ক' ও 'খ' এসএসসি পাশ করার পর একই কলেজে একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে। তাদের দুই জনের দুটি আলাদা বিষয় আছে। মজার ব্যাপার হলো বিষয় দুটি আলাদা হলেও একটি অপরটির সাথে সম্পর্কযুক্ত। 'ক' এর বিষয়টি নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, আচার-আচরণ, আইন, স্বাধীনতা নিয়ে অলোচনা করে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ নাগরিক বা নগররাষ্ট্র

‘Civitas’ একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ হলো নাগরিক বা নগররাষ্ট্র (city-state)। এটি প্রাচীন রোমের প্রেক্ষাপটে নাগরিকত্ব এবং নগরবাসী সমষ্টিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হত। পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনায় ‘Civitas’ শব্দটি রাষ্ট্র এবং এর নাগরিকদের মধ্যকার সম্পর্ক, অধিকার ও কর্তব্যসমূহকে নির্দেশ করে। এই ধারণা থেকেই আধুনিক রাষ্ট্রে নাগরিকত্বের বিভিন্ন দিক বিকশিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

পৌরনীতি হলো সমাজবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা যা নাগরিক, রাষ্ট্র ও সুশাসন সম্পর্কিত বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করে। এটি নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, রাষ্ট্র গঠনের উপাদান, সরকারের বিভিন্ন রূপ ও কার্যাবলী, এবং রাষ্ট্রের সাথে নাগরিকের সম্পর্ক নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞান দান করে।

'Civics' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'civitas' ও 'civis' থেকে এসেছে। 'Civitas' অর্থ নগররাষ্ট্র এবং 'civis' অর্থ নাগরিক। প্রাচীন গ্রিসে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগররাষ্ট্র ছিল এবং সেখানে যারা বসবাস করত, তাদের বলা হতো নাগরিক। এই নাগরিকদের জীবনযাপন প্রণালী এবং তাদের কার্যাবলী নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করত, তাই ছিল পৌরনীতি।

আধুনিক ধারণায়, পৌরনীতি শুধুমাত্র নাগরিক ও রাষ্ট্রের সম্পর্কই নয়, বরং সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার, আইনের শাসন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি, স্থানীয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং নাগরিকের সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন দিকও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি নাগরিককে সচেতন ও দায়িত্বশীল করে তোলে এবং একটি উন্নত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে উৎসাহিত করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রদত্ত 'ক' এর বিষয়টি তোমার পঠিত পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত।

পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি:

পৌরনীতি ও সুশাসন একটি গতিশীল ও ব্যাপক সামাজিক বিজ্ঞান। এর পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত এবং এটি রাষ্ট্র, নাগরিক ও তাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করে। নিচে এর প্রধান প্রধান পরিধি উল্লেখ করা হলো:

  • নাগরিক ও নাগরিকতা: পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকের ধারণা, নাগরিকতা অর্জন ও বিলোপ, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য এবং আদর্শ নাগরিকের গুণাবলি সম্পর্কে আলোচনা করে।
  • রাষ্ট্র ও সরকার: রাষ্ট্র কী, এর উৎপত্তি, বৈশিষ্ট্য, কার্যাবলি, বিভিন্ন রূপ (যেমন—কল্যাণমূলক রাষ্ট্র), সরকারের বিভিন্ন বিভাগ (আইনসভা, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ) এবং তাদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি নিয়ে আলোচনা করে।
  • আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য: আইন, স্বাধীনতা ও সাম্যের ধারণা, এদের প্রকারভেদ, উৎস এবং সমাজে এদের গুরুত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে।
  • সংবিধান ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: বিভিন্ন দেশের সংবিধানের ধরন, সংবিধানের শ্রেণিবিভাগ, সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা, সরকারি দল ও বিরোধী দলের ভূমিকা ইত্যাদি সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে আলোচনা করে।
  • রাজনৈতিক দল ও জনমত: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, কার্যাবলি, বিভিন্ন ধরনের চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী এবং জনমত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ও এর গুরুত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করে।
  • রাজনৈতিক মতবাদ: উদারনীতিবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, একনায়কতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ইত্যাদি বিভিন্ন রাজনৈতিক মতবাদ ও দর্শন সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে।
  • সুশাসন: সুশাসন কী, এর উপাদানসমূহ (যেমন—স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, অংশগ্রহণ), সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা এবং বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার উপায়সমূহ নিয়ে আলোচনা করে।
  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: জাতীয় ঐকমত্য, জাতীয় সংহতি, দেশপ্রেম এবং জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, সার্ক-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর গঠন, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি এর পরিধির অন্তর্ভুক্ত।
  • সমাজ ও পরিবার: সমাজ ও পরিবারের ধারণা, এদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ এবং রাষ্ট্রের সাথে এদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের ক্রমবিকাশ একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া, যা মানব সভ্যতার উন্মেষকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন ঐতিহাসিক পর্যায় অতিক্রম করেছে। রাষ্ট্র হঠাৎ করে তৈরি হয়নি, বরং মানুষের সামাজিক জীবনযাপন ও প্রয়োজনের তাগিদেই ধাপে ধাপে এর ধারণা ও কাঠামো বিকশিত হয়েছে। পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনায় রাষ্ট্রের ক্রমবিকাশ একটি মৌলিক বিষয়।

রাষ্ট্রের উৎপত্তির বিভিন্ন মতবাদ প্রচলিত থাকলেও, ঐতিহাসিক বা ক্রমবিকাশমূলক মতবাদ রাষ্ট্রকে একটি বিবর্তনশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখে। এই মতবাদ অনুযায়ী, পরিবার থেকে গোত্র, গোত্র থেকে উপজাতি এবং উপজাতি থেকে গ্রাম, জনপদ ও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়েছে। প্রধানত নিম্নোক্ত পর্যায়গুলো রাষ্ট্রের ক্রমবিকাশের ধারায় উল্লেখযোগ্য:

        
  • রক্তসম্পর্কের বন্ধন (Kinship/Family Stage): মানব সমাজের আদিমকালে পরিবারই ছিল সামাজিক সংগঠনের মূল ভিত্তি। রক্তসম্পর্ক এই ছোট ছোট দলগুলোকে একত্রিত করত এবং পরিবার প্রধানই ছিলেন তাদের নেতা। এই সময় রাষ্ট্রীয় কাঠামো অনুপস্থিত ছিল, কেবল পারিবারিক অনুশাসনই ছিল।
  •     
  • গোষ্ঠী বা গোত্র (Tribe/Clan Stage): একাধিক পরিবার মিলে গোষ্ঠী বা গোত্রের সৃষ্টি হয়। রক্তসম্পর্কের পাশাপাশি সাধারণ স্বার্থ ও ভৌগোলিক নৈকট্য এই গোত্রগুলোকে একত্রিত করে। গোত্রপ্রধান বা সরদার তাদের নেতৃত্ব দিতেন। এই পর্যায়ে আইনের ধারণা অত্যন্ত দুর্বল ছিল।
  •     
  • গ্রাম্য বা কৃষিভিত্তিক সমাজ (Village/Agricultural Society): কৃষি আবিষ্কারের ফলে মানুষ এক জায়গায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে এবং গ্রাম গড়ে ওঠে। গ্রামের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতির উদ্ভব হয়। এই সময়ে সম্পত্তির ধারণা এবং ব্যক্তিগত মালিকানা গুরুত্ব লাভ করে, যা রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তাকে বাড়িয়ে তোলে।
  •     
  • নগর-রাষ্ট্র (City-State): প্রাচীন গ্রিসে নগর-রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়, যা রাষ্ট্রের ক্রমবিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এথেন্স ও স্পার্টার মতো নগর-রাষ্ট্রগুলোতে সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমা, জনসংখ্যা, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব – রাষ্ট্রের চারটি মৌলিক উপাদানের আংশিক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এখানে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ছিল এবং রাষ্ট্রীয় কার্যাবলি পরিচালিত হতো।
  •     
  • সামন্ততান্ত্রিক রাষ্ট্র (Feudal State): মধ্যযুগে ইউরোপে সামন্ততান্ত্রিক রাষ্ট্রের ধারণা বিকশিত হয়। এ সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা দুর্বল ছিল এবং ভূমিভিত্তিক ক্ষমতা কাঠামোই প্রাধান্য বিস্তার করত। রাজা, সামন্ত প্রভু ও কৃষকদের মধ্যে একটি শ্রেণিবিন্যাস ছিল, যেখানে ভূমিই ছিল ক্ষমতার উৎস। এটি ছিল একটি আঞ্চলিক, বিভক্ত ও অসংগঠিত রাষ্ট্রীয় রূপ।
  •     
  • জাতি-রাষ্ট্র (Nation-State): আধুনিক রাষ্ট্রের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ রূপ হলো জাতি-রাষ্ট্র। মধ্যযুগের শেষে, বিশেষত ওয়েস্টফালিয়া শান্তিচুক্তি (১৬৪৮) এর পর থেকে এর বিকাশ ঘটে। জাতি-রাষ্ট্রে একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসকারী একই ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অধিকারী জনগোষ্ঠী একত্রিত হয়ে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এটি আধুনিক রাষ্ট্রের মূলভিত্তি।

আধুনিক জাতি-রাষ্ট্র কল্যাণমূলক রাষ্ট্র, সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র, পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ইত্যাদি বিভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। বর্তমান যুগে বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির অগ্রগতির প্রভাবে রাষ্ট্রের ভূমিকা ও ক্ষমতা ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে, যা রাষ্ট্রের ক্রমবিকাশের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এভাবেই রাষ্ট্র মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে ধাপে ধাপে বিকশিত হয়ে আজকের আধুনিক রূপ পরিগ্রহ করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
146

Related Question

View All
উত্তরঃ

“Government of the people, by the people, for the people ”.

“জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, জনগণের সরকার ”।

তিনি ১৮৬৩ সালের গেটিসবার্গ ভাষণে দেন। গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ  ও সর্বজনীন স্বীকৃত সংজ্ঞা হিসেবে বিবেচিত।। 

Sajeda Akter
Sajeda Akter
1 year ago
2.4k
উত্তরঃ

ইতিহাস ও পৌরনীতি ও সুশাসন একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পরিপূরক। ইতিহাস ব্যতীত পৌরনীতি ও সুশাসন এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ব্যতীত ইতিহাসের আলোচনা অসম্পূর্ণ, কারণ উভয় বিষয়ই মানব সমাজ, রাষ্ট্র এবং নাগরিক জীবনকে বোঝার জন্য অপরিহার্য।

পৌরনীতি ও সুশাসন মূলত নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে এবং এর মূল ভিত্তি হলো মানব সভ্যতার বিবর্তন। অন্যদিকে, ইতিহাস অতীতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে আলোচনা করে যা পৌরনীতি ও সুশাসনের বিভিন্ন ধারণা যেমন – নাগরিক অধিকার, কর্তব্য, সরকার ও সংবিধানের বিবর্তন ইত্যাদি বুঝতে সাহায্য করে। ইতিহাসের জ্ঞান না থাকলে একটি রাষ্ট্রের বর্তমান শাসনব্যবস্থা, আইনি কাঠামো বা নাগরিকদের অধিকারের পেছনের প্রেক্ষাপট বোঝা অসম্ভব। আবার, ইতিহাস রাষ্ট্র, সরকার ও নাগরিক জীবনের বিবর্তনকে সহজবোধ্য করতে পৌরনীতি ও সুশাসনের নীতি ও তত্ত্বের সাহায্য নেয়। এইভাবে, উভয় বিষয় একে অপরের তথ্য, ধারণা ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান প্রদান করে।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
1.7k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের ধারণা নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের জ্ঞানার্জনের প্রয়োজন।

পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, রাষ্ট্র, আইন, স্বাধীনতা, সাম্য, সংবিধান, সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণাকারী একটি গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞান। এই বিষয়টি অধ্যয়ন করে নাগরিকগণ নিজেদের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবন সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার প্রেরণা লাভ করে। এটি একজন নাগরিককে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং একটি সুস্থ ও সুসংগঠিত সমাজ গঠনে সহায়তা করে।

উদ্দীপকে সফিক সাহেব তার শিক্ষার্থীদের নাগরিক অধিকার, কর্তব্য, স্বাধীনতা ও আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিতে পৌরনীতি ও সুশাসন জ্ঞানার্জনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, "প্রত্যেকেরই নিজ নিজ রাষ্ট্রের উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্ব সভ্যতার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।" এই সকল বিষয়গুলি অর্থাৎ নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, স্বাধীনতা, আইন, রাষ্ট্র ও বিশ্ব সভ্যতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ অপরিহার্য। তাই সফিক সাহেব যে বিষয়টির জ্ঞানার্জনের গুরুত্বারোপ করেছেন, তা হলো পৌরনীতি ও সুশাসন।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
981
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সফিক সাহেবের গুরুত্বারোপ করা বিষয়টি হলো পৌরনীতি ও সুশাসন। নিঃসন্দেহে এই বিষয়ের জ্ঞান শুধু রাষ্ট্রের উন্নতি নয়, বিশ্ব সভ্যতার উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।

সফিক সাহেব তার শিক্ষার্থীদের নাগরিক অধিকার, কর্তব্য, স্বাধীনতা ও আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিতে গুরুত্ব দিয়েছেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে যখন ব্যক্তি তার অধিকার সম্পর্কে সজাগ থাকে এবং কর্তব্য পালনে সচেষ্ট হয়, তখন সে নিজ রাষ্ট্রের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও স্বাধীনতার সঠিক ব্যবহারকারী নাগরিকেরা একটি সুশৃঙ্খল সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করে, যা সামগ্রিক মানব সভ্যতার ভিত্তি।

পৌরনীতির জ্ঞান নাগরিকদের শুধুমাত্র নিজ দেশের আইন ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করে না, বরং আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব উপলব্ধিতে সহায়তা করে। যখন বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সহযোগিতার মূল্য বোঝে, তখনই বিশ্ব সভ্যতা এগিয়ে যায়। পরমতসহিষ্ণুতা, গণতন্ত্রের চর্চা, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উন্নয়ন ইত্যাদি পৌরনীতির মৌলিক ধারণাগুলো বিশ্বজুড়ে জাতিগত সংঘাত হ্রাস ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য।

সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়ের জ্ঞান (পৌরনীতি ও সুশাসন) ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে বিশ্ব সভ্যতার সার্বিক অগ্রগতি, শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়নে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। তাই উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে আমি দৃঢ়ভাবে একমত।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews