্ষ নিয়ে উমাইয়াদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে থাকে। ফলশ্রুতিতে উমাইয়া বংশের পতনের মধ্য দিয়ে আব্বাসি বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ঐতিহাসিক ওয়েল বলেন, আবুল আব্বাস শুধু বর্বর ও পাষণ্ডই ছিলেন না, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দানকারী, কৃতঘ্ন ও বিশ্বাসঘাতকও ছিলেন।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতিই আব্বাসি আন্দোলনকে সফল করে তুলেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
17

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রশাসনিক কাঠামোকে সুবিন্যস্ত ও সুদৃঢ় করার জন্য খলিফা মনসুর বাগদাদে রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। বাগদাদ দজলা (টাইগ্রিস) নদীর পশ্চিম তীরে মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত। এটা ছিল সুস্বাস্থ্যকর, সাম্রাজ্যের মধ্যস্থলে এবং অধিকতর নিরাপদ স্থান। নদীর তীরে অবস্থানের ফলে এ নগরীর সাথে নৌপথে সিরিয়া, মেসোপটেমিয়া, আর্মেনিয়া ও সাম্রাজ্যের অন্যান্য স্থানের যোগাযোগ সহজতর ছিল। এছাড়া এখান থেকে বহির্বিশ্বের এমনকি সুদূর চীনের সাথেও যোগাযোগ স্থাপন সম্ভবপর হয়েছিল। তাছাড়া এতে আন্তঃবাণিজ্য ও বহির্বাণিজ্যে প্রভৃত সাফল্যেরও সম্ভাবনা ছিল। এসব কারণে খলিফা মনসুর বাগদাদে রাজধানী স্থাপন করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
143
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রতি আচরণ আব্বাসি খলিফা আল-মনসুরের হযরত আলী (রা)-এর বংশধরদের প্রতি দুর্ব্যবহারের অনুরূপ।

হযরত আলী ও ফাতিমার বংশধরগণ আব্বাসি বংশের উত্থানের সময় যথাসাধ্য সাহায্য করলেও খলিফা মনসুর তাদেরকে সুনজরে দেখেননি। আলীর বংশধরদের ওপর জনসাধারণের অসীম ভক্তি ও শ্রদ্ধার জন্য খলিফা মনসুর বিচলিত হয়ে ওঠেন এবং তাদের ধ্বংস সাধনে তৎপর হন। খলিফা মনসুরের এই হিংস্র কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের মধ্যেও লক্ষণীয়।
সাদ্দাম হোসেন বিভিন্ন গুণাবলির অধিকারী হলেও তার মধ্যে প্রবল সন্দেহ প্রবণতা ছিল। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য অনেক ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বীকে তিনি নির্মমভাবে সরিয়ে দেন। খলিফা মনসুরের ক্ষেত্রেও এমনটি দৃষ্টিগোচর হয়। উমাইয়াদের পতনের পর ইমাম হাসানের প্রপৌত্র মুহাম্মদ সিংহাসনে আরোহণের ন্যায়সংগত অধিকারী ছিলেন। এ কারণে আলী ও ফাতেমীয় বংশের লোকদের ভবিষ্যৎ প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে মনসুর তাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালান। ফলে মুহাম্মদ ও তার ভাই ইব্রাহীম মদিনা ও বসরায় বিদ্রোহ ঘোষণা জ্বরেন। কিন্তু খলিফা মনসুরের ভ্রাতুষ্পুত্র তাদেরকে পরাজিত করে নির্মমভাবে হত্যা করেন। খলিফা মনসুর মদিনায় বসবাসরত ইমাম হাসান (রা) ও হুসেন (রা)-এর পরিবারবর্গের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেন। এমনকি সুফিসাধক ইমাম জাফর সাদিক, ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মালিকের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেন। সুতরাং দেখা যায়, প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রতি সাদ্দাম হোসেনের আচরণ খলিফা মনসুরের আলী বংশীয়দের প্রতি দুর্ব্যবহারকেই মনে করিয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
117
উত্তরঃ

খলিফা আল-মনসুর নানা দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ করে সাম্রাজ্যকে একটি সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, যা উদ্দীপকে বর্ণিত সাদ্দাম হোসেনের চেয়ে অধিক বিচক্ষণতার পরিচায়ক।

খলিফা আল-মনসুর ৭৫৪ খ্রিষ্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করে আব্বাসি আন্দোলনের মূল নেতা আব্দুল্লাহ আৰু মুসলিমকে হত্যা করেন। তিনি সমস্ত বিদ্রোষ ও বিরোধীদের কঠোরভাবে দমন করে রাজ্য বিস্তারে মনোনিবেশ করেন। তিনি তাবারিস্তান, গিলান, এশিয়া মাইনর ও আফ্রিকায় আব্বাসি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। অর্থাৎ তিনি সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিও করার পাশাপাশি সাম্রাজ্যের যথেস্ট বিস্তৃতি সাধন করেন। কিন্তু সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে সাম্রাজ্য বিস্তৃতির দিকটি অনুপস্থিত রয়েছে।

উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি যে, রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম যোসেন ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বীদের নির্মমভাবে সরিয়ে দেন। তিনি অনেক কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ইরাকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। তার এ দিকগুলো খলিফা আল-মনসুরের গৃহীত পদক্ষেপের ক্ষেত্রেও পরিলক্ষিত হয়। তবে খলিফা মনসুর এক্ষেত্রে আরও বাস্তবধর্মী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। আব্বাসি শাসক আল-মনসুর অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ ও বিরোধিতার মূলোৎপাটন করে তার বংশকে শত্রুমুক্ত করেন। প্রশাসনিক কাঠামোকে সুবিন্যস্ত ও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে তিনি ৭৬২ খ্রিস্টাব্দে সামেস্ক থেকে বাগদাদে রাজধানী স্থানান্তর করেন। তিনি দজলা নদীর পশ্চিম তীরে ৪৮ লক্ষ ৮৩ হাজার দিরহাম ব্যয় করে সুন্দর ও সুপরিকল্পিত বাগদাদ নগরী প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া সামরিক শক্তিই যে সম্রাজ্যের মূলভিত্তি- এ সত্যকে অনুধাবন করে আল-মনসুর একটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পক্তিশালী নিয়মিত সেনাবাষিনী গঠন করেন। এছাড়া জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতার ক্ষেত্রে তিনি উদার ছিলেন। তার রাজত্বকালে গণিতশাস্ত্রের উৎকর্ষ সাধিত হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিকাজের উন্নয়নে তিনি নানাবিধ-পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি বহু নগর, সরাইখানা, রাজপথ ও চিকিৎসালয় নির্মাণ করেন। এভাবে আল মনসুর খিলাফতে একটি নতুন সভ্যতার সূচনা করেন।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, খলিফা আল মনসুর তার সকল প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যা ও দমন করার মাধ্যমে নিজ বংশকে নিষ্কন্টক করে আব্বাসীয় শাসনতে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করেন। তার এ পদক্ষেপে উদ্দীপকে বর্ণিত উদ্যোগের থেকে অধিক দূরদর্শিতা ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
86
উত্তরঃ

বুরান ছিলেন আব্বাসি খলিফা মামুনের স্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী হাসান বিন সাহলের কন্যা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
141
উত্তরঃ

ভ্রাতৃদ্বন্দ্বে আমিনের পরাজয়ের একটি কারণ হলো তার চারিত্রিক দুর্বলতা ও কুশাসন।
আমিনের ব্যক্তিগত চরিত্রই মূলত তার পতনের জন্য দায়ী। তিনি রাজকার্য উপেক্ষা করে হেরেমের আমোদ-আহলাদে মত্ত থাকতেন। ফলে তার নিষ্ঠুর ও উম্মত উজির ফজল-বিন-রাবি রাজ্যের সর্বেসর্বা হয়ে ওঠেন। তার উচ্ছৃঙ্খল শাসনে আমিন প্রজাসাধারণের সহানুভূতি থেকে দণ্যিত হন। অপরপক্ষে আমিনের সুযোগ্য ভাই মামুদের শাসনে প্রজাগণ পরম সুখ ও শান্তিতে বসবাস করছিল। অসাধারণ প্রতিভাসম্পন্ন মামুনের নিকট অযোগ্য ও বিলাসপ্রিয় আমিন ক্ষমতার দ্বন্দ্বে হেরে যাওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
88
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews