মানুষের জীবন ও সম্পদকে ঘিরে যে ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা বিদ্যমান তার বিপক্ষে আর্থিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিমা বলে।
রাষ্ট্র কর্তৃক গঠিত বা পরবর্তীতে জাতীয়করণকৃত কোনো ব্যবসায়ের মালিকানা, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের অধীনে থাকলে তাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় বলে।
রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্য হলো জনকল্যাণ বা রাষ্ট্রীয় কল্যাণ সাধন করা। রাষ্ট্রের স্বার্থ বিবেচনায় সরকার কোনো ক্ষেত্রে একচেটিয়াভাবে আবার কোথাও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় পরিচালনা করে থাকে।
উদ্দীপকে আজাদ সাহেবের মধ্যে সফল উদ্যোক্তার পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে চলা ও দূরদৃষ্টির দ্বারা কাজ করার বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।
যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ নতুন চিন্তা মাথায় রেখে তা বাস্তবায়নে প্রয়াসী হয়, তাকে বা তাদেরকে উদ্যোক্তা বলে। একজন সফল উদ্যোক্তার মাঝে কতিপয় গুণাবলি থাকা অত্যন্ত জরুরি। উদ্দীপকে আজাদ সাহেব তার ব্যবসায়ের দায়িত্ব নিলে তিনি তার ব্যবসায়ের সার্বিক দিক ও পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন। তিনি পরিশ্রমের মাধ্যমে তার ব্যবনায় গড়ে তোলেন। তার মাঝে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে চলার বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। সাথে সাথে তিনি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সমস্যা ও সম্ভাবনা অনুমান করেন এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনেন। ফলে তিনি সহজেই ভোক্তার চাহিদা পূরণে সচেষ্ট হন। একজন উদ্যোক্তার মাঝে উক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর উপস্থিতি তাঁকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলে।
তাই বলা যায়, আজাদ সাহেবের মধ্যে সফল উদ্যোক্তার পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়ানো ও দূরদৃষ্টির বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে আজাদ সাহেবের বক্তব্যের সাথে আমি একমত। একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে গঠন ও পরিচালনায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যে সেবা বা সহায়তার প্রয়োজন পড়ে তাকে ব্যবসায় সহায়ক সেবা বলে।
উদ্দীপকের আলোকে আজাদ সাহেবের বাবা ক্রমাগত লোকসানের কারণে তার প্রসাধনী, সামগ্রী কারখানা বন্ধ করে দিতে চাচ্ছিলেন। এমন সময় আজাদ সাহেব এমবিএ পাস করে তিনি ব্যবসায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বিসিকের সহায়তায় জনতা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয় করেন। তিনি পরিবর্তিত পরিস্থিতি মানিয়ে নিয়ে এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে সামনে রেখে উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিবর্তন করে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন করে। এতে প্রতিষ্ঠানটি আবার লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। দেশের অনেক যুবক বা উদ্যোক্তার মাঝে ব্যবসায় শুরু করার প্রবণতা থাকলেও পরিপূর্ণ সুযোগ-সুবিধার অভাব ও সহায়তার কারণে তারা ব্যবসায় শুরু করতে পারেন না। সরকারি ও বেসরকারি উপযুক্ত সহায়তা লাভের মাধ্যমে এসব উদ্যোক্তা তাদের ব্যবসায় শুরু করতে পারেন এবং এর মাধ্যমে আমাদের দেশও এগিয়ে যাবে।
পরিশেষে বলা যায়, দেশের শিক্ষিত তরুণসমাজ যদি সরকারি- বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ পায়, তাহলে দেশ অবশ্যই উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!