কালুবাবার মাজারের সুনাম ও সুখ্যাতিকে অবলম্বন করে কতিপয় ধর্মাশ্রয়ী ব্যক্তি নিজেদের এলাকায় আস্তানা তৈরি করে নিজেেেদর পির বলে আখ্যায়িত করে। তারা মানুষের সরলতা ও অশিক্ষাকে পুঁজি করে ধর্ম ব্যবসায়ে জড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে মাজার কর্তৃপক্ষ উল্লিখিত ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে তাদের দমন করে মাজারের পবিত্রতা ও সুনাম ফিরিয়ে আনে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

শুরা শব্দের আভিধানিক অর্থ পরামর্শ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

স্ব-ধর্মত্যাগী আন্দোলন বলতে ভণ্ডনবিদের বিরুদ্ধে হযরত আবু বকর (রা)-এর পরিচালিত যুদ্ধকে বোঝায়।
মহানবি (স)-এর পরলোকগমনের পর গোত্রের পর' গোত্র ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে তাদের পূর্বের ধর্মে ফিরে যেতে থাকে। এছাড়া এসময় কিছু সংখ্যক গোত্রপ্রধান নবুয়তলাভকে একটি লাভজনক পেশা মনে করে নিজেদেরকে নবি ঘোষণা করে। এদের মিথ্যা বক্তব্যে সমাজে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় এবং রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও ইসলাম ধর্মের নেতৃত্ব নিয়ে চরম সংকট তৈরি হয়। এই চরম সংকটময় মুহূর্তে হযরত আবু বকর (রা) খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করে এসব ভণ্ডনবি ও স্বধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। এ যুদ্ধই ইসলামের ইতিহাসে রিদ্দার যুদ্ধ বলে খ্যাত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্ম ব্যবসায়ীদের দমনের সাথে আবু বকর (রা)-এর যুদ্ধের মাধ্যমে স্বধর্মত্যাগীদের দমনের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

হজরত মুহম্মদ (স)-এর জীবনের শেষদিকে আরবের বিভিন্ন অংশে কতিপয় ভণ্ড বা নকল নবির আবির্ভাব ঘটে নবুয়তপ্রাপ্তিকে তারা লাভজনক মনে করেই নিজেদেরকে নবি হিসেবে দাবি করে। মহানবি (স) এর মৃত্যুর সংবাদে তারা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে এবং ইসলামের বিনাশ সাধনে তৎপর হয়। হজরত আবু বকর (রা) স্বধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। মাজার কর্তৃপক্ষ উদ্দীপকে উল্লিখিত ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে তাদের দমন করেন এবং মাজারের পবিত্রতা ও সুনাম ফিরিয়ে আনেন। একইভাবে আবু বকর (রা)ও ভন্ডনবিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে তাদের দমন করেন। আবু বকর (রা) মদিনায় সৈন্যদল সংগ্রহ করে তাদেরকে মোট ১১টি ভাগে বিভক্ত করেন এবং প্রত্যেকটি সৈন্যদলকে একজন অভিজ্ঞ সেনাপতির অধীনে ন্যস্ত করে আরবদের বিভিন্ন অংশে পাঠান। তিনি প্রথমে রণকুশালি খালিদ-বিন ওয়ালিদকে তোলায়হা এবং পরে মালিক বিন নোবায়রার বিরুদ্ধে পাঠান। ইকরাম বিন আবি জেহেলকে মুসায়লামার বিরুদ্ধে পাঠান। সুরাহবিলকে ইকরামার সাহায্যে পাঠান। মোজাহির-বিন-আবি উমাইয়াকে ইয়েমেন এবং হাজরামাউত বিজয়ে পাঠান। তার একদল বাহিনীকে তিনি সিরিয়া সীমান্ত প্রহরার জন্য পাঠান। এছাড়া তিনি আম্মান ওমাহরাব বিদ্রোহ দমন। কাজাগোত্রের বিদ্রোহ দমন, বনু সালাম ও হাউয়াবিন গোত্রকে দমণ ও অন্যান্যদের দমনে সেনাবাহিনী পাঠান। বিনা যুদ্ধেই অনেকেই খলিফার নিকট আত্মসমর্পণ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। আর যারা তা অস্বীকার করে পূর্ববর্তী মতে দৃঢ় থেকে আবু বকর (রা) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে তাদের দমন করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উল্লিখিত পদক্ষেপ অর্থাৎ যুদ্ধের মাধ্যমে স্বধর্মত্যাগীদের দমন বা রিদ্দার যুদ্ধ শিশু ইসলামকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছিল।

মাজার কর্তৃপক্ষ যেভাবে ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে মাজারের সুনাম ও সুখ্যাতি ফিরিয়ে আনেন ঠিক একইভাবে আবু বকর (রা) রিদ্দার যুদ্ধের, মাধ্যমে শিশু ইসলামকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে। হজরত আবু বকর (রা) স্বধর্মত্যাগীদের সকল চক্রান্ত ধূলিসাৎ করে ইসলামি রাষ্ট্রের অখণ্ডতা বজায় রাখতে সক্ষম হন। রিদ্দা যুদ্ধে জয় লাভ করে মুসলমানরা শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, বহির্বিশ্বেও ইসলাম প্রচার করার সুযোগ লাভ করে।
রিদ্দা যুদ্ধে মুসলমানদের জয় লাভের ফলে আরব হতে পৌত্তলিকতা চিরতরে বিলুপ্ত হয় এবং সমগ্র আরবে আল্লাহর একত্ববাদ সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। রিন্দা যুদ্ধে জয়লাভের ফলে ইসলামি রাষ্ট্র ধ্বংসের হাত হতে চিরদিনের মতো রক্ষা পায় এবং মুসলমানদের শক্তি ও শৃঙ্খলার কথা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। মদিনা রাষ্ট্র বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন হতে রক্ষা পায় এবং মুসলিম জাতি নব বলে বলীয়ান হয়। রিদ্দার যুদ্ধের সময় পারসিক ও আরবের বিদ্রোহী গোত্রগুলোকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে উস্কে দিয়েছিল। কাজেই যুদ্ধ প্রশমিত হলে আবু বকর (রা) তাদের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন। এরই ফলশ্রুতিতে পরবর্তী খলিফা ওমরের খিলাফতকালে সমগ্র পারস্য ও বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য মুসলমানদের করতলগত হয়। এ যুদ্ধে জয় লাভের ফলে ইসলামি রাষ্ট্রের আয়ের পথ বেড়ে যায়। বিভিন্ন গোত্র সম্প্রদায়ের নিকট হতে যাকাত সংগৃহীত হওয়ার ফলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়। ইসলাম সম্বন্ধে মুসলমানদের সন্দেহের অবসান হয় এবং তাদের মনে নতুন উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং আশার আলোর সঞ্চয় হয়।
পরিশেষে বলা যায়, হজরত আবু বকর (রা) কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ শিশু ইসলামকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
18
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দক্ষ ও সুকৌশলী বীর সেনাপতি হিসেবে খালিদ বিন ওয়ালিদ ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন।
প্রাথমিক জীবনে কুরাইশদের সেনাপতি হিসেবে যুদ্ধ করলেও হুদায়বিয়ার সন্ধির পর (৬২৮ খ্রি.) খালিদ বিন ওয়ালিদ ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর রাসুল (স)-এর সময়ে হুনায়ুনের যুদ্ধ, তায়েফ বিজয়, তাবুক অভিযানে দক্ষতার সাথে যুদ্ধ করে তিনি ইসলামের বিজয় ত্বরান্বিত করেন। তাছাড়া রাসুল (স)-এর মৃত্যুর পর ইয়ামামার যুদ্ধে বীরবিক্রমে যুদ্ধ করে তিনি ভণ্ডনবিদের শায়েস্তা করেন। এরপর জীবিত থাকা পর্যন্ত তিনি ইসলামের সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ইসলামের বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন। ইসলামের খেদমতে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যই তিনি ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
115
উত্তরঃ

সিদ্ধান্ত গ্রহণে নতুন অধ্যক্ষের গৃহীত ব্যবস্থার সাথে হযরত ওমর (রা)-এর প্রশাসনিক ব্যবস্থার অন্যতম দিক মজলিস-উশ-শুরা বা পরামর্শসভা গঠনের মিল রয়েছে।

হযরত ওমর (রা) ছিলেন গণতন্ত্রমনা। তার প্রশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল গণতান্ত্রিক শাসন। আর এ আদর্শ দ্বারাই তিনি প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ইসলামি গণতন্ত্রের পূর্ণ বিকাশ সাধন করেন। কুরআন-হাদিসের আলোকে জনগণের ইচ্ছার প্রতি খেয়াল রেখে তিনি পরামর্শভিত্তিক প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। আর তার এ বৈশিষ্ট্যেরই প্রতিফলন লক্ষ করা যায় নতুন অধ্যক্ষের গৃহীত ব্যবস্থার মধ্যে।
কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে জনাব 'ক' সকল বিষয়ে শিক্ষক পরিষদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। হযরত ওমর (রা)ও শাসনকার্য পরিচালনার জন্য মজলিস-উশ-শুরা বা পরামর্শসভা গঠন করেছিলেন। যেকোনো সমস্যা তিনি কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক মজলিস-উশ-শূরার সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সমাধান করতেন। তিনি দৃপ্তকণ্ঠে ঘোষণা করেন, 'পরামর্শ ব্যতীত কোনো খিলাফত চলতে পারে না।' তার গঠিত পরামর্শসভা দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। যেমন-ক. মজলিস-উল-আম এবং খ. মজলিস-উল-খাস। মহানবি (স)-এর ঘনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ সাহাবা এবং মদিনার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে মজলিস-উল-আম গঠিত ছিল। এরা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন। অন্যদিকে দৈনন্দিন কার্যাদি সম্পাদনের জন্য অল্প সংখ্যক মুহাজিরিন নিয়ে মজলিস-উল-খাস গঠিত ছিল। হযরত ওমর (রা) মজলিস-উশ-শুরা ছাড়াও রাজ্য শাসনের ব্যাপারে সাধারণ জনগণের মতামত গ্রহণ করতেন। হযরত ওমর (রা)-এর উল্লিখিত আদর্শেরই প্রতিফলন ঘটেছে নতুন অধ্যক্ষের গৃহীত কর্মকাণ্ডে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত 'উদ্বৃত্ত অর্থ' বিষয়ে অধ্যক্ষের গৃহীত পদক্ষেপে হযরত ওমর (রা)-এর রাষ্ট্রীয় কোষাগার হিসেবে বায়তুল মাল পুনর্গঠন নীতির প্রতিফলন লক্ষণীয়।

হযরত ওমর (রা) ছিলেন জনকল্যাণকামী ও ন্যায়ের উজ্জ্বল আদর্শ। খলিফা হিসেবে তিনি ইসলামের আদর্শকে ধারণ করে সর্বদা জনকল্যাণে ব্রতী হয়েছেন। তাই খিলাফতে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি যাকাতভিত্তিক অর্থব্যবস্থা গড়ে তোলেন। তিনি ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার সরকারি কোষাগার হিসেবে বায়তুল মালকে পুনর্গঠন করেন। বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে রাষ্ট্রীয় খরচ বাদে উদ্বৃত্ত অর্থ বায়তুল মাল বা কেন্দ্রীয় অর্থ তহবিলে জমা করা হতো। এ অর্থই বিভিন্ন খাতে সরকারিভাবে বণ্টন করা হতো। উল্লিখিত নীতিরই প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উদ্বৃত্ত অর্থ বিষয়ে অধ্যক্ষের নেওয়া পদক্ষেপে।
কলেজের নতুন অধ্যক্ষ কলেজের ব্যয়ভার বহনের জন্য একটি আর্থিক ফান্ড গড়ে তোলেন। এ ফান্ডে তিনি কলেজের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত অর্থ জমা রাখেন এবং এ অর্থ কলেজের উন্নয়ন ও বৃত্তি হিসেবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বণ্টন করেন। একইভাবে হযরত ওমর (রা) বায়তুল মাল সংস্কার ও পুনর্গঠন করে সকল প্রদেশে এর শাখা প্রতিষ্ঠা করেন। বায়তুল মাল প্রধানত তিন প্রকারের ছিল। ক. বায়তুল মাল আল খাস-এটি ছিল শাসক ও অভিজাতদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। খ. বায়তুল মাল আল আম-এটি খিলাফতের রাষ্ট্রীয় বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ছিল। গ. বায়তুল মাল আল মুসলেমিন- এটি ছিল ইসলামি রাষ্ট্রের দ্বিতীয় রাজকোষাগার। বায়তুল মালের এ শাখা সমাজকল্যাণমূলক কাজ, যেমন-রাস্তাঘাট, সেতু, মসজিদ, মাদ্রাসা নির্মাণ, এতিম ও দরিদ্রের সাহায্যদান ইত্যাদি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত।
পরিশেষে বলা যায়, জনকল্যাণকামী চিন্তা-চেতনা ও কর্মকান্ডের দিক দিয়ে অধ্যক্ষের গৃহীত 'উদ্বৃত্ত অর্থ' বিষয়ক পদক্ষেপটি হযরত ওমর (রা)-এর বায়তুল মাল নীতির আংশিক প্রতিফলন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
93
উত্তরঃ

সাহাবিদের দ্বারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ওসমান (রা) খলিফা নির্বাচিত হন।
খলিফা নির্বাচনের জটিলতা এড়াতে হযরত ওমর (রা) মৃত্যুর পূর্বে একটি নির্বাচনি পরিষদ গঠন করেন। যার সদস্য ছিলেন হযরত ওসমান (রা), হযরত আলী (রা), তালহা, যুবাইর, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস ও আবদুর রহমান। হযরত ওমর (রা)-এর মৃত্যুর পর (৬৪৪ খ্রি.) খলিফা নির্বাচন নিয়ে একটি বৈঠক বসে। তালহা এ সময় মদিনায় উপস্থিত ছিলেন না এবং আব্দুর রহমান খিলাফতের গুরুভার নিতে সম্মত ছিলেন না। আব্দুর রহমান, যুবাইর, ওসমান ও আলীকে সমর্থন করেন। অন্যদিকে, সাদ ওসমানকে, ওসমান আলীকে এবং আলী ওসমানকে সমর্থন করেন। ফলে এক ভোট বেশি পেয়ে হযরত ওসমান ৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দে মুসলিম বিশ্বের তৃতীয় খলিফা নির্বাচিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
92
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews