ক্যামেরার চোখই আকৃতি দেয় ছবির। ওই চোখে আঁকা ছবি সময়, সমাজ ও সভ্যতার অবয়ব তুলে ধরে অনাগত দিনের জন্য। সময়ের পটে আঁকা অপরিহার্য বাস্তবতার এমন সব ছবি কখনো কখনো ক্যামেরার চোখ এঁকে দেয়, যার আবেদন হয় অসীম অথবা অপরাজেয়। এমনই এক ছবি আঁকা হয়েছিল বৈষম্যবরিাধী ছাত্র আন্দোলনে অসীম সাহসে বুক চিতিয়ে' দেওয়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদের, যাঁর বুকের পাঁজর ভেদ করে বেরিয়ে গিয়েছিল হন্তারক বুলেট। ওই নির্মম নিষ্ঠুর বুলেটে আবু সাঈদের বুক বিদীর্ণ নিষ্প্রাণ, নিথর দেহ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সত্যি, তবে কাব্যময় ক্যামেরার চোখ ঠিকই লিখে রাখে এক অপরাজেয় ইতিহাস।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

গল্পকথককে তপু হাত ধরে টান দিল মিছিলে যাওয়ার জন্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

"তুমিও চলো না আমাদের সাথে।"- কথাটি তপু বলেছে তার স্ত্রী রেণুকে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যেতে।

'একুশের গল্প' শীর্ষক ছোটগল্পে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের অংশগ্রহণ ও জীবনদানের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তপু তার বন্ধু গল্পকথক ও রাহাতকে নিয়ে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দেয়। একটু পরে তপুর স্ত্রী রেণু এসে তপুর হাত ধরে, তাকে মিছিলে থেকে সরিয়ে বাড়ি নিয়ে যেতে চায়। তপু তখন স্ত্রীর হাত ছাড়িয়ে নিয়ে তাকেও মিছিলে যোগ দিতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'একুশের গল্প'-এর রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিলে গিয়ে তপুর জীবনদানের দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

যুগ যুগ ধরে মানুষ বিভিন্ন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। অন্যায়ের প্রতিকার করতে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এমনকি ন্যায্য দাবি আদায়ের সংগ্রামে জীবন উৎসর্গ করেছে।

উদ্দীপকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদের জীবন উৎসর্গ করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এই দিকটি 'একুশের গল্প'-এর রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিলে অংশ নিয়ে তপুর জীবনদানের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' দাবিতে তপু তার বন্ধু রাহাত ও গল্পকথককে নিয়ে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দেয়। মিছিল হাইকোর্টের মোড়ে এলেই তপু গুলিবিদ্ধ হয়ে প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তপুর মতো উদ্দীপকের আবু সাঈদও নিষ্ঠুর বুলেটের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তার এই আত্মদানের ছবি তুলে প্রাণবান ফটো সাংবাদিকরা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়। এভাবে উদ্দীপকটি 'একুশের গল্প'-এর রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিলে গিয়ে তপুর জীবনদানের দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

'একুশের গল্প' ছোটগল্পের তপুর জীবনদান এবং উদ্দীপকের আবু সাঈদের জীবনদান একই চেতনায় উৎসারিত।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

সভ্য সমাজে কেউ দীর্ঘ সময় ধরে অন্যায় করে টিকে থাকতে পারে না। কারণ কেউ না কেউ সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এং প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সেই প্রবল প্রতিরোধে রস্তমূল্য দিতে হলেও লক্ষ্য তারা অর্জন করে।

'একুশের গল্প' ছোটগল্পের গল্পকথক, রাহাত ও তপু তিনজন সহপাঠী বন্ধু। তারা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে আন্দোলনে যোগ দেয়। রাহাত 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' বলে স্লোগান দেয়। আর তপু লাল কালিতে লেখা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' একটি বড় প্ল্যাকার্ড বহন করে মিছিলে এগিয়ে যায়। মিছিলটি হাইকোর্টের মোড়ে আসামাত্রই লোকজন দৌড়ে পালাতে থাকে। গল্পকথকের সামনে তপু প্লাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তপুর এ অবস্থা দেখে রাহাত আর্তনাদ করে ওঠে। তপুর এভাবে জীবনদানের বিষয়টি উদ্দীপকের আবু সাঈদের জীবনদানের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। এ গল্পের মূল বিষয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে তপুর মৃত্যুবরণের চার বছর পর কঙ্কালরূপে তপুর ফিরে আসা। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
111

Related Question

View All
1k
উত্তরঃ

তপু ফিরে আসায় সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল, কারণ তারা ভাষা আন্দোলনে শহিদ তপুর মৃতদেহ দুজন মিলিটারি নিয়ে যাওয়ার পর এই প্রথম তপুর কঙ্কাল দেখছে।

'একুশের গল্প' নামক ছোটগল্পের কথক তপুর বন্ধু। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তপু, রাহাত ও গল্পকথক অংশ নিয়েছিল। তারা চার বছর আগে ভাষার মিছিলে যোগ দিয়ে হাইকোর্টের মোড়ে যাওয়ার পর তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী মিছিলে গুলি চালায়। লাল কালিতে লেখা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' প্ল্যাকার্ড-নিয়ে তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুজন মিলিটারি এসে তপুর মৃতদেহ নিয়ে চলে যায়। সেই ঘটনার চার বছর পর হোস্টেলে তপুর সিটে আসা নতুন রুমমেটের কাছে থাকা কঙ্কালটি কাকতালীয়ভাবে ভাষা আন্দোলনে শহিদ তপুর। অন্যরূপে হলেও প্রিয় বন্ধু ফিরে আসায় সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
949
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আজাদের সঙ্গে 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

বাঙালি হলো বীরের জাতি। তারা অধিকার আদায়ে ছিল তৎপর। তাদের উপর যখনই কোনো অন্যায়-অবিচার হয়েছে তখনই তারা ঝাঁপিয়ে পড়েছে অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে। আদায় করেছে নিজেদের অধিকার।
উদ্দীপকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে এক তরুণের আত্মদানের কথা বলা হয়েছে। এই তরুণের নাম মাগফার আহমেদ চৌধুরী আজাদ। তিনি আগস্ট মাসে ধরা পড়ে শত্রুর হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হন তবুও সহযোদ্ধাদের কোনো তথ্য তিনি শত্রুদের দেননি। তার এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও চেতনা 'একুশের গল্প' ছোটগল্পের তপুর সাহসী চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তপু 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' প্ল্যাকার্ড নিয়ে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দিয়েছে। স্ত্রী রেণুর বাধা, অনুরোধ উপেক্ষা করেছে। এভাবে উদ্দীপকের আজাদের সঙ্গে 'একুশের গল্প' শীর্ষক গল্পটির তপু চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
498
উত্তরঃ

যুগে যুগে আজাদ, তপু, রাহাত, গল্প কথক- এঁরা এক কাতারে দাঁড়িয়ে যায় মানুষের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে।

একজন দেশপ্রেমিক সব সময় দেশ ও জাতির মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেন। অধিকার আদায়ের জন্য মানুষকে দিনের পর দিন আন্দোলন করতে হয়। মানুষ ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকে।

'একুশের গল্প' গল্পে গল্পকথক, রাহাত ও তপু- তারা তিন বন্ধু ভাষা আন্দোলনে যোগ দেয় এবং 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' বলে স্লোগান দেয়। মিছিলে শত্রুরা গুলি চালালে তপু পুলিবিদ্ধ হয়ে প্লাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বাংলা ভাষার জন্য তার এ আত্মদানের সঙ্গে উদ্দীপকের আজাদের মিল রয়েছে। তিনিও প্রিয় মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করতে শত্রুর নির্মমতা সহ্য করেছেন, তবুও সহযোদ্ধাদের বিষয়ে কোনো প্রকার তথ্য দেননি।

'একুশের গল্প' গল্পে তপু ও তার বন্ধুরা অসীম সাহস নিয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় রাজপথে নেমে পড়ে। তাদের মতো উদ্দীপকের আজাদও দেশ ও জাতির মুক্তির জন্য একই কাতারে দাঁড়িয়েছে। আসলে তরুণের ধর্মই এই। দেশে যখনই কোনো ক্রান্তিকালে পড়ে তখনই তরুণরা দেশ উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাই বলা যায়, দেশমাতৃকার প্রশ্নে যুগে যুগে আজাদ, তপু, রাহাত, গল্পকথক এঁরা এক কাতারে দাঁড়িয়ে যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
396
উত্তরঃ

"তুমিও চলো না আমাদের সাথে।"- কথাটি তপু বলেছে তার স্ত্রী রেণুকে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যেতে।

'একুশের গল্প' শীর্ষক ছোটগল্পে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের অংশগ্রহণ ও জীবনদানের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তপু তার বন্ধু গল্পকথক ও রাহাতকে নিয়ে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দেয়। একটু পরে তপুর স্ত্রী রেণু এসে তপুর হাত ধরে, তাকে মিছিলে থেকে সরিয়ে বাড়ি নিয়ে যেতে চায়। তপু তখন স্ত্রীর হাত ছাড়িয়ে নিয়ে তাকেও মিছিলে যোগ দিতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
270
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews