(ক) বাংলাদেশ বিষয়াবলী

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণিত আছে। এগুলো মূলত রাষ্ট্রের আদর্শিক ভিত্তি এবং শাসন পরিচালনার দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। এই নীতিসমূহ সংবিধানের ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদে বিধৃত। প্রধান চারটি মূলনীতি হলো:
        
  • জাতীয়তাবাদ: এই নীতি অনুযায়ী, ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত অভিন্নতার ভিত্তিতে বাঙালি জাতি একটি সুসংহত ও ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে বিবেচিত হবে। রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদ।
  •     
  • সমাজতন্ত্র: শোষণমুক্ত একটি সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে সমাজের সকল স্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
  •     
  • গণতন্ত্র: সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ এবং জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। মৌলিক মানবাধিকার, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য।
  •     
  • ধর্মনিরপেক্ষতা: সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের প্রতি রাষ্ট্র সমান আচরণ করবে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। কোনো ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হবে না এবং কোনো বিশেষ ধর্মাবলম্বীর প্রতি বৈষম্য করা হবে না।
এছাড়াও, সংবিধানে বর্ণিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিসমূহের মধ্যে রয়েছে: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা, সুযোগের সমতা, কর্মের অধিকার, ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার একদিকে যেমন উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দক্ষতা উন্নয়নে সহায়ক, তেমনই এর কিছু সীমাবদ্ধতা ও নেতিবাচক প্রভাবও রয়েছে। একটি টেকসই কৃষি ব্যবস্থার জন্য এর ভালো ও মন্দ উভয় দিক বিবেচনা করা জরুরি।

কৃষিক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহারের ভাল দিকসমূহ:
        
  • উৎপাদন বৃদ্ধি: আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি (যেমন – ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, হারভেস্টার) ব্যবহারের ফলে দ্রুত ও দক্ষতার সাথে ফসল উৎপাদন করা যায়, যা সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
  •     
  • গুণগত মান উন্নয়ন: উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলের গুণগত মান ও পুষ্টিমান বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, মাটি পরীক্ষা ও ফসলের স্বাস্থ্য নিরীক্ষণে প্রযুক্তির ব্যবহার উন্নত মানের ফসল উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।
  •     
  • সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার: ড্রোন, সেন্সর এবং জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (GIS) প্রযুক্তির মাধ্যমে মাটি, পানি এবং সারের চাহিদা সুনির্দিষ্টভাবে নির্ণয় করে সম্পদের অপচয় কমানো যায়। এটি 'প্রিসিশন এগ্রিকালচার' (Precision Agriculture) নামে পরিচিত।
  •     
  • রোগ ও পোকা নিয়ন্ত্রণ: প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের রোগ ও পোকা দ্রুত শনাক্ত করা যায় এবং সঠিক সময়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে ফসলের ক্ষতি কমানো সম্ভব হয়।
  •     
  • শ্রম ও সময় সাশ্রয়: আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারে কৃষকদের শারীরিক পরিশ্রম ও সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে, যা তাদের অন্য কাজে নিযুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।
  •     
  • বাজারজাতকরণ ও তথ্য প্রাপ্তি: মোবাইল অ্যাপস ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকেরা ফসলের সঠিক মূল্য, বাজার সম্পর্কিত তথ্য এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস সহজে পায়। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমে এবং কৃষকেরা ন্যায্যমূল্য পায়।
কৃষিক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহারের মন্দ দিকসমূহ:
        
  • উচ্চ বিনিয়োগ: আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে প্রাথমিক বিনিয়োগ অনেক বেশি, যা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য বহন করা কঠিন।
  •     
  • দক্ষতার অভাব: প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতা অনেক কৃষকের নেই। ফলে, তারা প্রযুক্তির পূর্ণ সুবিধা ব্যবহার করতে পারে না।
  •     
  • পরিবেশগত প্রভাব: রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত ব্যবহার মাটি ও পানির দূষণ ঘটায়, যা দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত ক্ষতি করে এবং জীববৈচিত্র্য নষ্ট করে।
  •     
  • কর্মসংস্থান হ্রাস: কৃষি কাজে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যাপক ব্যবহার কৃষি খাতে শ্রমিকের চাহিদা কমিয়ে দিতে পারে, যা গ্রামীণ বেকারত্ব বাড়াতে পারে।
  •     
  • প্রযুক্তিগত পরাধীনতা: বিদেশি প্রযুক্তির উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা দেশের কৃষি খাতকে দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল করতে পারে এবং নিজস্ব উদ্ভাবনী ক্ষমতা হ্রাস করতে পারে।
  •     
  • সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি: ডিজিটাল কৃষি প্ল্যাটফর্মগুলোতে সাইবার হামলার ঝুঁকি থাকে, যা ডেটা চুরি বা কৃষি ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
পরিবেশ রক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার সমর্থন:

হ্যাঁ, পরিবেশ রক্ষায় আমি প্রযুক্তির ব্যবহার জোরালোভাবে সমর্থন করি, তবে তা অবশ্যই হতে হবে টেকসই, পরিবেশ-বান্ধব এবং সুপরিকল্পিত। প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষণ কমানো এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা সম্ভব।

উদাহরণস্বরূপ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি (যেমন – সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি (যেমন – বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, রিসাইক্লিং) ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণ কমানো যায়। স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার (Smart Agriculture) এবং প্রিসিশন ফার্মিং (Precision Farming) এর মাধ্যমে সেচ, সার ও কীটনাশকের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার নিশ্চিত করে মাটি ও পানির দূষণ কমানো সম্ভব। রিমোট সেন্সিং (Remote Sensing) এবং জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (GIS) ব্যবহার করে বন উজাড়, ভূমিক্ষয় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মেশিন লার্নিং (Machine Learning) পরিবেশগত ডেটা বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের ঝুঁকি সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে পারে, যা নীতি নির্ধারণে সহায়তা করে।

তবে, প্রযুক্তির ভুল ব্যবহার বা অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা যেন নতুন পরিবেশগত সমস্যা সৃষ্টি না করে, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের জন্য গবেষণা, উদ্ভাবন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কঠোর নীতিমালার সমন্বয় অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল, বিশেষ করে সোনারগাঁও, ধামরাই, বাজিতপুর এবং জঙ্গলবাড়ি।
প্রাচীন বাংলায় মসলিন ছিল এক অতি উন্নত ও সূক্ষ্ম বস্ত্র, যা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ছিল। এটি তৎকালীন সময়ে বাংলার অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। মসলিনের গুরুত্ব নিম্নরূপ:
        
  • অর্থনৈতিক গুরুত্ব: মসলিন ছিল বাংলার প্রধান রপ্তানি পণ্য। এর উৎপাদন ও ব্যবসা বাংলার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে তুলেছিল। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এর ব্যাপক চাহিদা ছিল, যা বাংলার বাণিজ্য প্রসারে সহায়ক হয়।
  •     
  • সাংস্কৃতিক ও সামাজিক গুরুত্ব: মসলিন ছিল আভিজাত্য ও মর্যাদার প্রতীক। তৎকালীন নবাব, বাদশাহ, জমিদার এবং উচ্চবিত্ত শ্রেণীর মানুষের পোশাক হিসেবে এর ব্যবহার প্রচলিত ছিল। এমনকি ইউরোপের রাজপরিবার এবং অভিজাতদের মধ্যেও মসলিনের ব্যাপক কদর ছিল।
  •     
  • শিল্প ও কারুশিল্পের নিদর্শন: মসলিন বুননের কৌশল ছিল অত্যন্ত জটিল ও সূক্ষ্ম। এই বুনন শিল্প বাংলার কারিগরদের দক্ষতা ও নৈপুণ্যের এক অসাধারণ নিদর্শন ছিল। এটি শুধু একটি কাপড় ছিল না, বরং এটি ছিল এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা।
  •     
  • ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: মোঘল সম্রাট ও ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সময়ে মসলিন ব্যবসার গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়। যদিও ইংরেজদের বাণিজ্যিক স্বার্থে এবং পরবর্তীতে শিল্প বিপ্লবের প্রভাবে এই শিল্প ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়, এর ঐতিহ্য আজও বাংলার ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
Satt AI
Satt AI
1 day ago
54
  • বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা- ১টি।
  • বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ- এক কক্ষবিশিষ্ট।
  • সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে বিরোধীদলীয় সদস্য ছিল- ১ জন (ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত)।
  • সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে মহিলা সদস্য – ১ জন (রাজিয়া আক্তার বানু)
  • ভাষা- ২টি (বাংলা ও ইংরেজি)।
  • সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ- ২টি। যথা- হাইকোর্ট ও আপিল কোর্ট |
  • গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়-- ৪ নভেম্বর।
  • সংবিধান দিবস ৪ নভেম্বর।
  • সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি। যথা- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা
  • ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ রয়েছে- ৫ নং তফসিলে ।
  • প্রধান প্রধান নির্বাচনের মেয়াদকাল ৫ বছর। যথা- জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন, সাংবিধানিক কমিশন
  • প্রধানদের মেয়াদকাল ৫ বছর।
  • ৬ নং তফসিলে বঙ্গবন্ধুর ২৬শে মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা রয়েছে।
  • সংবিধানে তফসিল রয়েছে ৭টি।
  • সংবিধানের প্রথম ভাগে অনুচ্ছেদ সংখ্যা- ৭টি।
  • রাষ্ট্রপতি অর্থবিলে অনুমোদন দেন- ৭ দিনের মধ্যে।
  • ৭ নং তফসিলে- ১০ই এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রয়েছে।
  • গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১০ এপ্রিল ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে।
  • সংবিধানের ভাগ রয়েছে- ১১টি।
  • অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশ জারি - ১১ই জানুয়ারি, ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে।
  • সংবিধান কমিটি গঠিত হয় - ১১ই এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
  • সংবিধানের প্রথম খসড়া উত্থাপন হয় ১২ই অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
  • সংবিধানে পরিচ্ছদ রয়েছে- ১৩টি।
  • হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর ১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
  • রাষ্ট্রপতি অর্থবিল ব্যতীত অন্যান্য বিলে অনুমোদন দেন- ১৫ দিনের মধ্যে।
  • সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
  • বাংলাদেশের সংবিধান এ যাবত সংশোধিত হয়েছে- ১৭ বার।
  • বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে সংবিধান গৃহীত হয় ১৮ই কার্তিক।
  • সংবিধান অনুসারে ভোটার হবার যোগ্যতা- ১৮ বছর।
  • সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ সংখ্যা- ১৮টি।
  • আইনজীবী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স- ২১ বছর।
  • নির্বাচনে প্রার্থী হবার সর্বনিম্ন বয়স- ২৫ বছর।
  • সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ আহ্বান করতে হবে।
  • সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে আওয়ামী লীগের সদস্য ছিল- ৩৩ জন
  • প্রণয়ন কমিটিতে সদস্য সংখ্যা ছিল- ৩৪ জন ।
  • রাষ্ট্রপতি হবার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।
  • সংবিধান অনুসারে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা- ৫০টি।
  • সংসদে এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠক হতে হবে ৬০ দিনের মধ্যে ।
  • সংবিধানে উল্লিখিত সংসদের কোরাম সদস্য- ৬০ জন।
  • পিএসসি চেয়ারম্যানের অবসরের বয়স ৬৫ বছর।
  • বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বিচারপতিদের অবসরের বয়স- ৬৭ বছর।
  • গণপরিষদে পেশকৃত খসড়া সংবিধানের পৃষ্ঠার সংখ্যা- ৭৩ টি ।
  • সংবিধান রচনা কমিটির মোট বৈঠকের সংখ্যা- ৭৪ টি।
  • স্পিকারের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিনের বেশি সংসদে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না।
  • হস্তলিখিত সংবিধানের মোট পাতা ছিল- ৯৩ টি। (স্বাক্ষরসহ ১০৮ পাতা।)
  • সংবিধান অনুসারে জরুরী অবস্থার মেয়াদ ১২০ দিন।
  • সংবিধানে মোট অনুচ্ছেদ- ১৫৩ টি।
  • খসড়া সংবিধানে ব্যয় হয় মোট ৩০০ ঘন্টা।
  • সংসদের মোট নির্বাচত আসন সংখ্যা- ৩০০ টি।
  • হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষরকারীর সংখ্যা- ৩০৯ জন।
  • গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা- ৪০৩ জন।

প্রাসঙ্গিক তথ্য

  • বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে অনুসরণ করা হয় ভারত ও ব্রিটেনের সংবিধান।
  • পৃীবীর সবচেয়ে বড় সংবিধান- ভারতের আর সবচেয়ে ছোট সংবিধান- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের।
  • পৃথিবীর যে সকল দেশের সংবিধান অলিখিত- স্পেন, নিউজিল্যান্ড, ব্রিটেন, সৌদি আরব ও ইসরায়েল।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সংবিধান নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টকে ।

407
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জন্য সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। ১২ অক্টোবর ১৯৭২ সালে কমিটি খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করলে ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে তা গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর হয়।

239
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে কার্যকর হয়।

256
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews