কিশোর অনিকের লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগ নেই। প্রায়ই সে স্কুল পালায়। বাবা-মা এমনকি শিক্ষকের কথাও শোনে না। তার বাবা ও মা উভয়ই নিজেদের চাকরি নিয়ে এত ব্যস্ত থাকেন যে অনিকের দিকে খেয়াল করার সময় পান না। দিন দিন অনিক বন্ধু-বান্ধবের দিকে ঝুঁকে পড়ছে ও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ভালো ও সৎ মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করতে হয়।

উত্তরঃ

১১-১৮ বছর পর্যন্ত সময়কে কৈশোরকাল বলে। 

কৈশোরকাল মানব জীবনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। কারণ এ সময়ে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন খুব দ্রুত হয়। এ সময়ে একটি ছেলে বা মেয়েকে এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে হয়। এ সময় হলো শৈশব থেকে প্রাপ্ত বয়সে যাওয়ার সময়কাল।

উত্তরঃ

অনিকের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার কারণ হলো সঠিক যত্ন ও সচেতনতার অভাব।

কৈশোরকাল হলো শৈশব থেকে প্রাপ্ত বয়সে যাওয়ার সময়কাল। এ সময় শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক পরিবর্তনও খুব দ্রুত হয়। সঠিক পরিচর্যা ও সচেতনতার অভাবে ছেলে-মেয়েরা এ বয়সে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ে।

অনিকের বাবা-মা চাকরিজীবী। তারা অনিকের প্রতি যত্নশীল নয়। অনিককে তারা পর্যাপ্ত সময় দেন না। এমন কি অনিক কী করে সারাদিন সময় কাটায় তারা সে খোঁজখবরও নেন না। ফলে অনিক বন্ধু বান্ধবের সাথেই সময় অতিবাহিত করে। অসৎ সঙ্গে মিশে অনিক নানা অপরাধের সাথে যুক্ত হয়ে পড়ছে। মূলত মা-বাবার শিশু পালন পদ্ধতিতে ঘাটতি হলে, সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় না দিলে অনিকের মতো ছেলেদের অপরাধে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

উত্তরঃ

সঠিক যত্ন ও মা-বাবার সচেতনতার অভাবে অনিক কিশোর অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। 

সাধারণত ভগ্ন পরিবার, পারিবারিক কলহ, বাবা-মার উদাসীনতা, সন্তান প্রতিপালন পদ্ধতি সঠিক না হওয়া, বংশগত কারণে একটি শিশু অপরাধের সথে যুক্ত হতে পারে। এ ধরনের শিশুদের যদি শাস্তি না দিয়ে সংশোধন করা হয় তবে তাদের অপরাধ জগৎ থেকে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়।

অনিককে যদি তার বাবা-মা যথেষ্ট সময় দিতেন, তার চাহিদাগুলো পূরণ করতেন; তার সমস্যাগুলো শুনতেন ও সমাধানের চেষ্টা করতেন তবে অনিক পরিবার থেকে দূরে সরে বন্ধু-বান্ধবের সাথে বেশি সময় কাটাতো না। সে ঠিকমতো স্কুলে যাচ্ছে কিনা তাও যদি তারা লক্ষ রাখতেন ও তাকে সঠিক উপায়ে প্রতিপালন করতেন তবে অনিক আজ অপরাধের সাথে যুক্ত হতো না। এ কারণে অনিকের বাবা মায়ের উচিত তাকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া। সঠিক পদ্ধতিতে তাকে প্রতিপালন করা। সব সময় অনিকের সমস্যাগুলো শোনা ও বন্ধুর মতো পাশে থেকে তার চাহিদাগুলো পূরণে সাহায্য করা।

উপরিউক্ত উপায়সমূহ অবলম্বন করলে অনিক কিশোর অপরাধের সাথে যুক্ত হতো না বলে আমি মনে করি।

127

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

829
উত্তরঃ

কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে। 

কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।

1.1k
উত্তরঃ

ইমন কৈশোরকালে অবস্থান করছে। 

ইমন মাঝে মাঝে স্কুল পালায় ও ক্লাসে অমনোযোগী থাকে। তার বয়সী অন্যান্য ছেলেমেয়েরাও এ বয়সে নানা কারণে অপরাধী হয়ে ওঠে। এর কারণগুলো হলো- 

১. পরিবারে বাবা-মায়ের দাম্পত্য কলহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ শিশুদের মনে বিষণ্ণতা তৈরি করে তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলে।

২. পিতামাতার কঠোর শাসন, অতিরিক্ত ভালোবাসা, অযত্ন, অবহেলা, ইত্যাদি।

৩. পড়াশোনায় ব্যর্থতা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, সমবয়সীদের প্রভাব। 

৪. পরিবারে নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খলার অভাব হলে। 

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, পিতামাতার সঠিক পদ্ধতিতে সন্তান পরিচালনা, ভগ্ন পরিবার, পারিবারিক বন্ধনের অভাবই এ বয়সী ছেলেমেয়েদের অপরাধী হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ।

486
উত্তরঃ

ইমন ১৩ বছর বয়সী কিশোর। তার বাবা-মায়ের মধ্যে সুসম্পর্ক না থাকায় তারা দুজন আলাদা বসবাস করেন। ফলে ইমন বাবা-মায়ের অবহেলায় বেড়ে উঠছে। বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে নিয়ম শৃঙ্খলার অভাবে সে স্কুলে অমনোযোগী হয়ে পড়ে এবং কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। নিম্নলিখিত উপায়ে তার অপরাধ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। যেমন-

১. ইমনের সাথে তার মা-বাবার বন্ধন দৃঢ় করে। 

২. পরিবারের সবার মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক তৈরি করে। 

৩. পরিবারের ভাঙ্গন রোধ করে।

৪. ইমনের বাবা-মার মধ্যে সমঝোতার সম্পর্ক গড়ে তুলে। 

৫. ইমনের বাবা-মার ইমনের প্রতি আরো যত্নশীল হওয়ার মাধ্যমে। 

৬. তার স্কুলে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না তা খোঁজ নেওয়া ও প্রয়োজনে শিক্ষকের সাথে পরামর্শ করে। 

এ সকল বিষয় ছাড়াও ইমনেরও কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। যেমন- ভালো বন্ধু দল নির্বাচন, নিয়ম ভঙ্গকারীকে খারাপ বন্ধু হিসেবে চিনে নেওয়া ইত্যাদি।

572
উত্তরঃ

কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

226
উত্তরঃ

কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে। 

কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।

303
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews