'ক' কার্যাবলি প্রথম পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলি এবং 'গ' কার্যাবলি তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলি। দুটি কার্যাবলির মধ্যে তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলি উন্নত দেশের অর্থনৈতিক কার্যাবলি।
প্রথম পর্যায়ের কার্যাবলিতে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে সরাসরি কাজ করে। পশু শিকার, মৎস্য শিকার, কাঠ চেরাই, পশুপালন, খনিজ উত্তোলন, কৃষিকাজ এ জাতীয় কার্যাবলি। উন্নত বিশ্বে খুব কম সংখ্যক লোক এ জাতীয় কার্যাবলিতে জড়িত।
তৃতীয় পর্যায়ের কার্যাবলিতে মানুষ উৎপাদন কার্য ব্যতীত অন্যান্য উপায়ে | প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যাবলি থেকে উৎপাদিত বস্তুসমূহের উপযোগিতা বৃদ্ধি করে এবং সেবাকার্য সম্পাদন করে। কোনো দেশের উৎপাদিত পণ্যের উদ্বৃত্তাংশ ঘাটতি অঞ্চলসমূহে প্রেরণ করলে ঐ বস্তুর উপযোগিতা অনেক পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। এটা সম্ভবপর হতে পারে ব্যবসা, বাণিজ্য পরিবহন ইত্যাদির মাধ্যমে। পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা, ফেরিওয়ালা, পরিবেশক, এজেন্ট, ব্যাংকার, শিক্ষক,
চিকিৎসক, নার্স, আইনজীবী, ধোপা, নাশিত, রিকশাচালক ঠেলাগাড়িওয়ালা প্রভৃতি অসংখা প্রকার জনসমষ্টির কার্যাবলি তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলির অন্তর্ভুপ্ত।
উন্নত দেশ যেমন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, চীন, ইতালি, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডে ৫০ শতাংশেরও বেশি মানুষ তৃতীয় পর্যায়ের অর্থনৈতিক কার্যাবলিতে জড়িত।।
সুতরাং বলা যায়, '১' উন্নত দেশের অর্থনৈতিক কার্যাবলি।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!