'ক' গ্রুপ

'খ' গ্রুপ

(i) কুরআন হাদিসের বিধানকে দৃঢ়ভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।

(i) কুরআন হাদিসের অধিক গুরুত্ব প্রদান।

(ii) কিয়াস ও যুক্তির প্রাধান্য দেয়।

(ii) মদিনাবাসীদের আমল, অভ্যাস ও প্রচলিত প্রথাকে গুরুত্ব দেয়।

(iii) উদার ও বাস্তবধর্মী এবং অমুসলিমদের অধিক স্বাধীনতা প্রদান করেছে।

(iii) ইসতিসলাহ বা জনকল্যাণকে উৎস হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ইমাম আবু হানিফা (র) ও ইমাম আবু ইউসুফ (র)-কে একত্রে শায়খাইন বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ইসলামি শরিয়তকে জানা ও মানার জন্য ফিকহশাস্ত্রের প্রয়োজন। সাধারণত ফিকহশাস্ত্র বলতে ইসলামি আইন বোঝানো হয়। ইসলাম অনুসারে জীবন পরিচালনা করার জন্য ইসলামি আইন তথা ফিকহশাস্ত্র অধ্যয়ন জরুরি। কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে কুরআন ও হাদিসের আলোকে গবেষণা করে ফিকহশাস্ত্রে সেই সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়েছে। তাই আমাদের জীবনযাপনের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় কুরআন ও হাদিসে সুস্পষ্ট বর্ণনা দেওয়া নেই সেসব বিষয়ে সঠিক জ্ঞান অর্জনের জন্য ইসলামি আইন তথা ফিকহশাস্ত্র শিখতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

গ্রুপ 'ক' এর বৈশিষ্ট্যগুলো হানাফি মাযহাবের বৈশিষ্ট্য। ইমাম আবু হানিফা (র) প্রবর্তিত মাযহাব হানাফি মাযহাব নামে পরিচিত। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মুসলিম এই মাযহাবের, অনুসারী। গ্রুপ 'ক' তে এ মাযহাবের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে। গ্রুপ 'ক' তে কুরআন হাদিসের বিধানকে দৃঢ়ভাবে গ্রহণ করা, কিয়াসের প্রাধান্য এবং উদার ও বাস্তবধর্মী এসব বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে হানাফি মাযহাবের ইঙ্গিত করা হয়েছে। এছাড়া হানাফি মাযহাবের মাসয়ালাসমূহ তত্ত্ব, তথ্য, হিকমত ও কল্যাণকামিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। অন্যান্য মাযহাবে শরিয়তের হুকুম-আহকাম কোনো কল্যাণকামিতার বিবেচনায় প্রবর্তিত হয়নি বলে বিশ্বাস করা হয়। তবে হানাফি মাযহাব ইসলামের বিধানে মানুষের কল্যাণ চিন্তার কথা বলে। এই মাযহাবে কুরআন-হাদিসের বিধানসমূহকে অত্যন্ত দৃঢ় ও যুক্তিগ্রাহ্য দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। তাছাড়া হানাফি ফিকহ একান্তই সহজ ও অনায়াসসাধ্য। মানুষের পার্থিক বিভিন্ন বিষয়ের ক্ষেত্রেও এই মাযহাবে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রযোজ্য হয়েছে। এসব কারণে পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মানুষ এই মাযহাবের অনুসারী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

গ্রুপ 'খ' এর বৈশিষ্ট্যাবলি মালিকি মাযহাবের বৈশিষ্ট্য।

ইমাম মালিক বিন আনাস (র) প্রতিষ্ঠা করেন মালিকি মাযহাব। তিনি তার সময়কালে সর্বশ্রেষ্ঠ হাদিস বিশেষজ্ঞ ছিলেন। ব্যক্তিগত বিচারবুদ্ধির চেয়ে হাদিসের ওপর বেশি নির্ভর করায় মালিকি মাযহাবের অনুসারীরা 'আহলে হাদিস' নামে পরিচিত। গ্রুপ 'খ' তে এ মাযহাবের বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।

গ্রুপ 'ক' তে হানাফি মাযহাবে কিয়াসের প্রাধান্য কুরআন হাদিসের বিধানে গুরুত্বারোপ এবং অমুসলিমদের স্বাধীনতা প্রদানের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। আর 'খ' তে মালিকি মাযহাবের কুরআন হাদিসের গুরুত্ব প্রধান, মদিনাবাসীদের প্রাধান্য এবং জনকল্যাণকে গ্রহণ করার দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে। উভয় মাযহাবের মধ্যে হানাফি মাযহাবের ক্ষেত্রে ইসলামি রাষ্ট্রের জিম্মি বা জিযিয়া কর দানকারী অমুসলিম নাগরিকদের একান্ত উদারতার সাথে স্বাধীনভাবে নিজেদের অধিকার ভোগের সুযোগ দিয়েছে। যেমন- জিম্মির রক্ত মুসলিমদের রক্তের মতো নিরাপদ। তারা স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে পারবে। তাদের ব্যক্তিগত আচরণ নিজস্ব ধর্মীয় বিধানের আলোকে পরিচলিত হওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু মালিকি মাযহাবে ব্যক্তিগত আচরণের কিছু কিছু বিষয় নিয়ন্ত্রণের অভিমত রয়েছে। তাছাড়া হানাফি মাযহাবে ইমাম আবু হানিফ (র) মানুষের পার্থিব প্রয়োজনাদি তথা লেনদেন ও আচরণের ক্ষেত্রে গভীর অন্তদৃষ্টি ও তত্ত্ব উপলব্ধির সাথে কাজ করেছেন। হানাফি মাযহাবে বিয়ের ক্ষেত্রে পূর্ণ অধিকার প্রাপ্তবয়স্কা কন্যার নিজের। কেননা ইসলাম নর-নারীকে পূর্ণ মর্যাদা দিয়েছে। মালিকি মাযহাবে এ অধিকার দেওয়া হয়নি। উল্লেখিত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায় মালিকি মাযহাবের চেয়ে হানাফি মাযহাব অধিক উদারপন্থী ও যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
132
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সিহাহ সিত্তাহ বলতে বিশুদ্ধ ছয়টি হাদিস গ্রন্থকে বোঝায়। হিজরি তৃতীয় শতকে হাদিস সংকলনের স্বর্ণযুগে হাদিস সংকলনের ক্ষেত্রে ছয়জন মুহাদ্দিস এবং তাদের সংকলিত গ্রন্থ বিশেষ প্রাধান্য পায়। এগুলো সর্বজনীন ও সর্বাঙ্গীন বিশুদ্ধতার স্বীকৃতি লাভ করে। ইলমে হাদিসের পরিভাষায় তাদের সংকলিত বিশুদ্ধ ছয়টি হাদিস গ্রন্থকে সিহাহ সিত্তাহ বলা হয়। এগুলো হলো- সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযি, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবন মাজাহ ও সুনানে আবু দাউদ। হাদিস সংকলকদের নাম অনুযায়ী উক্ত হাদিস গ্রন্থগুলোর নামকরণ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
377
উত্তরঃ

জনাব ময়নুল দ্বিতীয় উৎস হিসেবে হাদিস অধ্যয়ন করেন- যার গুরুত্ব অপরিসীম।

হাদিস অর্থ- কথা বা বাণী। ইসলামি পরিভাষায়, মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর কথা, কাজ ও মৌনসম্মতিকে হাদিস বলে। হাদিস হলো শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস। এটি আল কুরআনের মূলনীতিসমূহের বাস্তবরূপ ও ব্যাখ্যা। উদ্দীপকে এ উৎসের আলোকপাত হয়েছে।

উদ্দীপকের জনাব ময়নুল কুরআনের ব্যাখ্যা বোঝার জন্য হাদিস অধ্যয়ন করেন। মূলত ইসলামি জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান উৎস হলো হাদিসের জ্ঞান। মানুষ জীবন চলার পথে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতেই পারে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবন থেকে আন্তর্জাতিকভাবে উদ্ভূত সব সমস্যার সমাধান দিতে হাদিস অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। হাদিস মুসলমান জাতির জন্য জীবন চলার অন্যতম উপকরণ। ইসলামি জীবনধারার অন্যতম শর্ত হলো আল্লাহর বন্দেগি বা ইবাদত করা। এ ইবাদত কীভাবে করতে হবে তার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রদান করেছে হাদিস। একজন মুসলমানের সামগ্রিক আচার-আচরণ কেমন হবে তা পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করেছে হাদিস। আর মহানবি (স) ছিলেন পরিচ্ছন্ন আচার- আচরনের বাস্তব প্রতিকৃতি। সুতরাং ইসলামি জীবনধারায় প্রত্যেক মুসলমানের জীবনাচরণ নিয়ন্ত্রিত হবে হাদিসের আলোকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
275
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মাওলানা ফখরুলের কর্মটি ফিকহশাস্ত্র নিয়ে। ইসলামি শিক্ষা প্রসারে যার গুরুত্ব অপরিসীম। ফিকহ শব্দের অর্থ- অনুধাবন করা, বুঝতে পারা ইত্যাদি। পরিভাষায় যে শাস্ত্রে কর্মসংক্রান্ত তথা ব্যাবহারিক জীবনের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা সংক্রান্ত শরিয়তের হুকুম-আহকাম ও বিধি-বিধান আলোচিত হয়, সে শাস্ত্রকে বলা হয় ফিকহশাস্ত্র বা ইলমুল ফিকহ। উদ্দীপকে এ শাস্ত্রেরই ইঙ্গিত এসেছে।

উদ্দীপকের মাওলানা কুরআন হাদিস গবেষণা করে এর বিধি-বিধান একটি বইয়ের মধ্যে লিপিবদ্ধ করেন। তার কাজটি ইসলামি আইন সম্পর্কিত জ্ঞান প্রসারে অনেক বেশি ভূমিকা রাখবে। কেননা কুরআন নাজিল সমাপ্তি ও রাসুলুল্লাহ (স)-এর ইন্তেকালের পর সর্বসাধারণের উপযোগী করে শরয়ি বিধান পরিবেশনের জন্য মূলনীতি ও বিধানাবলির চুলচেরা বিশ্লেষণ অনিবার্য হয়ে পড়ে। তাছাড়া কুরআন-হাদিসের অবিন্যস্ত ও বিক্ষিপ্ত বর্ণনা ইসলামি আইনের বিন্যাস ও সহজ উপস্থাপনার উপযোগিতা সৃষ্টি করে। ফিকহশাস্ত্র শরয়ি বিধানের প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেয়। বিধান গুলোর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুসারে এগুলোকে বিন্যস্ত করে সব দেশের সাধারণ মানুষের উপযোগী করে। সর্বোপরি এ শাস্ত্রবিধান বর্ণনার ক্ষেত্রে সহজ উপস্থাপনার রীতি গ্রহণ করে আপামর মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মানুশীলনকে সহজসাধ্য করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
233
উত্তরঃ

ইসলামের প্রসারের ফলে সাহাবিদের যুগে ফিকহশাস্ত্র বিকশিত হয়। সাহাবিদের যুগে ইসলাম দেশ-দেশান্তরে ছড়িয়ে পড়ে। নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হয়। সাহাবিগণ সম্মিলিতভাবে কুরআন-হাদিসের মূলনীতির আলোকে এসব সমস্যার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ চেষ্টায় তারা ইজতিহাদের সূচনা করেন। এরপর ইজতিহাদি বিষয়ে ইজমা প্রতিষ্ঠিত করে সমস্যার সর্বসম্মত সমাধান দেওয়ার প্রয়াস পান। ফলে এ যুগে স্বতন্ত্র ফিকহশাস্ত্র সৃষ্টির পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
370
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews