আলোর প্রতিসরণের ফলে রুমার পর্যবেক্ষণকৃত পেনসিলটি ছোট মোটা ও বাঁকা দেখায়।
ব্যাখ্যা: পেনসিলটির যে অংশ পানিতে নিমজ্জিত হয়। সেই অংশের কোনো বিন্দু থেকে আলোকরশ্মি পানি থেকে বায়ু অর্থাৎ ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে আমাদের চোখে পৌঁছায়। সুতরাং প্রতিসরণের নিয়ম অনুযায়ী মাধ্যম দুটির
বিভেদ তল AB তে আলোকরশ্মি প্রতিসরিত হয়ে অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। ফলে এরূপ পানিতে নিমজ্জিত অংশের যেকোনো অংশই খানিকটা উপরে উঠে আছে বলে মনে হয়। ফলে পেনসিলটি বায়ু ও পানির বিভেদতলে বাঁকা দেখায় এবং পানিতে নিমজ্জিত অংশ কিছুটা মোটা দেখায়।
আলোক রশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তীর্যকভাবে আপতিত হলে মাধ্যম পরিবর্তনে এর গতিপথের ভিন্নতা দেখা যায়। এটি হলো আলোর প্রতিসরণ। এই অধ্যায়ে আমরা দৈনন্দিন জীবনে সংঘটিত আলোর প্রতিসরণের বিভিন্ন ঘটনা, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং এর প্রয়োগ হিসাবে অপটিক্যাল ফাইবারের সাথে পরিচিত হব। এছাড়া ম্যাগনিফাইং গ্লাসের কাজ, মানব চক্ষু ও ক্যামেরার কার্যক্রম তুলনা নিয়ে আলোচনা করব।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• দৈনন্দিন জীবনে সংঘটিত প্রতিসরণের ঘটনাগুলো চিত্র অঙ্কন করে ব্যাখ্যা করতে পারব; • পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ব্যাখ্যা করতে পারব; • অপটিক্যাল ফাইবারের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব; • ম্যাগনিফাইং গ্লাসের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব; • চশমার কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব; • ক্যামেরা এবং চোখের কার্যক্রম তুলনা করতে পারব • আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কার্যক্রমে আলোর অবদান উপলব্ধি করতে পারব।