পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতির নদীখাতকে স্থানীয়ভাবে হাওড় বলে।
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ভূতাত্ত্বিক সময়ে গঠিত। তাই এতে রয়েছে নানা বিচিত্রতা।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় সৃষ্টি হয়েছে প্লাইস্টোসিনকালে গঠিত হয়েছে বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। এ অঞ্চল অপেক্ষাকৃত উঁচু হলেও পাহাড়ি অঞ্চলের মতো নয়। আবার দেশের ৮০ শতাংশ ভূমি নদী বাহিত পলল দ্বারা সৃষ্ট। বন্যার সাথে পরিবাহিত মাটি দ্বারা সৃষ্ট এ প্লাবন সমভূমিও বৈচিত্র্যপূর্ণ। যেমন- রংপুর, দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি, উপকূলীয় অঞ্চলের বদ্বীপ ও স্রোতজ সমভূমি ইত্যাদি। অর্থাৎ বিভিন্ন সময় নানা প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার সৃষ্ট বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি বৈচিত্র্যপূর্ণ।
জাউদ্দীপক অনুসারে 'ক' দেশটি বঙ্গপোসাগর তীরবর্তী বাংলাদেশ, যার তিন দিকে (পশ্চিম, উত্তর, পূর্বে) রয়েছে ভারত ও দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার। নিচে বাংলাদেশের অবস্থান উল্লেখ করা হলো।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে বাংলাদেশের অবস্থান। এ দেশ ৩৪ থেকে ২৬° ৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮° ০১ থেকে ৯২° ৪১ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা) অতিক্রম করেছে।
উদ্দীপকের 'ক' দেশটি বাংলাদেশ। নিচে বাংলাদেশের আয়তন বিশ্লেষণ করা হলো:
বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য (২০১৫-২০১৬) অনুসারে, বাংলাদেশের নদী- ও বনাঞ্চলের আয়তন যথাক্রমে ৯,৪০৫ এবং ২১,৬৫৭ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের দক্ষিণে উপকূল অঞ্চলে বিশাল এলাকা (দ্বীপসমূহ) ক্রমান্বয়ে জেগে উঠেছে। যেমন- মনপুরা, শাহপরীর দ্বীপ ভবিষ্যতে দক্ষিণে এর প্রসার ঘটলে বাংলাদেশের আয়তন আরও বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশের টেরিটোরিয়েল সমুদ্রসীমা (territorial sea) ১২ নটিক্যাল মাইল, অর্থনৈতিক একান্ত অঞ্চল (economic exclusive zone) ২০০ নটিক্যাল মাইল। এদেশের সামুদ্রিক মালিকানা মহীসোপানের শেষ সীমানা (উপকূল হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সাগরের তলদেশ) পর্যন্ত।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!