কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিবর্তন ঘটতে ঘটতে বর্তমানে তা উৎকর্ষের শিখরে পৌছেছে। যার একটি উদাহরণ হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তাশক্তিকে কৃত্রিম উপায়ে যন্ত্রনির্ভর করে ব্যবহার করার প্রযুক্তিই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সাহায্য করা থেকে শুরু করে চিকিৎসাক্ষেত্রে এবং বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অবদান রাখছে। এই প্রযুক্তিতে একটি কম্পিউটারকে এমনভাবে প্রোগ্রামিং করা হয় যাতে তা মানুষের মতো করে চিন্তা করতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো একটি যন্ত্র দ্বারা প্রকাশিত বুদ্ধি। এই বুদ্ধির সঙ্গে মানুষের বুদ্ধির মিল রয়েছে। মানুষ যেভাবে তার চারপাশের পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সেটাকে তার মস্তিষ্কের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়, তেমনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিভিন্ন ধরনের তথ্যের ইনপুট দেওয়া হয় এবং সমস্ত ডাটা প্রসেস করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যন্ত্র সিদ্ধান্তে পৌঁছে। কঠিন সমস্যা সমাধানের জন্য যে অ্যালগরিদম ব্যবহৃত হয় তাতেও রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। বাংলাদেশেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে স্মার্ট বাংলাদেশ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। মানবসমাজকে এক ইতিবাচক রূপান্তরের দিকে নিয়ে যেতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মধ্যে এখনো নৈতিকতার ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়নি। তাই এর নেতিবাচক দিকগুলো আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নেতিবাচক দিকগুলো যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মানুষ ও প্রযুক্তির এক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান গড়ে তোলা সম্ভব।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!