'ক' একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। সেখানে একটি নির্বাচিত সরকার - আছে। যথেষ্ট প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদ থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে শাসকগোষ্ঠীর একগুয়েমি, জবাবদিহিতার অভাব ও দুর্নীতি = ইত্যাদি কারণে সেখানে জনগণের স্বার্থ উপেক্ষিত। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

আইন হচ্ছে সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মকানুন, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

সমাজজীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ড যেসব নীতির মাধ্যমে পরিচালিত করে তাদের সমষ্টিকে সামাজিক মূল্যবোধ বলে স্টুয়ার্ট মি. ডড. এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ হলো সেসব রীতিনীতির সমষ্টি' যা ব্যক্তি সমাজের নিকট হতে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট হতে লাভ করে।” ক্লাইভ ক্রুসোন এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত।” সুতরাং সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে শিষ্টাচার, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সহনশীলতা, সহমর্মিতাবোধ, শৃঙ্খলাবোধ, সৌজন্যবোধ প্রভৃতি সুকুমারবৃত্তি বা গুণাবলির সমষ্টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আলোচিত 'ক' রাষ্ট্রে সুশাসনের সমস্যা রয়েছে। 'ক' রাষ্ট্রে নির্বাচিত সরকার, যথেস্ট প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদ থাকা

সত্ত্বেও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে শাসকগোষ্ঠীর একগুঁয়েমি, জবাবদিহিতার অভাব ও দুর্নীতি ইত্যাদি কারণে সেখানে জনগণের স্বার্থ উপেক্ষিত হচ্ছে। অর্থাৎ 'ক' রাষ্ট্রে সুশাসনের অভাব রয়েছে। যার কারণে জনগণ তাদের স্বার্থ থেকে বঞ্চিত।
উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের শাসকগোষ্ঠী একগুঁয়ে স্বভাবের। ফলে তারা যা ইচ্ছা তাই করে থাকে। আর রাষ্ট্রের জনগণকে তা মেনে নিতে হয়। তাছাড়া শাসকগোষ্ঠীর জবাবদিহিতার অভাব থাকার কারণে তারা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারীরূপে আবির্ভাব হতে পারে। তারা জনগণের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা না করেই বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি গ্রহণ করতে পারে। আর জবাবদিহিতা না থাকায় তারা তাদের কার্যাবলিতে স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি প্রভৃতির আশ্রয় লাভ করতে পারে। ব্যক্তিস্বার্থ অর্জনের বা ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারই দুর্নীতি। যে কর্মকাণ্ড সাধারণভাবে বিবেকের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় তাকেই দুর্নীতি বলা হয়। রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সামাজিক ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি খাটিয়ে অবৈধ সুযোগ নেওয়া, কারও সম্পত্তি দখল করা, জনগণের অধিকার ভোগে বিঘ্ন সৃষ্টি- এসবই দূর্নীতির অন্তর্ভুক্ত। এসব কাজ জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী। এগুলো সুশাসনেরও পরিপন্থী।
তাই শাসকগোষ্ঠীর একগুঁয়েমি, জবাবদিহিতার অভাব ও দুর্নীতি প্রভৃতি সুশাসনে সমস্যার সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আলোচিত রাষ্ট্রে সুশাসনের সমস্যা বিদ্যমান।

তাই উক্ত রাষ্ট্রের সমস্যা সমাধানের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা অতীব জরুরী। সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হলে উক্ত রাষ্ট্রের সমস্যা এমনিতেই দূরীভূত হতে পারে। উক্ত রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায় হলো শাসকগোষ্ঠীর একগুঁয়েমি, জবাবদিহিতার অভাব ও দুর্নীতি। তাই উক্ত রাষ্ট্রের সমস্যা সমাধানে প্রথমে এই ক্ষেত্রগুলোতে কাজ করতে হবে। শাসকগোষ্ঠীকে তাদের একগুঁয়ে স্বভাবের পরিবর্তন করতে হবে। শাসকগোষ্ঠীকে কর্তব্যনিষ্ঠ ও সৎ হতে হবে। এছাড়া শাসকগোষ্ঠীকে নৈতিক গুণের অধিকারী হতে হবে। শাসকগোষ্ঠীর মাঝে এই গুণগুলো থাকলে তারা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে এবং সমাজের উন্নয়ন সাধিত হবে এবং জনগণের স্বার্থের জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। তাই 'ক' রাষ্ট্রের শাসকগোষ্ঠী থেকে শুরু করে সরকারি কার্যক্রমের সকল পর্যায়ে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এক্ষেত্রে 'ক' রাষ্ট্রের সরকারকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আর বিশ্বের যেকোনো দেশের সুশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত হচ্ছে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা অথবা দুর্নীতির মাত্রা কমানো। দুর্নীতি জাতীয় সম্পদের সঠিক বণ্টনে বাধা প্রদান করে এবং ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করে। এ দুর্নীতির কারণেই 'ক' রাষ্ট্রে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তার যথাযথ ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।

ফলে জনগণ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। তাই 'ক' রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবশ্যই দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অধিক হারে ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতির প্রয়োগ, ব্যবহার, সিটিজেন চার্টার প্রণয়ন, নাগরিকের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার প্রতিষ্ঠা, সরকারি কাজে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের উন্নয়ন সাধন, কার্যকর ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে কার্যকরভাবে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব। এক্ষেত্রেও 'ক' রাষ্ট্রের সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এভাবেই মূলত 'ক' রাষ্ট্রের সমস্যাগুলো সমাধান করার মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা যাবে বলে আমি মনে করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
78
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
228
উত্তরঃ

সাধারণভাবে রাজনৈতিক অঙ্গনের অস্থিতিশীল পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলা হয়। একটু ব্যাপকভাবে বলতে গেলে ভঙ্গুর গণতান্ত্রিক পরিবেশে যখন রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে সুষ্ঠু রাজনীতি চর্চার অভাবহেতু পারস্পরিক অবিশ্বাস, সন্দেহ, কোন্দল এবং হানাহানি ও সহিংসতা দেখা দেয়, সেই পরিবেশকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বলে। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশে দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। এর ফলে গণতন্ত্র ব্যাহত হয়, নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে না। অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সুশাসনের অন্তরায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
744
উত্তরঃ

ক' দেশটির উল্লিখিত সমস্যাগুলো সামাজিক সমস্যা। কোনো দেশের আর্থসামাজিক বিপর্যয়ের ওপর নির্ভর করে এ ধরনের সামাজিক সমস্যার জন্ম হয়। এরূপ সামাজিক সমস্যা অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে থাকে। যেমন অধিক জনসংখ্যা একটি সামাজিক সমস্যা, কিন্তু এটি অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে, পরিবেশ বিপন্ন করে, সামাজিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে, রাজনৈতিক পরিবেশকে প্রভাবিত করে থাকে। অধিক জনসংখ্যা শিক্ষা বিস্তারে বাধার কারণ হয়। একই সাথে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়, অপরাধপ্রবণতা বাড়ে অর্থাৎ একটি সমস্যা থেকে একাধিক সমস্যার উৎপত্তি হয়। উদ্দীপকের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। এসব মূলত সামাজিক সমস্যা হলেও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যারও সৃষ্টি করে থাকে। যেকোনো দেশের জন্য এসব সমস্যা সুশাসনের অন্তরায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পথে এসব সমস্যা যখন বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন তা সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। আর সুশাসনের অন্তরায় দুঃশাসনকে টেনে আনে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
181
উত্তরঃ

সুনাগরিকগণ একটি দেশের সর্বোত্তম সম্পদ। একটি দেশের অগ্রগতি, উন্নতি নির্ভর করে সুনাগরিকদের কাজের ওপর। 

কোনোদেশের সরকারের একার পক্ষে দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। জনগণ ও সরকার সম্মিলিতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারে। উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশটির সমস্যা সমাধানেও নাগরিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কোনো দেশের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধান সরকার যত কার্যক্রমই গ্রহণ করুক না কেন, জনগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়া তা সম্ভব নয়। জনসংখ্য পরিকল্পনায় প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।
জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সচেতনতা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য আবশ্যক। শিক্ষা বিস্তারে দেশের জনগণ সরকারকে সহযোগিতা করতে পারে। শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিটি নাগরিককে এক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। যারা শিক্ষার আলো থেকে দূরে, তাদেরকে শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব নয়। শিক্ষাই উন্নতির সোপান, কথাগুলো শিক্ষা বঞ্চিতদেরকে বোঝাতে হবে।

সন্ত্রাস ও দুর্নীতি একটি দেশের জন্য অভিশাপস্বরূপ। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সমাজেরই অংশ। নাগরিকদের একটি অংশই এ কাজে যুক্ত থাকে। সন্ত্রাস ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকেই সজাগ থাকতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে দুর্নীতি থেকে মুক্ত থাকে, সেজন্য নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। দুর্নীতিবাজদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি দূর করা খুবই সহজ কাজ। এ ব্যাপারে নাগরিকদেরকে এগিয়ে আসতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
183
উত্তরঃ

শাসন প্রক্রিয়ায় সুশৃঙ্খল, কাঠামোবদ্ধ ও আদর্শ এমন রূপকে সুশাসন বলা হয় যেখানে আইনের শাসন, নিরপেক্ষ, সংবেদনশীল, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং কার্যকর শাসন পদ্ধতি চালু থাকবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
520
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন। আইনের
শাসন বলতে মূলত বোঝানো হয় রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন
প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকারের সংরক্ষণকে। সংখ্যালঘু ও
রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর শর্ত। স্বাধীন

নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। এটি জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ। 

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
290
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews