'ক' একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। যেখানে 'খ' নামক একটি প্রতিষ্ঠান আছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কাজ হচ্ছে সরকার গঠন করা। এটি সৎ, দক্ষ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে। প্রতিষ্ঠানটির কিছু কর্মসূচি জনগণের মনে আশার সঞ্চার করতে পারে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকায় আওয়ামী মুসলীম লীগ নামে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য ১৯৫৫ সালে দলের নাম থেকে 'মুসলীম' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও শোষণমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ আওয়ামী লীগের মূলনীতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই দল পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের তথ্য মতে 'ক' রাষ্ট্রে 'খ' নামক প্রতিষ্ঠানটি হলো রাজনৈতিক দল।
রাজনৈতিক দল হলো নির্দিষ্ট মতাদর্শে সংগঠিত এমন এক জনগোষ্ঠী, যা সাংবিধানিক উপায়ে সরকার গঠন, দেশ পরিচালনা এবং জনস্বার্থে কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের 'খ' নামক' প্রতিষ্ঠানটির গঠন ও কার্যক্রমে রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্যই পাওয়া যায়। আর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো রাজনৈতিক দল।
রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ হচ্ছে তার আদর্শ ও কর্মসূচির পক্ষে জনমত গঠন করা। এই জনমত গঠনে রাজনৈতিক দল বিভিন্ন সভা, মিছিল ও গণযোগাযোগের কর্মসূচি গ্রহণ করে। রাজনৈতিক দলের কাজ হচ্ছে জনগণকে তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতন করা। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলো তাদের দলীয় কর্মসূচি ব্যাখ্যা করে এবং অন্যান্য দলের কাজের সমালোচনা করে। জনগণ বিভিন্ন দলের মতামত, আলোচনা- সমালোচনা ইত্যাদি থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার অনেক বিষয় জানতে পারে। এভাবে সাধারণ জনগণ রাজনৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ওঠে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচনে বিজয়ী দল সরকার গঠন করে এবং দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আইনসভায় বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করে। সরকারের কোনো কাজে ভুল হলে বিরোধী দলের প্রধান কাজ হচ্ছে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া। এছাড়া, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে একত্রিত করে তাদের স্বার্থ রক্ষা, বিভিন্ন স্বার্থকে একত্রিত করে একটি কর্মসূচিতে পরিণত করাও রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ। রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গিয়ে তাদের কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নীতি প্রণয়ন করে। এই নীতি বাস্তবায়নের ওপর সামাজিক ঐক্য নির্ভর করে। রাজনৈতিক দল এর সদস্য ও নেতাদেরকে গণতান্ত্রিক আচার-আচরণে অভ্যস্ত হতে শেখায়। যেমন- দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় দলের নেতা ও কর্মীদেরকে সুযোগ দেওয়া হয় এবং অন্যের মতের প্রতি সহনশীল হতে শেখায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

রাজনৈতিক দলের যেসব কর্মসূচি জনগণের মনে আশার সঞ্চার করতে পারে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো-
১. জনসংখ্যা সমস্যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা। রাজনৈতিক দলগুলো জনসংখ্যা বৃদ্ধির কুফল সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড প্রচার করে জনগণের মনে আশার সঞ্চার করতে পারে। ২. খাদ্যে ভেজাল রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো সম্মিলিতভাবে কর্মসূচি প্রণয়ন করলে জনগণের মনে আশা সঞ্চারিত হতে পারে। ৩. পরিবেশ ও নদী দূষণ প্রতিরোধকল্পে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করলে জনগণ রাজনৈতিক দলের প্রতি আশান্বিত হতে পারে। দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাজনৈতিক দল সামগ্রিকভাবে সরকারকে সহযোগিতা করতে পারে। ৪. সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিরসনে রাজনৈতিক দল সচেতনতামূলক কর্মসূচি প্রণয়ন করতে পারে। ৫. বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান বৃদ্ধি নিরসনে উভয় দেশের মধ্যে চুক্তি কার্যকর করতে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারে। ৬. খাদ্যদ্রব্য ও জ্বালানি তেলের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজনৈতিক দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে। ৭. ক্রমবর্ধমান যানজট এবং রাস্তাঘাট সংস্কারের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি পেশ করে তা বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগ করতে পারে। ৮. এছাড়া রাজনৈতিক দল জাতীয় ইস্যুগুলোতে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি প্রণয়ন করে জনগণের মনে আশা জাগাতে পারে।
উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, উল্লিখিত কর্মসূচিগুলো গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের মনে আশার সঞ্চার করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
130

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল অপরিহার্য । আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা মূলত রাজনৈতিক দলেরই শাসন । জনগণের ভোটের মাধ্যমে গঠিত সরকার হচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার । আর রাজনৈতিক দল ছাড়া এই গণতান্ত্রিক সরকার গঠন সম্ভব নয়। এ অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে আমরা রাজনৈতিক দল কী, গণতন্ত্রের সাথে রাজনৈতিক দল ও নির্বাচনের সম্পর্ক, নির্বাচন কমিশন কী ইত্যাদি সম্পর্কে জানব ।

এ অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে আমরা-

♦ রাজনৈতিক দলের ধারণা ও বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব

♦ গণতন্ত্রের বিকাশে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব

♦ বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের বর্ণনা দিতে পারব

♦ গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক নিরূপণ করতে পারব

♦  বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা লাভের মাধ্যমে সরকার গঠন করা।
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আদর্শ ও কর্মসূচিভিত্তিক রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি। রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ক্ষমতায় গিয়ে দলের নীতি ও আদর্শ অনুযায়ী দেশ পরিচালনা এবং নির্বাচনি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। রাজনৈতিক দল একটি আদর্শ বা কিছু নীতি বা কর্মসূচির ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.5k
উত্তরঃ

'খ' ব্যক্তি প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন।
নির্বাচন হচ্ছে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের প্রক্রিয়া। স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ভোটাধিকার প্রাপ্ত সব নাগরিক ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বাছাই করে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ এ দুই প্রকার নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হন। প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রকাশ্য অথবা গোপন ভোটদান পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। প্রকাশ্য ভোটদান পদ্ধতিতে ভোেটারগণ তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে সকলের সামনে প্রকাশ্যে ভোট দেয়। এতে ভোটাররা প্রকাশ্যে 'হ্যাঁ' ধ্বনি বা 'হাত তুলে' সমর্থন দান করে। অন্যদিকে গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে ভোটারগণ গোপনে ব্যালটপত্রে পছন্দকৃত ব্যক্তির নামের পাশে নির্ধারিত চিহ্ন একে বা সিল দিয়ে ভোট প্রদান করে।
উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে ঢাকার একটি আসনের ভোটাররা 'খ' ব্যক্তিকে সৎ ও যোগ্য মনে করে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। অর্থাৎ 'খ' ব্যক্তি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়েছেন। আর বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় গোপন ভোটদান পদ্ধতির প্রচলন রয়েছে। গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে ভোটাররা গোপনে ব্যালটপেপারে পছন্দের ব্যক্তির নামের পাশে নির্ধারিত চিহ্ন এঁকে বা সিল দিয়ে ভোট দেন। অর্থাৎ উদ্দীপকের 'খ' ব্যক্তিও প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়েছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
698
উত্তরঃ

নির্বাচনে 'ক' ও 'খ' ব্যক্তির কাজগুলোর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলের অন্যতম প্রধান কাজ জনমত গঠনের প্রতিফলন ঘটেছে।
রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ হচ্ছে দলীয় আদর্শ ও কর্মসূচির পক্ষে জনমত গঠন করা। এই জনমত গঠনে রাজনৈতিক দল বিভিন্ন সভা, মিছিল ও গণযোগাযোগের কর্মসূচি গ্রহণ করে। এছাড়াও রাজনৈতিক দল জনগণকে তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতন করে তোলার মাধ্যমে দলীয় কর্মসূচির ব্যাখ্যা এবং অন্য দলের কাজের গঠনমূলক সমালোচনা করে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে 'ক' ও 'খ' ব্যক্তি ঢাকার একটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন। এছাড়াও নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন স্থানে মিটিং, মিছিল কর্মসূচি পালন করে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' ব্যক্তি জনমত গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনে জয়লাভের চেষ্টা চালিয়েছেন।
সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' ব্যক্তির ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময়, মিটিং, মিছিল প্রভৃতি কর্মসূচির মাধ্যমে রাজনৈতিক দলের জনমত গঠনের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
604
উত্তরঃ

আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকায় আওয়ামী মুসলীম লীগ নামে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য ১৯৫৫ সালে দলের নাম থেকে 'মুসলীম' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও শোষণমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ আওয়ামী লীগের মূলনীতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই দল পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
275
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews