কেশবপুরের শাসনকর্তা খায়রুজ্জামান পাশ্ববর্তী দেশ খড়মপুর বারবার আক্রমণ চালিয়ে প্রতিটি অভিযানে জয়লাভ করে। কিন্তু স্থায়ীভাবে রাজ্য দখল করা কিংবা শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা কোনোটাই তার উদ্দেশ্য ছিল না। তার আসল উদ্দেশ্য ছিল খড়মপুর থেকে টাকা-পয়সা, মণিমুক্তা সংগ্রহ করে নিজ দেশকে অর্থনৈতিক দিক থেকে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করা।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

দেবল বন্দর ভারতে অবস্থিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ছিল একটি চূড়ান্ত মীমাংসাত্মক যুদ্ধ। এ যুদ্ধের ফলে স্থায়ীভাবে ভারতবর্ষে মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এ যুদ্ধে মুইজউদ্দিন মুহাম্মদ ঘুরী (ভারতে স্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠাকারী) ও তার বাহিনী দীপ্ত শপথে যুদ্ধ করে এবং পৃথ্বিরাজ (দিল্লি ও আজমিরের রাজপুত এবং চৌহান বংশের রাজা) ও সম্মিলিত রাজপুত বাহিনীকে পর্যুদস্ত করে। ফলে ভারতীয় রাজ্যগুলোর ওপর মুহাম্মদ ঘুরীর চূড়ান্ত সফলতা সুনিশ্চিত হয় এবং ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের ভিত প্রতিষ্ঠিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

খায়রুজ্জামান-এর সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের সুলতান মাহমুদের অভিযানের সাদৃশ্য রয়েছে।

সুলতান মাহমুদ ৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে ভ্রাতা ইসমাইলকে পরাজিত এবং কারারুদ্ধ করে গজনির সিংহাসনে আরোহণ করেন। অল্প বয়সে ক্ষমতা গ্রহণ এবং দিগ্বিজয়ের নেশা তাকে উপমহাদেশ বিজয়ে অনুপ্রাণিত করে। তিনি ১০০০ খ্রিস্টাব্দ হতে ১০২৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত উপমহাদেশে মোট ১৭টি সামরিক অভিযান প্রেরণ করেন। প্রতিটি অভিযানেই তিনি কৃতিত্বের সাথে জয়লাভ করেন। উদ্দীপকেও এ ঘটনার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।
কেশবপুরের শাসনকর্তা খায়রুজ্জামান পার্শ্ববর্তী খড়মপুরে বারবার আক্রমণ চালিয়ে প্রতিটি অভিযানে সফলতা লাভ করেন। তার এ অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ধনরত্ন সংগ্রহ করে নিজ রাজ্যকে সমৃদ্ধ করা। খায়রুজ্জামানের এ অভিযানের সাথে গজনির সুলতান মাহমুদের ভারতবর্ষে অভিযানের মিল রয়েছে। সুলতান মাহমুদও তার পার্শ্ববর্তী উপমহাদেশে সতেরো বার অভিযান পরিচলনা করেন এবং প্রতিটি অভিযানেই সাফল্য অর্জন করেন। ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। তিনি মূলত অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে বারবার ভারতবর্ষে আক্রমণ করেছেন। প্রতিবার অভিযানের সময় অসংখ্য ধন-রত্ন সংগ্রহ করে তিনি গজনিতে প্রত্যাবর্তন করেন। সুতরাং কেশবপুরের শাসক খায়রুজ্জামান-এর সাথে সুলতান মাহমুদের ভারতবর্ষ অভিযানের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

কেশবপুরের শাসকের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের সুলতান মাহমুদের মিল লক্ষ করা যায়
পৃথিবীতে এমন অনেক বিজয়ী বীর রয়েছেন, যারা অসীম বীরত্বে যুদ্ধ করে দেশ জয় করেছেন; কিন্তু সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন নি। যুদ্ধজয়ের নেশা আর সম্পদের মোহ তাদেরকে যুদ্ধে প্রলুব্ধ করেছে। এ রকমই দু'জন শাসক উদ্দীপকের খায়রুজ্জামান এবং পাঠ্যবইয়ের সুলতান মাহমুদ। সুলতান মাহমুদ উপমহাদেশের ধন-সম্পদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে অসংখ্যবার অভিযান প্রেরণ করেছেন এবং প্রতিবারই সাফল্য অর্জন করেন। প্রতিবার অভিযানের সময় তিনি প্রচুর ধন-সম্পদ এ উপমহাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যান। তবে এ উপমহাদেশে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। কেশবপুরের শাসনকর্তাও তার পার্শ্ববর্তী দেশে শুধু ধনসম্পদ আহরণের উদ্দেশ্যেই অভিযান প্ররণ করেন এবং প্রতিবার অভিযানেই তিনি সফল হন। একইভাবে সুলতান মাহমুদও ভারতবর্ষে সতেরো বার অভিযান প্রেরণ করে প্রতিবারই সফলতা অর্জন করেন। তিনি ভারত দেশে প্রচুর ধন রত্ন, মণিমুক্তা সংগ্রহ করে নিজ রাজ্য গজনিতে নিয়ে যান এবং এ রাজ্যের উন্নতিকল্পে এসব সম্পদ ব্যয় করেন। কেশবপুরের শাসক খায়রুজ্জমানের মতো তিনিও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যেই এ সকল অভিযান প্রেরণ করেছিলেন।
পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দেশ্য ও প্রকৃতিগত দিক দিয়ে কেশবপুরের শাসকের অভিযানের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের সুলতান মাহমুদের উপমহাদেশে অভিযানের তুলনা করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
19

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাচীন হিন্দু সমাজে প্রচলিত স্বামীর শবদেহের সাথে জীবিত বিধবা স্ত্রীকে একই চিতায় দাহ করার রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।
মৃত স্বামীর প্রতি বিধবা স্ত্রীর চূড়ান্ত আনুগত্য প্রদর্শনের একটি আচার হিসেবে প্রাচীন সমাজে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সতীদাহ প্রথা মেনে চলত। তখন স্বামীর মৃত্যু হলে বিধবা স্ত্রী স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়েই স্বামীর চিতায় আত্মাহুতি দিত। কিন্তু কালক্রমে এটি হিন্দু সমাজে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতায় রূপ নেয়। এক সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে সমাজপতিরা বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে সহমরণ বরণ করে নিতে বাধ্য করে। তারা জোর করে অনেক বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে পুড়িয়ে মারতে শুরু করে। হিন্দু সমাজের এ জঘন্য ও নিষ্ঠুর রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
140
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত শাসক সুলতান মাহমুদের মিল রয়েছে।

যেকোনো দেশ, রাজ্য বা অঞ্চলকে সমৃদ্ধিশালী ও সুসজ্জিত করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- এই অর্থের প্রয়োজনে অনেক শাসক বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়েছেন। উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান এবং ইতিহাসখ্যাত সুলতান মাহমুদ উভয়ের মধ্যেই এ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সুলতান সুলেমান নিজ রাজ্যকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী করার জন্য বিভিন্ন দেশে অভিযান প্রেরণ করেন। সেসব অভিযান থেকে প্রাপ্ত ধন-সম্পদ কাজে লাগিয়ে তিনি তার শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন। তাছাড়া শিক্ষা বিস্তার ও দেশের উন্নয়নে তিনি ধন-সম্পদ ব্যয় করেন। বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদও ধন-ঐশ্বর্যে ভরপুর ভারতবর্ষে বারবার আক্রমণ করে সুলতান সুলেমানের মতোই প্রচুর ধন-সম্পদ আহরণ করেছিলেন। তার উদ্দেশ্যও ছিল নিজের রাজ্যের উন্নয়ন ঘটানো। তাই তিনি ভারতবর্ষকে তার প্রয়োজনীয় অর্থভাণ্ডার মনে করে সেখানে ১৭ বার (১০০০ থেকে ১০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে) অভিযান প্রেরণ করেন এবং প্রতিবারই জয়লাভ করে প্রচুর সম্পদ হস্তগত করেন। তিনি আহরিত অর্থ-সম্পদ কাজে লাগিয়ে গজনি রাজ্যকে সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলেছিলেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। শিল্প ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি সুলতান সুলেমানের মতোই উদার ও আন্তরিক ছিলেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান ও গজনির শাসক সুলতান মাহমুদের মধ্যে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
128
উত্তরঃ

উত্ত শাসক তথ্য সুলতান মাহমুদ শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের একজন প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।

বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। শত্রুপক্ষের অধীন সকল রাজ্য জয় করে তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত বিলোপ সাধনই ছিল সুলতান মাহমুদের লক্ষ্য এবং তিনি তা অর্জনে সক্ষম হন। পাঞ্জাবে তার শাসন দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্র গজনি রাজ্যকে তিনি বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।

ভারতীয় ঐতিহাসিক ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "সুলতান মাহমুদ ছিলেন বড় মাপের নৃপতি।" একটি পার্বত্য ক্ষুদ্র রাজ্যতে শুধু বাহুবলে বিশাল ও সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যে পরিণত করা অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচায়ক। তার পূর্বে এশিয়ার অন্য কোনো আরব বা তুর্কি শাসক হিরাত, কাবুল ও গজনির বাইরে অগ্রসর হতে পারেননি। তিনি যে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, তা বাগদাদের সমসাময়িক আব্বাসীয় খলিফার সাম্রাজ্য অপেক্ষা বিশাল ছিল বলে মনে করা হয়। মুসলিম শাসকদের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত পথে তিনিই প্রথম ভারতে অভিযান চালিয়েছিলেন। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুসলিম রাজবংশ প্রতিষ্ঠায় কৃতিত্বের অধিকারী না হলেও তারই দেখানো পথে মুহাম্মদ ঘুরী এদেশে এসে মুসলিম শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
পরিশেষে বলা যায়, শুধু কৃতী সেনানায়ক নয়, সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও সুলতান মাহমুদ খ্যাতি অর্জন করেন। অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা বলেই তিনি ক্ষুদ্র গজনিকে বিশাল সাম্রাজ্যে রূপায়িত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
99
উত্তরঃ

আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা শোচনীয় ছিল।
প্রাক-মুসলিম ভারতীয় সমাজে সতীদাহ প্রথা ও বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল। তাছাড়া বিধবা বিবাহ প্রথার বিলোপ ঘটেছিল। তাই নারীরা সমাজে অবহেলিত হয়ে পড়েছিল। তারা সব ধরনের অধিকার বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে এ চিত্র নিম্ন শ্রেণির নারীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যেত। অভিজাত পরিবারের নারীরা শিক্ষাগ্রহণ ছাড়াও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ পেত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
81
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews