ব্যবসায় শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নেওয়া লিখিত অনুমোদনপত্র হলো লাইসেন্স।
কোনো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার ও এর পণ্য তৈরি এবং বিক্রি করার অধিকার হলো ফ্রানসাইজিং।
এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ফ্রানসাইজিং চুক্তি। এক্ষেত্রে ফ্রানসাইজি ও ফ্রানসাইজরের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিদানের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে ফ্রানসাইজিকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি পরিশোধ করতে হয়। আর ফ্রানসাইজর ফ্রানসাইজিকে তার প্রতিষ্ঠানের পণ্য উৎপাদন ও বিক্রির অনুমতি দেয়। যেমন: আমেরিকার KFC একটি ফ্রানসাইজিং সংগঠন।
পাট পৃথককরণ আধুনিক যন্ত্র আবিষ্কারকে সরকার প্রদত্ত স্বত্বগত স্বীকৃতিটি হলো পেটেন্ট।
পেটেন্ট চুক্তি পণ্য বা সেবার উদ্ভাবক বা আবিষ্কারক ও সরকারের মধ্যে হয়ে থাকে। এ চুক্তির মাধ্যমে আবিষ্কারককে তার আবিষ্কারের ওপর একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একচেটিয়া মালিকানা দেওয়া হয়। এতে অন্য কেউ তা নকল করলেও আবিষ্কারক ক্ষতিপূরণ পেয়ে থাকে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পাট গাছ থেকে পাট পৃথক করার আধুনিক যন্ত্র আবিষ্কার করে। এতে প্রতিষ্ঠানটি সরকার থেকে স্বত্বগত স্বীকৃতি পায়। এক্ষেত্রে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট যন্ত্রটি ব্যবহারের একক অধিকারী। ফলে প্রতিষ্ঠানটি একাই যন্ত্রটি কাউকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার অধিকার রাখে। এছাড়া, অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যন্ত্রটি নকল করলে কৃষি ইনস্টিটিউট তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবে এবং ক্ষতিপূরণও পাবে। এসব বৈশিষ্ট্যের সাথে পেটেন্ট চুক্তির মিল আছে। সুতরাং, যন্ত্রপাতি আবিষ্কারে সরকারের দেওয়া স্বত্বগত স্বীকৃতিটিকে পেটেন্ট বলা যায়।
কোনো অনুমোদন ছাড়াই SONY-এর ট্রেডমার্ক/লোগো ব্যবহার করায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযান চালানোর দিকটি যথার্থ বলে আমি মনে করি।
কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্যকে বাজারের অন্য প্রতিষ্ঠানের পণ্য থেকে আলাদা করার লক্ষ্যে টেডমার্ক ব্যবহৃত হয়। এর মূল বিষয় হলো স্বাতন্ত্র্য রক্ষা। ডিভাইস, ব্র্যান্ড, শিরোনাম, লেবেল, নাম, স্বাক্ষর, প্রতীক প্রভৃতি ট্রেডমার্কের অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকে গত ২৭ আগস্ট, ১৯ইং 'দৈনিক প্রথম আলো' পত্রিকার একটি বিজ্ঞাপন সম্পর্কে বলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন পেইজে দেখা যায়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অনুমোদন ছাড়াই SONY-এর লেগো ব্যবহার করে। তারা এ লোগো ব্যবহার করে নিম্নমানের পণ্য বিক্রি করে। এতে তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সাড়াশি অভিযান চালিয়েছে। SONY কোম্পানিটি নিজস্ব নাম ও লোগো ব্যবহারের একক অধিকারী। কারণ, কোম্পানিটি ট্রেডমার্ক আইনে নিবন্ধিত আছে। এতে অন্য কেউ SONY-এর নাম বা লোগো কোনোটিই ব্যবহার করতে পারবে না। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান SONY-এর নাম নকল করলেও ট্রেডমার্ক আইনে তারা মামলা করতে পারবে। তাই বলা যায়, SONY- এর ট্রেডমার্ক বা লোগো সংরক্ষণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানটি যৌক্তিক হয়েছে।
Related Question
View Allবর্তমানে বাংলাদেশে ২০০৯ সালের ট্রেডমার্কস আইন চালু আছে।
লেখক বা শিল্পীর সৃজনশীল সাহিত্য বা শিল্পকর্ম নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিক্রি, উন্নয়ন ও ব্যবহারের একক আইনগত অধিকারকে কপিরাইট বলে।
এর উদ্দেশ্য হলো সৃষ্টিকর্ম নকল থেকে রক্ষা করে প্রকৃত লেখক, শিল্পী বা স্বত্বাধিকারীর স্বার্থের সুরক্ষা করা। কপিরাইট আইন অনুযায়ী একজন লেখক বা শিল্পী তার সৃষ্ট কাজের ওপর পূর্ণ অধিকার লাভ করেন। সাধারণত বই, প্রবন্ধ, নৃত্য, সংগীত, চিত্র, চলচ্চিত্র প্রভৃতি কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত।
উদ্দীপকের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়টি ফ্রানসাইজিং (Franchising) ব্যবসায়ের অন্তর্ভুক্ত।
এর মাধ্যমে কোনো খ্যাতনামা কোম্পানির নাম ব্যবহার করে পণ্য তৈরি ও বিক্রি করার অধিকার পাওয়া যায়। এরূপ ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মূল প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিতে হয়। অনুমতির বিনিময়ে মূল প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট হারে ফি পেয়ে থাকে। কেএফসি, পিজ্জাহাট, ব্যান্ড বকস কোম্পানি ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের উদাহরণ।
উদ্দীপকের ইসমাম ঢাকায় বেড়াতে এসে তার মামাতো ভাইয়ের সাথে চিড়িয়াখানা, নভোথিয়েটার, জাতীয় জাদুঘরসহ বিভিন্ন দর্শনীয় এলাকায় ঘোরাফেরা করে। তারা সব জায়গায় একই নামের একটি রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করে। এই রেস্টুটেন্টটি বিদেশি। কিন্তু এ দেশেও একই নামে এর অনেক শাখা আছে। মূল রেস্টুরেন্টের নাম ব্যবহারের অনুমতি নিয়েই ব্যবসায়ীরা এদেশে শাখা খুলেছে। সব শাখায় একই ধরনের খাবার ও সেবা দেওয়া হয়। এজন্য শাখাগুলো বিক্রীত পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি মূল প্রতিষ্ঠানকে দেয়। এসব বৈশিষ্ট্য ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়টি ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের আওতাভুক্ত।
উদ্দীপকে বর্ণিত ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়াতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি।
ফ্রানসাইজিং হলো একটি চুক্তিভিত্তিক ব্যবসায়। এখানে দুটি পক্ষের (ফ্রানসাইজর ও ফ্রানসাইজি) মধ্যে চুক্তি হয়। এ ধরনের ব্যবসায়ে সাধারণত ব্রান্ডেড পণ্য বা সেবা বিক্রি করা হয়।
ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ে স্বনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নামেই পণ্য বিক্রি করা হয়। তাই এ ব্যবসায়ে সাফল্য লাভের সুযোগ বেশি থাকে। তারপরও আমাদের দেশে এ জাতীয় ব্যবসায়ের খুব একটা প্রসার ঘটেনি।
ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য দুই পক্ষকেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফ্রানসাইজরের (মূল প্রতিষ্ঠান) সুনাম যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেদিকে ফ্রানসাইজিকে (অনুমোদন গ্রহণকারী) বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। এজন্য কোনো অবস্থাতেই পণ্য ও সেবার বিকৃতি ঘটানো যাবে না। পণ্যের সঠিক মান বজায় রাখতে হবে। দুই পক্ষকেই চুক্তির শর্ত যথাসম্ভব নমনীয় রাখতে হবে। তাছাড়া যথাযথ প্রচারের ব্যবস্থাও করতে হবে। এভাবেই এদেশে ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়ানো যাবে বলে আমি মনে করি।
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ন্যূনতম প্রবর্তক দুইজন।
যেকোনো ব্যবসায় শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমোদন নেওয়াই হলো লাইসেন্স।
লাইসেন্সকে অনুমোদনপত্র বলা হয়। কোনো ব্যবসায় স্থাপন ও পণ্য বিক্রয়ের বৈধ অধিকারের জন্য উদ্যোক্তাকে লাইসেন্স নিতে হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেওয়া হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে তা আবার নবায়ন করা হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট হারে ফি দিতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
