কী শুনে ছোট রানি অজ্ঞান হয়ে পড়ে রইল? বুঝিয়ে লেখ।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

সন্তান হওয়ার বদলে ছোট রানির কাঁকড়া ও ইঁদুর হয়েছে- এ কথা শুনে ছোট রানি অজ্ঞান হয়ে গেল।

রাজার কোনো সন্তান নেই বলে সবসময় তার মনে দুঃখ ছিল। অনেক দিন পর হঠাৎ ছোট রানির সন্তান হওয়ার কথা শুনে পুরো রাজ্যে আনন্দের ঢল নামে। কিন্তু রাজার বড় রানিরা এই সংবাদে মোটেই খুশি ছিল না। সন্তান হওয়ার দিন ছোট রানি কী সন্তান হয়েছে তা জানতে চাইলে বড় রানিরা জানায় তার পেট থেকে কাঁকড়া ও ইঁদুরের ছানা হয়েছে। এমন সংবাদ শুনে ছোট রানি অজ্ঞান হয়ে পড়ে রইল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
324

১.
এক রাজার সাত রানি। দেমাকে বড়ো রানিদের মাটিতে পা পড়ে না। ছোটো রানি খুব শান্ত। এই জন্য রাজা ছোটো রানিকে সকলের চাইতে বেশি ভালোবাসিতেন।
কিন্তু, অনেক দিন পর্যন্ত রাজার ছেলেমেয়ে হয় না। এত বড়ো রাজ্য, কে ভোগ করিবে? রাজা মনের দুঃখে থাকেন।

এইরূপে দিন যায়। কতদিন পরে- ছোটোরানির ছেলে হইবে। রাজার মনে, আনন্দ আর ধরে না; পাইক-পিয়াদা ডাকিয়া, রাজা, রাজ্যে ঘোষণা করিয়া দিলেন- 'রাজা রাজভান্ডার খুলিয়া দিয়াছেন, মিঠাইমণ্ডা মণি-মানিক যে যত পার, আসিয়া নিয়া যাও।'
বড়োরানিরা হিংসায় জ্বলিয়া মরিতে লাগিল।
রাজা আপনার কোমরে, ছোটোরানির কোমরে, এক সোনার শিকল বাঁধিয়া দিয়া বলিলেন, 'যখন ছেলে হইবে, এই শিকলে নাড়া দিয়ো, আমি আসিয়া ছেলে দেখিব!' বলিয়া রাজা রাজদরবারে গেলেন।
ছোটোরানির ছেলে হইবে, আঁতুড়ঘরে কে যাইবে? বড়োরানিরা বলিলেন, 'আহা ছোটোরানির ছেলে হইবে, তা অন্য লোক দিব কেন? আমরাই যাইব।'
বড়োরানিরা আঁতুড়ঘরে গিয়াই শিকলে নাড়া দিলেন। অমনি রাজসভা ভাঙিয়া, ঢাক-ঢোলের বাদ্য দিয়া, মণি-মানিক হাতে ঠাকুর-পুরুত সাথে, রাজা আসিয়া দেখেন- কিছুই না!
রাজা ফিরিয়া গেলেন।
রাজা সভায় বসিতে না-বসিতেই আবার শিকলে নাড়া পড়িল।
রাজা আবার ছুটিয়া গেলেন। গিয়া দেখেন, এবারও কিছুই না। মনের কষ্টে রাজা রাগ করিয়া বলিলেন, 'ছেলে না-হইতে আবার শিকল নাড়া দিলে, আমি সব রানিকে কাটিয়া ফেলিব।' বলিয়া রাজা চলিয়া গেলেন।
একে একে ছোটোরানির সাতটি ছেলে একটি মেয়ে হইল। আহা ছেলেমেয়েগুলি যে-চাঁদের পুতুল-ফুলের কলি।
আঁকুপাঁকু করিয়া হাত নাড়ে, পা নাড়ে- আঁতুরঘর আলো হইয়া গেল।
ছোটোরানি আস্তে আস্তে বলিলেন, 'দিদি, কী ছেলে হইল একবার দেখাইলি না!'
বড়োরানিরা ছোটোরানির মুখের কাছে রঙ্গ-ভঙ্গি করিয়া হাত নাড়িয়া, নথ নাড়িয়া, বলিয়া উঠিল, 'ছেলে না, হাতি হইয়াছে- ওর আবার ছেলে হইবে! -কয়টা ইঁদুর আর কয়টা কাঁকড়া হইয়াছে।'
শুনিয়া ছোটোরানি অজ্ঞান হইয়া পড়িয়া রহিলেন।
নিষ্ঠুর বড়োরানিরা আর শিকলে নাড়া দিল না। চুপিচুপি হাঁড়ি-সরা আনিয়া, ছেলেমেয়েগুলিকে তাহাতে পুরিয়া, পাঁশগাদায় পুঁতিয়া ফেলিয়া আসিল। আসিয়া, তাহার পর শিকল ধরিয়া টান দিল।
রাজা আবার ঢাক-ঢোলের বাদ্য দিয়া, মণি-মানিক হাতে ঠাকুর-পুরুত সঙ্গে আসিলেন; বড়োরানিরা হাত মুছিয়া, মুখ মুছিয়া তাড়াতাড়ি করিয়া কতকগুলি ব্যাঙের ছানা, ইঁদুরের ছানা আনিয়া দেখাইল।
দেখিয়া, রাজা আগুন হইয়া, ছোটোরানিকে রাজপুরীর বাহির করিয়া দিলেন।

বড়োরানিদের মুখে আর হাসি ধরে না; পায়ের মলের বাজনা থামে না, সুখের কাঁটা দূর হইল; রাজপুরীতে আগুন দিয়া, ঝগড়া-কোন্দল সৃষ্টি করিয়া, ছয় রানিতে মনের সুখে ঘরকন্না করিতে লাগিলেন।
পোড়াকপালি ছোটোরানির দুঃখে গাছ-পাথর ফাটে, নদী-নালা শুকায়- ছোটোরানি ঘুঁটে-কুড়ানি দাসী হইয়া, পথে পথে ঘুরিতে লাগিলেন।

২.
এমনি করিয়া দিন যায়। রাজার মনে সুখ নাই, রাজার রাজ্যে সুখ নাই- রাজপুরী খাঁ খাঁ করে, রাজার বাগানে ফুল ফোটে না, রাজার পূজা হয় না।
একদিন মালি আসিয়া বলিল, 'মহারাজ, নিত্যপূজার ফুল পাই না, আজ যে, পাঁশগাদার উপরে, সাত চাঁপা এক পারুল গাছে, টুলটুলে সাত চাঁপা আর এক পারুল ফুটিয়া রহিয়াছে।'
রাজা বলিলেন, 'তবে সেই ফুল আন, পূজা করিব।'
মালি ফুল আনিতে গেল।
মালিকে দেখিয়া পারুলগাছে পারুলফুল চাঁপাফুলদিগে ডাকিয়া বলিল, 'সাত ভাই চম্পা জাগ রে!'
অমনি সাত চাঁপা নড়িয়া উঠিয়া সাড়া দিল-
'কেন বোন পারুল ডাক রে?'
পারুল বলিল,
'রাজার মালি এসেছে, পূজার ফুল দিবে কি না দিবে?'
সাত চাঁপা তুরতুর করিয়া উপরে উঠিয়া গিয়া ঘাড় নাড়িয়া বলিতে লাগিল, 'না দিব, না দিব ফুল, উঠিব শতেক দূর, আগে আসুক রাজা, তবে দিব ফুল!'
দেখিয়া শুনিয়া মালি অবাক হইয়া গেল। ফুলের সাজি ফেলিয়া, দৌড়িয়া গিয়া, রাজার কাছে খবর দিল।
আশ্চর্য হইয়া, রাজা, রাজসভার সকলে সেইখানে আসিলেন।

৩.
রাজা আসিয়া ফুল তুলিতে গেলেন, অমনি পারুলফুল চাঁপাফুলদিগে ডাকিয়া বলিল,
'সাত ভাই চম্পা জাগ রে!'
চাঁপারা উত্তর দিল, 'কেন বোন পারুল ডাক রে?'
পারুল বলিল, 'রাজা আপনি এসেছেন, ফুল দিবে কি না দিবে?'
চাঁপারা বলিল, 'না দিব, না দিব ফুল, উঠিব শতেক দূর, আগে আসুক রাজার বড়োরানি তবে দিব ফুল!'
বলিয়া, চাঁপাফুলেরা আরও উঁচুতে উঠিল।
রাজা বড়োরানিকে ডাকাইলেন। বড়োরানি, মল বাজাইতে বাজাইতে আসিয়া ফুল তুলিতে গেল। চাঁপাফুলেরা
বলিল,
'না দিব, না দিব ফুল, উঠিব শতেক দূর,
আগে আসুক রাজার মেজোরানি তবে দিব ফুল!'

তাহার পর মেজো রানি আসিলেন, সেজো রানি আসিলেন, নোয়া রানি আসিলেন, কনে রানি আসিলেন কেহই ফুল পাইলেন না। ফুলেরা গিয়া আকাশে তারার মতো ফুটিয়া রহিল।
রাজা গালে হাত দিয়া মাটিতে বসিয়া পড়িলেন।
শেষে দুয়োরানি আসিলেন; তখন ফুলেরা বলিল,
'না দিব, না দিব ফুল, উঠিব শতেক দূর,
যদি আসে রাজার ঘুঁটে-কুড়ানি দাসী,
তবে দিব ফুল।'

তখন খোঁজ-খোঁজ পড়িয়া গেল। রাজা চৌদোলা পাঠাইয়া দিলেন, পাইক বেহারারা চৌদোলা লইয়া মাঠে গিয়া ঘুঁটে-কুড়ানি দাসী ছোটোরানিকে লইয়া আসিল।
ছোটোরানির হাতে পায়ে গোবর, পরনে ছেঁড়া কাপড়, তাই লইয়া তিনি ফুল তুলিতে গেলেন। অমনি সুড়সুড় করিয়া চাঁপারা আকাশ হইতে নামিয়া আসিল, পারুল ফুলটি গিয়া তাদের সঙ্গে মিশিল; ফুলের মধ্য হইতে সুন্দর সুন্দর চাঁদের মতো সাত রাজপুত্র এক রাজকন্যা 'মা' 'মা' বলিয়া ডাকিয়া, ঝুপঝুপ করিয়া ঘুঁটে-কুড়ানি দাসী ছোটোরানির কোলে-কাঁখে ঝাঁপাইয়া পড়িল।
সকলে অবাক! রাজার চোখ দিয়া ঝরঝর করিয়া জল গড়াইয়া গেল। বড়োরানিরা ভয়ে কাঁপিতে লাগিল।
রাজা তখনি বড়োরানিদিগকে কঠিন শাস্তি দিয়া সাত রাজপুত্র, পারুল-মেয়ে আর ছোটোরানিকে লইয়া রাজপুরীতে গেলেন।
রাজপুরীতে জয়ডঙ্কা বাজিয়া উঠিল।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্দীপকের পারুল 'সাত ভাই চম্পা' গল্পের ছোট রানি চরিত্রের প্রতিনিধি।

অন্যায় করলে মানুষকে শাস্তি পেতে হয়। কিন্তু অনেক সময় এমনও হয়, কোনো অন্যায় না করেও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে শাস্তি পেতে হয়। শুধু প্রমাণের অভাবে দিনের পর দিন শাস্তির এই বোঝা মাথায় নিয়ে ঘুরতে হয়। আর যখন প্রমাণিত হয়, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়।

উদ্দীপকে রাজার হুকুমে পারুলের বনবাস হয়। কেউ রাজার হুকুমের অবাধ্য হতে পারে না বলে পারুলকে বনবাসে যেতে হয়। জন-প্রাণীহীন গভীর অরণ্যে পারুল একাকী দিন কাটায়। 'সাত ভাই চম্পা' গল্পে বড় রানিদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয় ছোট রানি। আর রাজা তাকে ভুল বুঝে রাজপুরীর বাইরে বের করে দেন। রাজপুরীর বাইরে 'অত্যন্ত দুঃখে ছোট রানির দিন কাটে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পারুল 'সাত ভাই চম্পা' গল্পের ছোট রানি চরিত্রের প্রতিনিধি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
192
উত্তরঃ

"উদ্দীপকটি কেবল 'সাত ভাই চম্পা' গল্পের একটি দিকের ধারক, পুরোটির নয়।”- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষের জীবনে নানান সময় নানা রকমের ঘটনা ঘটে। কোনো কোনো ঘটনার ওপর তাদের নিজেদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এরপরও সেই ঘটনার জন্য দিনের পর দিন ভুগতে হয় সেই ব্যক্তিকে। তখন তাকে নিয়তি বলে মেনে নেওয়া ছাড়া অন্য কিছুই করার থাকে না।

উদ্দীপকে দেখা যায়, রাজার হুকুমে পারুলের বনবাস হয়। বনে গিয়ে পারুলের একাকী দিন কাটে। কেবল পরীরা তার সঙ্গী হয়। 'সাত ভাই চম্পা' গল্পে বড় রানিরা হিংসা করে ছোট রানিকে রাজার সামনে অপরাধী করে। ছোট রানির সাত ছেলে এক মেয়ে হলেও বড় রানিরা রাজাকে মিথ্যা কথা বলে। তারা রাজাকে জানায়, ছোট রানির ব্যাঙের ছানা ও ইঁদুরের ছানা হয়েছে। একথা জানতে পেরে রাজা ছোট রানিকে রাজপুরীর বাইরে বের করে দেন। অনেক দিন পরে ছোট রানি নির্দোষ প্রমাণিত হয়।

উদ্দীপকে শুধু পারুলের বনবাসের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে পারুলের অপরাধ বা তার নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার কোনো ঘটনা ফুটে ওঠেনি। কিন্তু 'সাত ভাই চম্পা' গল্পে ছোট রানির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, তার শাস্তি হওয়া এবং শেষপর্যন্ত তার নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার দিকটিও প্রকাশ হয়েছে। এসব বিষয় উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
153
উত্তরঃ

ছোট রানির বাচ্চা হওয়ার কথা শুনে বড় রানিরা হিংসায় জ্বলে গেল।

রাজার মনে দুঃখ ছিল ভীষণ। কারণ তার কোনো ছেলেমেয়ে ছিল না। অনেক দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ছোট রানির বাচ্চা হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ল। রাজা এই খবর শুনে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন এবং রাজভাণ্ডার খুলে দিলেন সাধারণ মানুষের জন্য। ছোট রানির এমন সুসংবাদ শুনে এবং রাজার খুশি দেখে বড় রানিরা হিংসায় জ্বলে গেল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
189
উত্তরঃ

উদ্দীপকের উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে 'সাত ভাই চম্পা' গল্পের রাজার 'সন্তান দেখার সময়কার আনন্দ আয়োজনের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

আমাদের দেশে যেকোনো উপলক্ষ বরণ করা বা উদ্যাপন করার প্রচলন রয়েছে। আবহমানকাল থেকেই দেখা যায়, আনন্দঘন যেকোনো মুহূর্তকেই আরও বেশি বর্ণিল করতে বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। আর এ আয়োজন এবং তা পালন করাই মূলত উদ্যাপন।

উদ্দীপকে একধরনের উদ্যাপনের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। সবাই মিলে একসঙ্গে বাদ্য বাজিয়ে, মন্ত্র পাঠ করে জয়ধ্বনি করছে। আনন্দঘন মুহূর্তের আমেজ প্রকাশ পেয়েছে উদ্দীপকে। 'সাত ভাই চম্পা' গল্পে রাজা যখন প্রথমবার তার ছেলে হওয়ার খবর শুনেছিলেন, তখন এভাবেই দলবল নিয়ে বাদ্য বাজিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিল মণি-মানিক হাতে রাজ্যের ঠাকুর-পুরুত। ছোট রানির সন্তান হওয়ার মতো মুহূর্তকে আরও সুন্দর করে তুলতেই রাজার এই আয়োজন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে 'সাত ভাই চম্পা' গল্পের রাজার সন্তান দেখার সময়কার আনন্দ আয়োজনের দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
98
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews