"কুরআন মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসে।"- অনুচ্ছেদের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কুরআন মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসে। যুগে যুগে মানুষ যখনই পাপাচারের অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছে, তখনই আল্লাহ পাক তাদের আলোর দিশা হিসেবে বিভিন্ন কিতাব নাযিল করেছেন। আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) নবুয়তপ্রাপ্তির পূর্বেও আরবের মানুষের জীবন ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন। মূর্তিপূজা, মারামারি, মানুষকে হত্যার মতো জঘন্য পাপাচারে তারা লিপ্ত ছিল। অতঃপর আল্লাহ পাক তাদের হিদায়েতের জন্য পবিত্র কুরআন নাযিল করেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক বলেন, "রমযান মাস, যে মাসে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে যা মানুষের জন্য হিদায়েতস্বরূপ।" কুরআন নাযিলের পূর্বে যে মানুষগুলো জাহিলিয়াতের অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, কুরআন অনুসরণের ফলে তারা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আলোকিত মানুষে রূপান্তরিত হলেন। অতি তুচ্ছ কারণে যারা মানুষ হত্যা করতেও দ্বিধাবোধ করত না, কুরআন অনুসরণের ফলে তারা এতটাই আলোকিত হলেন যে, তাদের ব্যবহারে কেউ যেন ন্যূনতম কষ্ট না পায় সে ব্যাপারে তারা সর্বদা সতর্ক ছিলেন, বর্তমান সময়েও যারা কুরআনকে সঠিকভাবে অনুসরণ করবে তারাও পাপ-পঙ্কিলতাময় অন্ধকারাচ্ছন্ন জীবন থেকে বের হয়ে আলোকিত জীবন লাভ করবে। আর এভাবেই কুরআন মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
104

কুরআন মজিদ হলো মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী। আর মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর বাণী, কর্ম ও মৌনসম্মতিকে বলা হয় হাদিস। কুরআন মজিদ ও হাদিস শরিফ হলো ইসলামের প্রধান দুটি উৎস। মহানবি (স.) বলেছেন, আমি তোমাদের নিকট দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি যা আঁকড়ে ধরলে (মেনে চললে) তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। এ দুটি হলো আল্লাহর কিতাব (আল-কুরআন) ও তাঁর রাসুলের সুন্নত (মুসলিম)।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • আল-কুরআনের পরিচয় ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব।
  • আল-কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব ও ফজিলত ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • তাজবিদ-এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব ও মাখরাজ আয়ত্ত করে বিশুদ্ধভাবে কুরআন পাঠ করতে সক্ষম হবো।
  • কুরআনের নির্ধারিত পাঁচটি সূরা অর্থসহ মুখস্থ বলতে ও মূল বক্তব্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • নির্ধারিত পাঁচটি সূরার পটভূমি (শানে নুযুল) ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • মুনাজাতমূলক (প্রার্থনামূলক) তিনটি আয়াত অর্থসহ বলতে পারব।
  • হাদিসের পরিচয় ও গুরুত্ব এবং নৈতিক গুণাবলি বিষয়ক দুটি হাদিসের অর্থসহ শিক্ষা বর্ণনা করতে পারব।
  • মুনাজাতমূলক দুটি হাদিস অর্থসহ পড়তে, বলতে ও ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হাদিসের আলোকে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

আল্লাহর বাণী- হে আমার প্রতিপালক। আমাকে জ্ঞানে সমৃদ্ধ কর। এটি কুরআনের সূরা ত্বহার ১১৪নং আয়াত। এখানে জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য আল্লাহর দরবারে মুনাজাত করার কথা বলা হয়েছে। জ্ঞানার্জন করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয। কেননা শিক্ষা ও জ্ঞানের মাধ্যমে আমরা আল্লাহ তায়ালাকে চিনতে পারি। তার বিধান জানতে পারি। সুতরাং আমরা ভালো করে লেখাপড়া শিখব। জ্ঞানার্জনে কোনোরূপ অবহেলা করব না। আর সাথে সাথে আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য আল্লাহর নিকট মুনাজাত করব। কেননা মহান আল্লাহই সবকিছুর মালিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
501
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আব্দুর রহিম কুরআন তিলাওয়াতে (শরিয়তের) তাজবিদ সহকারে কুরআন পড়ার বিধানটি পালন হয়নি। কারণ তাজবিদসহ কুরআন তিলাওয়াত করা আল্লাহর নির্দেশ। তাই এটি ওয়াজিবও।

তাজবিদ শব্দের অর্থ উত্তম বা সুন্দর করা। আল-কুরআনের আয়াতসমূহকে উত্তমভাবে বা সুন্দর ও শুদ্ধ করে পড়াকে তাজবিদ বলা হয়। অর্থাৎ আল-কুরআনের প্রতিটি হরফকে মাখরাজ ও সিফাত অনুসারে বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করাকে তাজবিদ বলে।

আব্দুর রহিমের কুরআন তিলাওয়াত ছিল সুমধুর। কিন্তু তা ছিল অশুদ্ধ। যা আল্লাহর বিধানের পরিপন্থী। কেননা তাজবিদ অনুযায়ী কুরআন পড়া আল্লাহ পাকের নির্দেশ। আর শুদ্ধরূপে কুরআন শিক্ষার মাহাত্ম্য অনেক। রাসুল (স.) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি উত্তম যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অপরকে তা শিক্ষা দেয়। সুতরাং আমরা তাজবিদ সহকারে নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
187
উত্তরঃ

প্রদত্ত উদ্দীপকের আব্দুল করিমের কুরআন তিলাওয়াতের পদ্ধতিটি ছিল আল্লাহর নির্দেশের যথাযথ অনুসরণ।

তাজবিদ সহকারে কুরআন পড়া আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ। আর শুদ্ধরূপে কুরআন শিক্ষার ফজিলত অনেক। এ প্রসঙ্গে রাসুল (স.) ইরশাদ করেন- “তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি উত্তম যে নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অপরকে তা শিক্ষা দেয়।

উদ্দীপকের আব্দুল করিমের কণ্ঠস্বর সুমধুর নয়। কিন্তু তিনি দেখে ধীরে ধীরে ও সুস্পষ্টভাবে কুরআন তিলাওয়াত করার আপ্রাণ চেষ্টা করতেন। কেননা তাজবিদ অনুসারী কুরআন পড়া ওয়াজিব, আর না পড়লে গুনাহ হয়। এতে অনেক সময় কুরআনের অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায়। যেমন- সূরা ইখলাসে এসেছে (قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ) বলুন (হে নবি) তিনি আল্লাহ একক ও অদ্বিতীয়। এখানে (قُلْ)শব্দের অর্থ বলুন। আর যদি ও (কাফ)-কে ভুল মাখরাজ থেকে উচ্চারণ করে বলা হয় کُن তাহলে অর্থ বিকৃত হয়ে যায়। কেননা ১৮ শব্দের অর্থ– খাও বা ভক্ষণ কর। ফলে আল কুরআনের অর্থের বিকৃতি ঘটে। যা কোনোভাবেই জায়েয নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
178
উত্তরঃ

হাদিস (اَلْحَدِيثُ)শব্দটি আরবি। এর অর্থ- কথা, বাণী ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
294
উত্তরঃ

পবিত্র কুরআন মজিদ আরবি ভাষায় রচিত। আরবি ভাষায় রয়েছে ২৯টি হরফ বা বর্ণ। প্রত্যেকটি হরফ বা বর্ণ নির্দিষ্ট স্থান থেকে উচ্চারিত হয়। আরবি বর্ণ উচ্চারিত হওয়ার স্থানকে মাখরাজ বলে। মাখরাজগুলো মুখের ৫টি স্থানে অবস্থিত। এগুলোর মধ্যে হলক বা কণ্ঠনালি অন্যতম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
280
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews