চিত্রে প্রদর্শিত উদ্ভিদটি হলো বাঁশ, যা কৃষিজ সামগ্রী তৈরি এবং নির্মাণ কাজে বহুল ব্যবহৃত।
বাঁশ দিয়ে কৃষি যন্ত্রপাতি যেমন- লাঙল, জোয়াল, কোদাল, মই, আঁচড়া প্রভৃতি তৈরি হয়। গ্রামীণ কুটির শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হলো বাঁশ। বাঁশ দিয়ে তৈরি হয় ঝুড়ি, কুলা, ঝাপি, মাথাল ইত্যাদি। বাঁশকে গরিবের কাঠ বলা হয়। কেননা গ্রামের স্বল্প আয়ের মানুষরা বাঁশ - দিয়ে তাদের ঘর নির্মাণ করে। খাল পারাপারের জন্য সাঁকো তৈরি করে। বিভিন্ন প্রকার যানবাহন যেমন- রিকশা, নৌকা, গরু ও ঘোড়ার গাড়ি - ইত্যাদি তৈরিতেও বাঁশ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন আসবাবপত্র যেমন বুকসেলফ, সোফা, মোড়া, চেয়ার, দোলনা ইত্যাদি - তৈরি করা হয়। বাঁশ দিয়ে বাদ্যযন্ত্র যেমন- বাঁশি তৈরি হয়। বাঁশ - কাগজ ও রেয়ন তৈরির কাঁচামাল হিসেবে শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, কৃষিজ সামগ্রী ও নির্মাণ কাজে বাঁশের গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allমেহগনি গাছের একটি প্রজাতি হলো Swietenia macrophylla
গরিবের কুটির থেকে শুরু করে বড় বড় অট্টালিকা তৈরিতে বাঁশ ব্যবহার করা হয়। গ্রামীণ কুটির শিল্পে, কৃষি উপকরণ এবং কাগজ ও রেয়ন তৈরির কাঁচামাল হিসেবে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও খাল পারাপারের সাঁকো তৈরিতেও বাঁশ ব্যবহার করা হয়। এসব কারণে বাঁশকে নির্মাণ সামগ্রী বলা হয়।
সাজিদের দাদার বাগানের বিশেষ গুণসম্পন্ন ফলটির নাম কাঁঠাল।
কাঁঠাল একটি বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী উদ্ভিদ। পাকা কাঁঠালের কোয়া খুবই মিষ্টি। এতে রয়েছে শর্করা ও ভিটামিন। এছাড়াও কাঁঠালে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাঁড় ও দাঁতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কাঁচা কাঁঠাল এবং কাঁঠালের বীজ সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। কাঁঠাল কাঠ খুবই উন্নত মানের, টেকসই ও ভালো পলিশ নেয়। তাই বাসগৃহের জানালা, দরজা ও আসবাব তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক এবং পুষ্টিগত দিক দিয়ে এ ফলটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতএব বলা যায় যে, উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের কারণে ফলটি বিশেষ গুণসম্পন্ন।
গ্রামীণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে সাজিদের ব্যবহৃত গাছটি হলো নিম।
নিম গাছের ব্যবহার অনেকভাবে হয়ে থাকে। চর্মরোগে এর পাতার রস ও তেল ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়। নিম পাতার রস কৃমির উপদ্রব কমায়। নিমের ডাল দাঁতের মাজন, নিমের খৈল জীবাণুনাশক এবং নিম গাছের বাকল বাতজ্বর, দাদ, বিখাউজ, একজিমা, দাঁতের রক্ত ও পুঁজ পড়া, ডায়রিয়া, জণ্ডিস ইত্যাদি রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। এই গাছের বাকলের রস দাঁতের মাড়ি শক্ত করে। এছাড়া নিম পাতার নির্যাস শস্যের কীটনাশক হিসেবে ভালো কাজ করে, যা গ্রামীণ কৃষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, গ্রামীণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে নিম গাছ - অত্যন্ত উপযোগী।
শীতকালে যে সকল উদ্ভিদের পাতা ঝরে যায় তাদের পত্রঝরা উদ্ভিদ (যেমন- মেহগনি) বলে।
কাঁঠাল গাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। পানি জমে থাকে এমন জায়গায় কাঁঠাল গাছ রোপণ করলে তা মারা যায়। তাই বন্যামুক্ত উঁচু স্থানে কাঁঠাল গাছ রোপণ করতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
