ঠাকুরমার নাতনি থালাটি বিক্রি করতে চাইল। কারণ থালাটি কোনো কাজে লাগে না। আর তার ছিল গয়না কেনার শখ। তাই সেটি বিক্রি করে ঠাকুরমাকে সে গয়না কিনে দেওয়ার কথা বলে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View All'সোনার থালা' গল্পের ফেরিওয়ালা দুজনের একজনের নাম সেরিবা এবং অন্যজনের নাম সেরিবান। তারা অন্ধপুর নগরে বাণিজ্য করতে যান।
সোনার থালাটি কেউ ব্যবহার না করায় ধীরে ধীরে তাতে ময়লা জমতে শুরু করে। দেখেও বোঝা যাচ্ছিল না থালাটা সোনা দিয়ে তৈরি। তাই সেটিকে ভাঙা থালা-বাটির সাথে রেখে দেওয়া হয়েছিল।
সেরিবা ছিলেন লোভী ফেরিওয়ালা। তিনি যখন বুঝতে পারেন থালাটি সোনার তখন ঠাকুরমা ও নাতনিকে ঠকিয়ে সেটি নিতে চাইলেন। তাই থালাটিকে মূল্যহীন বোঝাতে তিনি থালা রেখে চলে গেলেন।
প্রথম ফেরিওয়ালা সোনার থালার কোনো দাম না দেওয়ায় ঠাকুরমা বিশ্বাস করে নেন যে, সেই থালার কোনো মূল্য নেই। তাই বিক্রি করার মতো ঘরে আর কোনো জিনিস না থাকায় তিনি দ্বিতীয় ফেরিওয়ালাকে আর ডাকতে চাননি।
প্রথম ফেরিওয়ালা সেরিবার কথা নাতনির ভালো লাগেনি। তার কথা শুনে তার জ্বালা ধরে যায়। পরের ফেরিওয়ালা সেরিবানের ডাক তার কাছে মিষ্টি লাগে। তাই নাতনি তাকে ডাকতে চায়।
লোভী সেরিবা বণিকের বাড়িতে আবার এসে বললেন, 'থালাটা দাও তো। যেতে যেতে ভাবলাম, কিছু টাকা দিয়ে এটা নিয়ে যাই। সেজন্য আবার এলাম।'
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!