'ক' গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে অগ্নিসংযোগে নিহত শ্রমিকের পরিচয় শনাক্ত করতে DNA পরীক্ষা করা হয়। রাকিব এই ধরনের অগ্নিকাণ্ডের কথা মাথায় রেখে এমন এক যন্ত্র আবিষ্কার করেছে যা একই সময়ে অগ্নি নির্বাপণে ও উদ্ধারকার্যে সহায়তা করবে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি কৃত্রিম পরিবেশ, যেখানে ব্যবহারকারী নিজেকে বাস্তবের মতো অনুভব করে। এটি এমন এক প্রযুক্তি যা ব্যবহারকারীকে বাস্তবতার কাছাকাছি ত্রিমাত্রিক কাল্পনিক জগতে নিমজ্জিত করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

ক্রায়োসার্জারিতে সূক্ষ্ম সূচযুক্ত নল বা ক্রায়োপ্রোব (Cryoprobe) ব্যবহার করা হয় কারণ এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে (যেমন – ক্যান্সার কোষ বা অস্বাভাবিক টিস্যু) অত্যন্ত নির্ভুলভাবে এবং সুনির্দিষ্ট পরিমাণে হিমাঙ্ক তাপমাত্রা (cryogenic temperature) প্রয়োগ করা সম্ভব হয়। এর ফলে কেবলমাত্র আক্রান্ত টিস্যুই ধ্বংস হয় এবং এর চারপাশের সুস্থ টিস্যুর (tissue) ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

এই সূক্ষ্ম নলের সাহায্যে শরীরের ভেতরের সংবেদনশীল অঙ্গ যেমন – মস্তিষ্ক, চোখ, প্রোস্টেট গ্রন্থি অথবা ত্বকের উপরিভাগের ছোট ছোট অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে (lesions) নির্ভুলভাবে চিকিৎসা দেওয়া যায়। সূক্ষ্মতার কারণে এটি কম আক্রমণাত্মক (minimally invasive) হয়, যার ফলে রোগীর ব্যথা, রক্তপাত এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমে এবং দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়তা করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নিহত শ্রমিক শনাক্তকরণে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং (DNA Fingerprinting) বা ডিএনএ প্রোফাইলিং (DNA Profiling)। এটি একটি শক্তিশালী জৈব-প্রযুক্তিগত কৌশল যা প্রতিটি ব্যক্তির নিজস্ব ও অনন্য জেনেটিক তথ্য বিশ্লেষণ করে তার পরিচয় নিশ্চিত করে। সাধারণত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা, অপরাধ তদন্ত বা পিতৃত্ব নির্ণয়ের মতো জটিল পরিস্থিতিতে যখন অন্যান্য সনাক্তকরণ পদ্ধতি ব্যর্থ হয়, তখন এই প্রযুক্তি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সমাধান প্রদান করে।

ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং পদ্ধতিতে প্রথমে ব্যক্তি বা মৃতদেহের দেহকোষ থেকে (যেমন রক্ত, চুল, হাড়, মাংসপেশি) ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর সংগৃহীত ডিএনএ-এর নির্দিষ্ট কিছু অংশ, যেমন ভেরিয়েবল নাম্বার ট্যান্ডেম রিপিটস (Variable Number Tandem Repeats - VNTRs) বা শর্ট ট্যান্ডেম রিপিটস (Short Tandem Repeats - STRs) বিশ্লেষণ করা হয়। প্রতিটি মানুষের ডিএনএ বিন্যাস তার পিতামাতার কাছ থেকে প্রাপ্ত হওয়ায় তা অনন্য হয় এবং এই বিশেষ অংশগুলোর বিন্যাসেও ভিন্নতা দেখা যায়। এই বিন্যাসগুলোর একটি প্যাটার্ন তৈরি করে তা পরিচিত কোনো নমুনার (যেমন পরিবারের সদস্যের ডিএনএ) সাথে তুলনা করে ব্যক্তিটিকে নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা হয়।

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'ক' গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিসংযোগে নিহত শ্রমিকদের দেহ এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল যে প্রচলিত পদ্ধতি যেমন চেহারা, পোশাক বা আঙুলের ছাপ দেখে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব ছিল। এই ধরনের মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে, ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিহত শ্রমিকদের দেহাবশেষ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর এই নমুনাগুলো তাদের সম্ভাব্য পরিবারের জীবিত সদস্যদের ডিএনএ নমুনার সাথে তুলনা করে প্রত্যেক মৃত শ্রমিকের সঠিক পরিচয় নির্ভুলভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা শোকাহত পরিবারগুলোকে তাদের স্বজনদের শনাক্ত করতে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাকিবের আবিষ্কৃত যন্ত্রটি, যা একই সময়ে অগ্নি নির্বাপণ ও উদ্ধারকার্যে সহায়তা করে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী ও জরুরি একটি উদ্ভাবন। আধুনিক বিশ্বে অগ্নিকাণ্ড একটি সাধারণ দুর্যোগ, যা ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি সাধন করে। এই প্রেক্ষাপটে, এমন একটি সমন্বিত যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

উদ্দীপকে 'ক' গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনা এবং তাদের পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা বর্তমান অগ্নিকাণ্ড ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে। অনেক সময় অগ্নি নির্বাপণের পর উদ্ধারকার্য শুরু হয়, যা মূল্যবান সময় নষ্ট করে এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়ায়। রাকিবের যন্ত্রটি এই প্রচলিত পদ্ধতিকে যুগোপযোগী করে তোলে, কারণ এটি একই সঙ্গে আগুন নিভিয়ে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও কার্যকর করে। এটি অগ্নিকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি এবং মৃত্যুর হার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, যেমনটি 'ক' গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির মতো ঘটনায় দেখা যায় যেখানে দ্রুত উদ্ধারকার্য পরিচালনার অভাবে অনেক জীবনহানি ঘটে।

দৈনন্দিন জীবনে এই যন্ত্রের ব্যবহারিক দিক বহুবিধ। শুধু শিল্প-কারখানা নয়, আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক এলাকা, স্কুল, হাসপাতাল, এবং জনসমাগমপূর্ণ স্থানেও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি থাকে। একটি সমন্বিত অগ্নি নির্বাপণ ও উদ্ধারকারী যন্ত্র অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক পর্যায়েই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, ফলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা যায় এবং বিপন্ন মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়। এটি ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ঝুঁকিও হ্রাস করবে এবং তাদের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করবে। স্মার্ট সেন্সর ও স্বয়ংক্রিয় কার্যকারিতা যোগ করে এটিকে আরও উন্নত করা হলে, এটি যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

সুতরাং, উদ্দীপকে রাকিবের আবিষ্কৃত সমন্বিত অগ্নি নির্বাপণ ও উদ্ধারকারী যন্ত্রটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে শুধু ব্যবহারযোগ্যই নয়, বরং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অপরিহার্য একটি প্রযুক্তি হিসেবে গণ্য হতে পারে। এই ধরনের উদ্ভাবন দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতাকে বহুলাংশে বৃদ্ধি করবে এবং আধুনিক জীবনযাত্রায় নিরাপত্তার নতুন মাত্রা যোগ করবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
1.5k

অতীতের শিল্পবিপ্লবের অনুরূপ এই মুহূর্তে আমরা একটি শিল্পবিপ্লবের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি যে ৰিপ্পৰটিকে আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিপ্লব বলে আখ্যায়িত করতে পারি। এই বিপ্লনটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে এটি পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি মানুষের জীবনধারাকে স্পর্শ করেছে। পুরো পৃথিবীর সকল মানুষ প্রথমবার পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সহমর্মিতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি অভিন্ন মানবগোষ্ঠী হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করার সুযোগ পেয়েছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা-

  • বিশ্বগ্রামের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • বিশ্বগ্রামের ধারণা-সংশ্লিষ্ট প্রধান উপাদানগুলো ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবদান মূল্যায়ন করতে পারবে;
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ধারণা বিশ্লেষণ করতে পারবে:
  • প্রাত্যহিক জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারবে :
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাম্প্রতিক প্রবণতা বিশ্লেষণ করতে পারবে
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা বজায় রাখার পুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • সমাজ জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারবে :
  • অর্থনৈতিক উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারবে
  • মূল্যবোধ বজায় রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হবে।

 

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কম্পিউটার সিমুলেশন এর সাহায্যে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশ যা ব্যবহার কারীদের কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয় একে সিমুলেশনের পরিবেশ ও বলা হয় কম্পিউটার প্রযুক্তি ও কোন করণ বিধায় প্রয়োগ কৃত্রিম পরিবেশকে এমন ভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয় যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য বাস্তব বলে মনে হয়।

Md Ashadul Haque
Md Ashadul Haque
3 years ago
7.4k
উত্তরঃ

রোবোটিক্স (Robotics) হল বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের এমন একটি শাখা যেখানে রোবট তৈরির নকশা, নির্মাণ, কার্যক্ষমতা ও প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করা হয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্স এবং কম্পিউটার সায়েন্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রযুক্তি।

রোবোটিক্সের প্রধান অংশ

১. যান্ত্রিক নকশা (Mechanical Design) – রোবটের শরীর বা কাঠামো গঠনের জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করা হয়।

২. ইলেকট্রনিক্স (Electronics) – সেন্সর, মোটর ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদানের সাহায্যে রোবটকে কার্যক্ষম করা হয়।

৩. প্রোগ্রামিং (Programming) – সফটওয়্যার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রোবটের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রোবোটিক্সের ব্যবহার

শিল্প কারখানা: স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হয়।

স্বাস্থ্যসেবা: সার্জারি রোবট ও চিকিৎসা সহায়তা রোবট ব্যবহার করা হয়।

গবেষণা ও মহাকাশ: মহাকাশ অনুসন্ধানে রোবটিক যান (যেমন, NASA-র মার্স রোভার) ব্যবহৃত হয়।

সেনাবাহিনী: সামরিক ড্রোন ও যুদ্ধক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।

রোবোটিক্স দ্রুত উন্নতি করছে এবং ভবিষ্যতে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।

mohua pervin
mohua pervin
1 year ago
4.3k
উত্তরঃ

বিজ্ঞান ইঞ্জিনিয়ারিং উপযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে বিষয়টি উপর রোবটের  ধারণা নকশা উৎপাদন কার্যক্রম কিংবা সাধারণ বাস্তবায়ন করতে পারে তাই হচ্ছে রোবোটিক্স।

Md Ashadul Haque
Md Ashadul Haque
3 years ago
5.4k
উত্তরঃ

ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণকে বোঝায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটির মূল বিষয় হলো সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার দেশের শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য মোচনের ব্যবস্থা করা। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

MAGIC HERE
MAGIC HERE
2 years ago
9.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews