কোন ঋতুতে কাশফুল ফোটে?

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

শরৎকালে কাশফুল ফোটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
731

ছবি আঁকতে ইচ্ছে হচ্ছে?
কাগজ তো সাদা। পেনসিলে আঁকা যায়। হাতের কলমটা দিয়েও আঁকা যায় এই সাদা জমিনে।
রং হলে খুউব ভালো হয়। ইচ্ছেমতো লাল, নীল, সবুজ, বেগুনি, হলুদ, কালো রং ঘষে ঘষে সাদা কাগজটা ভরে ফেলা যায়। সুন্দর এক রঙিন ছবি আঁকা হয়ে যায়।

হলুদ, নীল ও লাল এই তিনটিই কিন্তু আসল রং। এই তিন রং থাকলে নানা রঙে ভরা পরিপূর্ণ রঙিন ছবি আঁকা যায়। এই তিনটি রং মিলিয়ে মিশিয়ে অনেক রং পাওয়া যায়। যেমন-

হলুদ ও নীল মেশালে পাবে সবুজ।
নীল ও লাল মেশালে পাবে বেগুনি।
লাল ও হলুদ মেশালে পাবে কমলা।

এভাবে একটির সঙ্গে আরেকটি রং বা একাধিক রং মিশিয়ে কত রকম রং যে পাওয়া যায় তার মধ্যে কয়েকটি রং ছাড়া সবগুলো সঠিক নামে চেনা সম্ভব নয়। তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে লাল, হলুদ ও নীল এই তিনটিই হলো মৌলিক রং বা প্রাথমিক রং। সবুজ, কমলা ও বেগুনি হলো দ্বিতীয় পর্যায়ের বা মাধ্যমিক রং এবং অন্যান্য রং পরবর্তী পর্যায়ের। সাদা ও কালো রং ছবি আঁকার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মৌলিক রং মিলিয়ে মিশিয়ে এই দুটো রং পাওয়া যাবে না। তবে সবুজ ও লাল ঘন করে মিশিয়ে কালোর কাছাকাছি গাঢ় একটি রং তৈরি করা সম্ভব।

রংধনুর সাতটি রং। বৃষ্টির পর আকাশে যখন রংধনু ফুটে ওঠে, একটি একটি করে গুণে সাতটি রং খুঁজে বের করা যায়। হলুদ, কমলা, লাল, সবুজ, নীল, বেগুনি ও গোলাপি।
বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। বছরের ১২ মাসকে আমরা ২ মাস করে প্রকৃতি ও আবহাওয়ার কারণে ভাগ করে নিয়েছি।

বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ এই ২ মাস গ্রীষ্মকাল। আবহাওয়া থাকে শুষ্ক ও গরম। বৃষ্টি হয় কম। গাছপালা, খাল-বিল-নদী শুকিয়ে যায়। প্রচণ্ড রোদে গাছের সবুজ-সতেজ রং বিবর্ণ হয়ে যায়। আবার হঠাৎ করে আকাশে কালো রঙের মেঘের ছুটাছুটি, বিদ্যুৎ চমকানো, সঙ্গে কানে তালালাগা প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হয়। তারপর ঝড় ও বৃষ্টি। প্রকৃতিতে রঙের নানা রকম খেলা চলে। রং-বেরঙের ফল আম, জাম, কলা, লিচু, তরমুজ এই গ্রীষ্ম ঋতুতে পাওয়া যায়। লাল, নীল, কালো, হলুদ, গোলাপি, কমলা সবুজ রঙের এই বাহারি ফলগুলোর স্বাদও মিষ্টি।

বর্ষাকাল হলো আষাঢ়-শ্রাবণ মাস। ঝিরঝিরে অল্প বৃষ্টি থেকে ঝর ঝর করে প্রবল বেগে বৃষ্টি হয় এ সময়। মাঠ-ঘাট, নদী-নালা, ঝিল-বিল পানিতে টইটুম্বুর। পানি পেয়ে গাছপালা সতেজ হয়ে যায়- নানা রকম সবুজ রঙে ভরে যায় গাছপালা, বন-জঙ্গল, ধানক্ষেত, পাটক্ষেত ইত্যাদি। সাদা ও কমলা রঙের কদম ফুল বর্ষা ঋতুর ফুল। এই ঋতুতে সতেজ ও সবুজ কচুবনে যখন কমলা রঙের লম্বা লম্বা ফুল ফোটে, চমৎকার লাগে দেখতে। কচুফুল তরকারি হিসেবেও সুস্বাদু।

শরৎকাল- সাদা ও স্বচ্ছ নীলের ছড়াছড়ি। ভাদ্র ও আশ্বিন এই দুই মাস শরৎকাল। এ সময়ে বৃষ্টি বসে যায়। সুন্দর নীল আকাশে পেঁজা তুলোর মতো গুচ্ছ গুচ্ছ মেঘ ভেসে বেড়ায়। গাছপালা নদীনালা প্রকৃতির সবকিছু এই ঋতুতে ঝকঝকে। নদীর ধারে ও বিলে অল্প পানিতে কাদামাটিতে সবুজ গাছ থেকে বের হয়ে আসে নরম সাদা কাশফুল। বাতাসের দোলায় এই কাশফুল যখন দোলে, সুন্দর নরম রঙের কারণে মন তখন আনন্দে নেচে ওঠে। বিলে, পুকুরে এ সময় শাপলাফুল ফোটে। বেশির ভাগ শাপলা সাদা, লাল শাপলাও আছে যা দেখতে খুবই সুন্দর। ভরা নদী ও খালে সাদা, লাল, নীল ও হলুদ বিভিন্ন রঙের পালতোলা নৌকা-চলাচলের দৃশ্য মোহনীয়।

হেমন্ত ঋতু হলো কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস। সবুজ ধানক্ষেতের রং হলুদ হতে শুরু করে। ঋতুর শেষ দিকে - অর্থাৎ অগ্রহায়ণ মাসে পুরো মাঠে হলুদ বা গেরুয়া রঙের বাহার। ধান পেকে গেছে। চাষিরা দল বেঁধে ফসল কাটা শুরু করে।

এরপরেই পৌষ ও মাঘ মাস- - শীতকাল। বনে-জঙ্গলে, বাড়ির আঙিনায় সর্বত্রই নানা রঙের ফুল ফোটা শুরু হয়। এই ফুল ফোটা শীতের পরে বসন্ত ঋতু পর্যন্ত চলতে থাকে। শিমুল, পলাশ আর কৃষ্ণচূড়া গাছে যখন ফুল ফোটে, হলদে গাছের ঝলমলে হলুদ রঙের ফুলে পুরো প্রকৃতি যেন রঙের উৎসবে মেতে ওঠে। মাঠে তিলের ক্ষেতে সাদা ও হালকা বেগুনি ফুল এবং সরষের ক্ষেতে ফুলে ফুলে হলুদের বন্যা নামে এই শীতকালেই। শীতের কারণে মানুষের পোশাকে আসে রঙের বৈচিত্র্য। লাল, নীল, হলুদ, কালো বিচিত্র রঙের গরম কাপড় ও টুপি ব্যবহার করে মানুষ।

শীতকালে কুয়াশাও প্রকৃতিতে ধোঁয়াটে ধরনের এক মায়াবী রং আমাদের চোখের সামনে তুলে ধরে। খুবই ঠান্ডা ও বরফ-পড়া দেশ থেকে চলে আসে আমাদের দেশে লক্ষ পাখি। ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে এরা আশ্রয় নেয় আমাদের দেশের খালে-বিলে-নদীতে যাদের বলা হয় অতিথি পাখি। রং-বেরঙের পালক এসব পাখির। শীতের শেষে বসন্তের শুরুতে এরা আবার চলে যায় নিজের দেশে।

ফাল্গুন ও চৈত্র বসন্তকাল। ষড়ঋতুর শেষ ঋতু। এ সময় গাছে গাছে যেন প্রতিযোগিতা- কে কত সুন্দর ও সতেজ ফুল ফোটাতে পারে। নানা রঙের পালকে সেজে ছোটবড় সব পাখি গাছে গাছে নেচে বেড়ায়, উড়ে বেড়ায়। ফুলের মধু খেয়ে উড়ে বেড়ায় আনন্দে। অন্যদিকে হাজার লক্ষ রঙিন প্রজাপতি। এত রং-বেরঙের যে হিসেব করা সম্ভব নয়। নানা রঙের মোহময় প্রেরণায় মানুষও স্বভাবসুলভ আনন্দে মেতে ওঠে। বাসন্তী ও উজ্জ্বল রঙের পোশাকে, সাজসজ্জায় উৎসবে মেতে ওঠে। তাই বসন্ত ঋতুই হলো রঙের ঋতু।

অনেক কাল আগে থেকেই বাংলাদেশের ষড়ঋতুতে আমাদের পরিবেশে, নিসর্গে উজ্জ্বল-সুন্দর নানা রঙের যে সমাবেশ ঘটেছে রূপের রকমফের ঘটে চলেছে তা বাঙালির মনকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছে। তাই আমরা দেখি আমাদের গ্রামীণ সমাজের লোকশিল্পীরা মাটির পুতুল, কাঠের পুতুল, কাপড় ও তুলার পুতুল, সোনার পুতুল, লক্ষ্মীসরা, শখের হাঁড়ি, নকশিকাঁথা, হাতপাখা, পাটি, গল্প বলার পটে তথা লোকশিল্পে উজ্জ্বল ও সতেজ রং ব্যবহার করে ছবি ও শিল্পকে সুন্দর ও মোহনীয় রূপ দিয়ে চলেছে তাঁতে তৈরি কাপড়ে তাঁতিরা এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকেরা তাদের তৈরি তাঁতের পোশাকে রঙিন সুতোর বুনটে নানা রঙের ঝলমলে মনকাড়া সব শাড়ি ও পোশাক বানিয়ে চলেছে। আমাদের শিশুরা এখন ছবি আঁকে। বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশের শিশুদের ছবির রং অনেক উজ্জ্বল, সাহসী এবং মৌলিক রং ঘেঁষা। তাই খুব সহজেই বাংলার শিশুদের ছবিকে আলাদা বৈশিষ্ট্যে চেনা যায়।

চারুকলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পীদের ছবির সামনে দাঁড়ালে একই কথা মনে হবে। বাংলাদেশের শিল্পীরা অনেক মুক্ত, সহজ ও সাহসী। লাল, নীল, হলুদ, সবুজ, বেগুনি, কমলা, কালো ও সাদা রংকে শিল্পীরা সুন্দরভাবে ছবিতে, নকশিকাঁথায়, হাতপাখায়, পুতুলে, হাঁড়িপাতিলে ব্যবহার করছেন। তাই বাংলার শিল্পীদের শিল্পকর্ম সারা বিশ্বে প্রশংসা পাচ্ছে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

আলোচ্য উক্তিটিতে মৌলিক রঙের কথা বলা হয়েছে।

লাল, হলুদ ও নীল- এই তিনটি হলো মৌলিক বা প্রাথমিক রং। এই রংগুলোর একটিকে অন্যের সাথে মিশিয়ে নানা ধরনের রং পাওয়া যায়। যেমন- হলুদ ও নীল মিশিয়ে সবুজ, নীল ও লাল মিশিয়ে বেগুনি, লাল ও হলুদ মিশিয়ে কমলা রং পাওয়া যায়। এমনি করে এই তিন রঙের সমন্বয়ে অনেক রং পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
617
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিদ্যালয়ের দৃশ্যের যে বর্ণনা রয়েছে, তাতে বসন্ত ঋতুর পরিচয় পাওয়া যায়।

ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। ঋতুর পালাবদলে এদেশের প্রকৃতির রং বদলায়, বদল ঘটে রূপের। বিশেষ করে বসন্তে এদেশের প্রকৃতি বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়ে ওঠে। প্রকৃতি ও পরিবেশের এরূপ পরিবর্তন মানুষের মনেও ছাপ রেখে যায়। উদ্দীপকের বিদ্যালয়ের দৃশ্যে 'ছবির রং' প্রবন্ধে উল্লিখিত বসন্ত ঋতুর রূপ-বৈচিত্র্য ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের রিংকু তার মামার বাড়ি আলোকদিয়া বেড়াতে গেলে তার মা তাকে সেখানকার এক বিদ্যালয়ে নিয়ে যান। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফুল আর প্রজাপতির শোভা দেখে মুগ্ধ হয় সে। 'ছবির রং' প্রবন্ধেও বসন্তকে 'রঙের ঋতু' হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে। এসময় গাছে গাছে সুন্দর ও সতেজ ফুল ফোটার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। নানা রঙের পাখি কিচিরমিচির করে উড়ে বেড়ায়। বাসন্তী রঙের পোশাক পরে মানুষ উৎসবে মেতে ওঠে। বসন্তের এই বর্ণিল রূপ উদ্দীপকের রিংকুর দেখা বিদ্যালয়ের দৃশ্যপটেও একইভাবে পরিলক্ষিত হয়। সে বিবেচনায় রিংকুর দেখা বিদ্যালয়ের দৃশ্যটিতে মূলত বসন্ত প্রকৃতির পরিচয় পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
625
উত্তরঃ

'ছবির রং' প্রবন্ধে চিত্রশিল্পের সাথে জড়িত নানা বিষয়ের আলোচনা থাকলেও উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে তার খণ্ডিত অংশ।

আলোচ্য রচনায় বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাশেম খান ছবি আঁকা সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা দিতে চেয়েছেন। ছবি আঁকার ক্ষেত্রে তিনি নানা রঙের পরিচয়ও তুলে ধরেছেন এখানে। তাছাড়া বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য এবং এদেশের চিত্রশিল্পে তার প্রভাবের দিকটিও ফুটে উঠেছে রচনায়।

উদ্দীপকে রিংকু গ্রামের স্কুলের শিক্ষার্থীদের তৈরি পুতুল ও আঁকা ছবি দেখে মুগ্ধ হয়। সেসব পুতুল ও ছবি উজ্জ্বল রঙের উপস্থিতিতে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। গ্রামের স্কুলের শিশুরা প্রকৃতির কোলে মানুষ হয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাদের ছবিগুলো ছিল প্রকৃতি ঘেঁষা। 'ছবির রং' প্রবন্ধেও এদেশের শিশুদের আঁকা ছবিতে ও উজ্জ্বল রঙের উপস্থিতির কথা আছে।

আমাদের দেশের শিশু-কিশোরদের আঁকা ছবি অনেকটা মৌলিক রং-ঘেঁষা এবং আলাদা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। রিংকুর দেখা স্কুলের শিশুরা গ্রামীণ পরিবেশের মানুষ। ফলে তাদের তৈরি পুতুল ও আঁকা সুন্দর ছবিগুলোতে বাংলার প্রকৃতি এবং উজ্জ্বল রঙের ছাপ রয়েছে। 'ছবির রং' প্রবন্ধেও এই প্রসঙ্গের উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে উদ্দীপকে কেবল বসন্ত ঋতুর চিত্র ফুটে উঠলেও প্রবন্ধে ছয়টি ঋতুরই সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে। প্রবন্ধে ছবি আঁকারে নানা রং সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হলেও উদ্দীপকে তা নেই। এ দিকগুলো না থাকায় উদ্দীপকটিতে 'ছবির রং' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন বলা যায়। অর্থাৎ প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
674
উত্তরঃ

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকেরা রঙিন সুতার বুনটে তাঁতের পোশাক তৈরি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
152
উত্তরঃ

হলুদ, নীল ও লাল- এই তিনটি রং মিলিয়ে-মিশিয়ে অনেক রকম রং পাওয়া যায় বলে এগুলোকে মৌলিক বা প্রাথমিক রং বলা হয়।

হলুদ, নীল ও লাল- এই তিনটি রং থাকলে নানা রঙে পরিপূর্ণ রঙিন ছবি আঁকা যায়। রঙের সাথে এক বা একাধিক রং মিশিয়ে অন্য রং তৈরি করা যায়। কিন্তু অন্যান্য রঙের মিশ্রণে এ তিনটি রং তৈরি করা যায় না। এ কারণে এগুলোকে মৌলিক বা প্রাথমিক রং বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
9 months ago
488
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews