কার্ডের লেখা নিয়ে মুশকিল দেখা দিল। খুশি আপা বললেন, 'বিশেষ দিন, ঘটনা বা উৎসবে কার্ড দেওয়া হয়। তাই উপলক্ষ্য অনুযায়ী কার্ডে কথা লেখা যায়।'
Related Question
View Allস্কুলের টিফিনের সময় রাশেদ, ঝিমিত, ঐশী আর তিথি কথা বলছিল। রোশান মিতুর জন্মদিনের কথা জানাল।
খুশি আপা একটা ব্যাগ নিয়ে ক্লাসে ঢুকলেন। তিনি একটা মজার কাজ শুভেচ্ছা কার্ড বানানোর কথা বললেন।
শুভেচ্ছা কার্ড হলো একধরনের নকশা করা কার্ড যাতে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানানো হয়ে থাকে। এটি নানা আকারের হয়ে থাকে।
বিশেষ দিনে 'শুভকামনা' জানিয়ে শুভেচ্ছা কার্ড দেওয়া হয়। নববর্ষ, ঈদ, জন্মদিন কিংবা অন্য কোনো উৎসব ও অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে এ কার্ড দেওয়া হয়।
শুভেচ্ছা কার্ড বানানোর জন্য প্রথমে একটি বড়ো মোটা কাগজ আকার অনুযায়ী কেটে নিতে হয়। পাতলা রঙিন কাগজ কেটে ফুল, লতা, পাতা বানিয়ে তাতে আঠা দিয়ে লাগাতে হয়। তবে রঙিন কলম দিয়ে আঁকলেও হবে। পরে কার্ডের মাঝখানে উপলক্ষ্য অনুযায়ী অল্প কথায় শুভেচ্ছা জানিয়ে কিছু লিখতে হয়। এভাবেই শুভেচ্ছা কার্ড বানাতে হয়।
খুশি আপা শুভেচ্ছা কার্ড বানানোর জন্য সবাইকে কয়েকটি দলে ভাগ করে দিলেন। এরপর তিনি মোটা কাগজ, রঙিন কাগজ, কাঁচি, রঙিন কলম, আঠা ইত্যাদি দিলেন। প্রতিটি দল কার্ড বানানো শুরু করল। সব দলের কার্ড বানানো হয়ে গেলে খুশি আপা দেখেন একটাতে লেখা- 'মিতুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা'। অন্য একটাতে লেখা- 'মিতুর সামনের দিনগুলো আরও সুন্দর হোক'। এগুলো দেখেই খুশি আপা অবাক হন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!