'ক'-বিভাগ তথা কৃষিকাজ, খনি, শিল্প, ব্যবসায়-বাণিজ্যের ফলে যে অর্থনৈতিক কার্যাবলি সংঘটিত হয় তা প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের কাজ। সুতরাং, এগুলো সামাজিক পরিবেশের অন্তর্ভুক্ত। আর 'খ' বিভাগ প্রাকৃতিক পরিবেশের অন্তর্ভুক্ত।
নিচের ক ও খ-বিভাগ অর্থাৎ প্রাকৃতিক ও সামাজিক পরিবেশের মধ্যে
তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-
পরিবেশ দুই প্রকার। ভৌত বা প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সামাজিক পরিবেশ। প্রকৃতির জড় ও জীব উপাদান নিয়ে যে পরিবেশ তাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে। এই পরিবেশে থাকে মাটি, পানি, বায়ু, পাহাড়, পর্বত, নদী, সাগর, আলো, গাছপালা, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, মানুষ ও অন্যান্য ক্ষুদ্র প্রাণী। অপরদিকে মানুষের তৈরি পরিবেশ হলো সামাজিক পরিবেশ। মানুষের আচার-আচরণ, উৎসব-অনুষ্ঠান, রীতি-নীতি, শিক্ষা, মূল্যবোধ, অর্থনীতি, রাজনীতি ইত্যাদি নিয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে তা হলো সামাজিক পরিবেশ।
Related Question
View Allভূগোল শব্দটি সর্বপ্রথম ইরাটসথেনিস ব্যবহার করেছেন।
পৃথিবীর প্রায় চারভাগের তিনভাগই সমুদ্র। তাই সমুদ্রবিদ্যার বিষয়বস্তুও ব্যাপক।
সমুদ্রপথে যোগাযোগ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থান, অবনমন, সমুদ্রের পানির রাসায়নিক গুণাগুণ ও লবণাক্ততা নির্ধারণ, সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি সমুদ্রবিদ্যার বিষয়বস্তুর অন্তর্গত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!