বাঘের দৃষ্টি, শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি খুবই প্রখর। বাঘের আছে শক্তিশালী থাবা। থাবার নিচের অংশ নরম ও পুরু। শিকার ধরার সময়' থাবা থেকে নখর বেরিয়ে আসে। মূলত এসব বৈশিষ্ট্যই বাঘকে দক্ষ শিকারি বানিয়েছে।
Related Question
View Allরয়েল বেঙ্গল টাইগার বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত সুন্দরবনে দেখা যায়। এখানেই বাঘ শিকার করে ও বাচ্চা লালন করে। এই বনই তাদের আশ্রয়স্থল।
বাঘ দেখতে সুন্দর ও ভয়ংকর লাগে। বাঘের গায়ের রং হলুদ থেকে গাঢ় কমলা রঙের হয়। এর গায়ে কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে। পেটের দিকটা সাদা রঙের ।
একটি বাঘের দৈর্ঘ্য ২২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। আর লেজ ৬০ থেকে ১১০ সেন্টিমিটার। কাঁধের দিকে বাঘের উচ্চতা ১০০ সেন্টিমিটারের মতো। পুরুষ বাঘের গড় ওজন ২২০ কেজি, আর বাঘিনির. গড় ওজন ১৪০ কেজি।
বাঘের থাবার নিচের অংশ নরম ও পুরু। তাই বাঘ চলার সময় কোনো শব্দ হয় না। এই গুণে সে শিকার ধরতে পারে সহজে। শিকার ধরার সময় তাদের থাবা থেকে শক্ত নখর বেরিয়ে আসে।
বাঘের দাঁত তীক্ষ্ণ ও ধারালো এবং চোয়াল খুব মজবুত। এতে সে মাংস ছিঁড়ে সহজে খেতে পারে। একটি বাঘ সাধারণত প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ কেজি খাবার খায়। হরিণ; শূকর ও বানরের মাংস বাঘের প্রধান খাদ্য।
বাঘের জীবনকাল মোটামুটি দীর্ঘ। বাঘ সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত বাঁচে। তবে প্রকৃতির পরিবর্তন ও বাঘশিকারিদের কারণে দিন দিন বাঘের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!