কীভাবে উল্লিখিত সমস্যা তুমি সমাধান করবে-বিশ্লেষণ করো।

Updated: 1 week ago
উত্তরঃ

উল্লিখিত মাছটি হলো রুই মাছ। বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এ রূপালি সম্পদ আজ হুমকির মুখে।
রুই মাছকে রক্ষা করতে অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও প্লাবনভূমির প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্রগুলোকে মাছের অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা এবং প্রজনন ঋতুতে (জুন-জুলাই মাসে) সেখানে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা উচিত। অতিমাত্রায় রুই মাছ আহরণ বন্ধ করা এবং ডিমওয়ালা মাছ ও পোনা মাছ নিধন বন্ধ করা উচিত। সাধারণত ৯ ইঞ্চির নিচে যাতে বাজারে রুই মাছ বিক্রি না করা হয় সে ব্যাপারে লক্ষ রাখতে হবে। পরিকল্পিত উপায়ে বাঁধ ও সড়ক নির্মাণ করা উচিত যাতে মাছের বিচরণ ক্ষেত্র নষ্ট না হয়। জলাশয় সংলগ্ন জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। একই জলাশয়ে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ চাষের জন্য 'চাষীদেরকে প্রণোদনা দিতে হবে। সেচ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ ও পানি দূষণ রোধ করা উচিত। যেহেতু চট্টগ্রামের হালদা নদী থেকে রুই মাছের ডিম সরাসরি সংগ্রহ করা হয়, সেহেতু এ নদী সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং দূষণ মুক্ত রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি জনসচেতনতা তৈরি ও মৎস্য আইন প্রণয়ন ও যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে।
রুই মাছ রক্ষা করা সম্ভব হলে দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বৈদেশিক রপ্তানিও বৃদ্ধি করা যাবে।

4

ইথোলজিঃ উদ্দীপকের প্রতি সাড়া দেওয়া প্রতিটি জীবের বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাপেক্ষে একটি প্রাণীর সাড়া দেওয়া বা প্রতিক্রিয়াকে প্রাণীর আচরণ বলে। সম্পূর্ণ দেহের সঞ্চালন বা অংশবিশেষের সঞ্চালন, দেহভঙ্গি, মুখের ভঙ্গি, স্বর উৎপাদন ভঙ্গি এমনকি বর্ণের পরিবর্তন, গন্ধ সৃষ্টি প্রভৃতি আচরণের অন্তর্গত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাণীর আচরণ

সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে আচরণবিদ্যা বা ইথোলজি (Ethology; একি ethos = আচরণ এবং logos=জ্ঞান) বলে। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রবাহমান পানির প্রতি প্রাণীর সাড়া প্রদানের প্রক্রিয়াই হলো রিওট্যাক্সিস।

10
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় কোনো প্রাণী নিজেদের জীবন বিপন্ন করে হলেও তার দলের অন্য সদস্যদেরকে সহায়তা করে তাকে পরার্থপরতা বা অ্যালটুইজম বলে। এ ধরনের আচরণ প্রাণীরা নিজ দায়িত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ মানুষের ক্ষেত্রে ভাই বা বোনের জীবন বাঁচাতে পানিতে/আগুনে ঝাঁপ দেওয়া, অঙ্গ প্রদান (চোখ, কিডনি) ইত্যাদি।

8
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A তে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো পাখি। পাখির বিশেষ স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি হলো পরিযান। নিচে পরিযান প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা
হলো-

পরিযান বলতে প্রাণীদের একস্থান হতে অন্যস্থানে গমনকে বোঝায়। সাধারণত প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা, খাদ্যপ্রাপ্তি ও প্রজননের জন্য প্রাণীরা পরিযান করে থাকে। পরিযান পাখির একটি সহজাত আচরণ। আবহাওয়ার পরিবর্তন, খাদ্যাভাব, প্রজননগত সমস্যা ইত্যাদি কারণে পাখিরা পরিযানে উদ্দীপিত হয়। পরিযান সাধারণত দু'রকম হয়ে থাকে যথা- অক্ষাংশিক পরিযান ও উলম্বিক পরিযান। উত্তর থেকে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ থেকে উত্তর গোলার্ধে পরিযানকে অক্ষাংশিক পরিযান বলে। যেমন- শীতকালে সাইবেরিয়ায় প্রচণ্ড তুষারপাত ঘটে তাই সেখানকার পাখিরা বাংলাদেশে পরিযান করে। আবার নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে পাখিরা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে পাহাড়ের চূড়ায় পরিযান ঘটায় যাকে উলম্বিক পরিযান বলে। সাধারণত পরিযায়ী পাখিরা তাদের দিক নির্দেশক হিসেবে পৃথিবীর চুম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে থাকে। প্রায় সকল পরিযায়ী পাখি বছরের পর বছর একই পথ অনুসরণ করে। এসব পাখিরা চেনা যায় এমন স্থান, সূর্য, তারকারাজি, চাঁদ ইত্যাদিকে পথ চেনার কাজে লাগায় এবং পূর্বের বাসস্থানে ফিরে যায়।

8
উত্তরঃ

উদ্দীপকের B-তে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো তিন কাঁটা স্টিকলব্যাক মাছ। স্টিকলব্যাক মাছের অপত্য লালন নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
সাধারণত তিন-কাঁটা স্টিকলব্যাক ছোট ছোট দলে ঝাঁক বেধে ঘোরে। যৌন পরিপক্কতা এলে পুরুষ মাছ দলহীন হয়ে উপকূলবর্তী অগভীর পানির জলাশয়ে নিজস্ব বিচরণ পরিসীমা নির্ধারণ করে সতর্ক পাহারায় নিযুক্ত থাকে। বিচরণ পরিসীমা প্রতিষ্ঠার পর সেখানে বাসা নির্মাণ শুরু করে। এরপর পুরুষ মাছ জিগ-জ্যাগ নৃত্য প্রদর্শনের মাধ্যমে স্ত্রী মাছকে আকৃষ্ট করে ডিম পাড়তে উদ্বুদ্ধ করে। ডিম পাড়া শেষ হলে পুরুষ মাছ ডিমগুলোকে নিষিক্ত করে এবং ডিমের দেখা শোনা আরম্ভ করে। নীড় ও নীড়ের ভেতর থাকা নিষিক্ত ডিমগুলো থেকে সুস্থ পোনা উৎপাদন, রক্ষা, যত্ন নেওয়া ও সবশেষে নিরাপদে পরিবেশে ফিরে যাওয়া অনুকূলে রাখতে পুরুষ মাছ সদা ব্যস্ত থাকে। এ সময় বাসার কাছে নিজ প্রজাতির সদস্যসহ কোনো মাছ বা ক্ষতিকর প্রাণীর প্রবেশ রোধ করতে মাছ সদা তৎপর থাকে। ডিম ফোটার অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য স্টিকলব্যাক এক অদ্ভুত আচরণ করে। বাসায় প্রবেশ পথের সামনে মাথা নিচু করে তির্যকভাবে অবস্থান নিয়ে বক্ষপাখনা সামনের দিকে সঞ্চালিত করে। এভাবে অক্সিজেন চাহিদা নিশ্চিত, করতে পানিস্রোত অব্যাহত রাখে। এ প্রক্রিয়ার নাম ফ্যানিং। ৭-৮ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে পোনা বের হয়ে আসে। তখন পোনাগুলো পাহারা দেওয়ার জন্য পুরুষ মাছটি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে। পোনার দল থেকে কিছু পোনা দলছুট হলে পুরুষ মাছটি দ্রুত সেগুলোকে মুখে তুলে এনে আবার মূল দলে ছেড়ে দেয়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর পোনাগুলো ঝাঁক বেধে চলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে পুরুষ মাছটি তখন নিজ সঙ্গীদের কাছে ফিরে যায়। এভাবে স্টিকলব্যাক মাছ অপত্যের প্রতি যত্ন নেয়।

8
উত্তরঃ

দেহের প্রতিরক্ষা তন্ত্র থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট-অ্যান্টিজেনকে ধ্বংস করে তাই হলো অ্যান্টিবডি।

10
উত্তরঃ

রজঃচক্র হলো বয়োঃপ্রাপ্ত মারীর নির্দিষ্ট সময় পর পর জরায়ু থেকে রক্ত, মিউকাস, এন্ডোমেট্রিয়ামের ভগ্নাংশ ও ধ্বংসপ্রাপ্ত অনিষিক্ত ডিম্বাণুর চক্রীয় নিষ্কাশন। স্ত্রী যৌনচক্রের সময় জরায়ুর প্রাচীরে যেসব ধারাবাহিক ও চক্রাকার পরিবর্তন ঘটে তাকে জরায়ু চক্র বলে। প্রতিবার জরায়ুচক্র শেষে রক্তসহ মিউকাস ও অন্যান্য পদার্থ যোনীপথে বের হয়ে যায়। একে রজঃস্রাব বলে। ২৮ দিন পর পর একটি জরায়ু চক্র শেষে আবার নতুন করে রজঃস্রাব হয়।

8
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews