ক বিভাগ—গদ্য

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সাহিত্যচর্চা হলো শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ।

উত্তরঃ

আমাদের দেশে স্কুল-কলেজের ভুল শিক্ষাপদ্ধতি কীভাবে ছাত্রদের শিক্ষার ব্যাপারে নিস্পৃহ করে রাখে সেই প্রসঙ্গেই উক্তিটি করা হয়েছে। 

দেহ ও আত্মার সমন্বয়ে মানুষ। মানুষের মৃত্যু হয় একই সঙ্গে দৈহিক ও আত্মিক। দৈহিক মৃত্যুটা সবার দৃষ্টিগোচর হয়। কিন্তু দৈহিকভাবে বেঁচে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তির আত্মিক মৃত্যু ঘটে। এই আত্মিক মৃত্যুর কথা কেউ ভাবেও না, জানেও না। এ দেশে ভুল শিক্ষাপদ্ধতির কারণে কত ছেলের যে শিক্ষা সম্পর্কে ভীতি ও অনীহা সৃষ্টি হয় সেটির হিসাব কেউ রাখে না। ফলে প্রাণস্ফূর্তি নিয়ে বেড়ে ওঠার পরিবর্তে ভীতি ও অপ্রাপ্তির পিছনে ছুটতে ছুটতে তার আত্মার মৃত্যু ঘটে। শিক্ষার্থীর এই আত্মিক মৃত্যুর প্রসঙ্গেই প্রাবন্ধিক বলেছেন, 'দেহের মৃত্যুর রেজিস্টারি রাখা হয়, আত্মার হয় না।'

উত্তরঃ

উদ্দীপকের মিসেস তামিমার মধ্যে 'বই পড়া' প্রবন্ধের শিক্ষার ফল লাভের দিক তথা নগদ বাজারদরের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 

শিক্ষার উদ্দেশ্য মনুষ্যত্ববোধ জাগিয়ে তোলা। সেই জাগরণ ঘটাতে না পারলে সেটাকে প্রকৃত শিক্ষা বলা যায় না। প্রকৃত শিক্ষা লাভকরার জন্য তাই জ্ঞানচর্চা করতে হয়। এই জ্ঞানচর্চার অন্যতম একটি কার্যকর মাধ্যম হলো বিভিন্ন ধরনের বই পড়া। তবে কিছু নির্বোধ পাঠ্যবইয়ের অতিরিক্ত বই পড়াকে নিরর্থক মনে করে। 

উদ্দীপকের মিসেস তামিমা মেয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বই ছাড়া অন্য কোনো বই পড়াকে সময় আর অর্থের অপচয় মনে করেন। মেয়ের হাতে কোনো গল্প-উপন্যাস দেখলেই ঘোর আপত্তি তার। তিনি মনে করেন ভালো প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফল, এরপর ভালো চাকরি পাওয়া- এটাই জীবনের সফলতা। 'বই পড়া' প্রবন্ধে এ ধরনের মানুষ সম্পর্কে লেখক বলেছেন যে তারা মহাভ্রান্তির মধ্যে আছে। তিনি বলেন যে আমাদের শিক্ষিত সমাজে এমন কিছু মানুষ আছে যারা অর্থের উপর লোলুপদৃষ্টি দেয়। সাহিত্যচর্চার সুফল সম্পর্কে তারা সন্দিহান। তারা মনে করে সাহিত্যচর্চায় কোনো লাভ নেই। লেখক মনে করেন, তাদের এই ধারণা মূলত মহাভ্রান্তি। উদ্দীপকের মিসেস তামিমার মধ্যেও ঠিক এই দিকটিই ফুটে উঠেছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের হাবীব রহমানের কথায় 'বই পড়া' প্রবন্ধের মূল চেতনারই যথার্থ প্রতিফলন ঘটেছে। মন্তব্যটি যৌক্তিক। 

বই পড়ে এবং ভ্রমণ করে মানুষ বিচিত্র বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। এর মধ্যে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করা অপেক্ষাকৃত সহজ। বই হলো জ্ঞানের সমুদ্র। পাঠ্যবইয়ের বাইরে বিভিন্ন বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ সাহিত্যচর্চাকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এভাবে সাহিত্যচর্চার ফলে মানুষ নিজের জ্ঞানের প্রসার ও বিকাশ সাধন করতে পারে। উদ্দীপকের মিসেস তামিমা' মনে করেন প্রাতিষ্ঠানিক বইয়ের বাইরে অন্য কোনো বই পড়া সময় ও অর্থের অপচয় মাত্র। কিন্তু তার স্বামী হাবীব রহমান স্ত্রীর এই ধারণার ঘোর বিরোধী। তিনি তার মেয়ের জন্য জীবনী, গল্প, উপন্যাস এসব অপ্রাতিষ্ঠানিক বই কিনে দেওয়াতে কখনো আপত্তি করেন না। তিনি বলেন- মনের রিকাশের জন্য, আলোকিত হওয়ার জন্য সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই। প্রবন্ধটিতে লেখক আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি, অসংগতি, অপূর্ণতা, অতীতের শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব, বই পড়ার গুরুত্ব ইত্যাদি দিক তুলে ধরেছেন। 'বই পড়া' প্রবন্ধের সারকথা হচ্ছে বই পড়ে এবং সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে জীবনকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে তোলা। 

উদ্দীপকের হাবীব রহমানের বক্তব্যে এই চেতনাই প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নে প্রদত্ত মন্তব্যটি যৌক্তিক।

উত্তরঃ

নমূলক কলকাতায় যাওয়ার আয়োজন শুরু হলে সুভার সমস্ত হৃদয় অশ্রুবাষ্পে ভরে গেল।

কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা মেয়ের বিয়ের কথা চিন্তা করে বিদেশে যান। ফিরে এসে স্ত্রীকে সপরিবারে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। কথা বলতে না পারলেও সুভা বোঝে তার পিতা তাকে এই চিরচেনা পরিবেশ থেকে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে চাইছে। একটা অনির্দিষ্ট আশঙ্কায় সে সর্বদা বাবা-মায়ের সাথে সাথে থাকতে শুরু করে। নিজের চিরচেনা পরিবেশ ও বন্ধুদের ছেড়ে চলে যেতে হবে ভেবে কুয়াশাঢাকা ভোরের মতো সুভার সমস্ত হৃদয় অশ্রুবাষ্পে ভরে যায়।

Iftakhar Hasan
Iftakhar Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নিজের চিরচেনা জগৎকে আঁকড়ে ধরে সুভা প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছে। 

বাকপ্রতিবন্ধী সুভাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য তার পিতা তাকে কলকাতায় নিয়ে যেতে চান। কলকাতায় যাওয়ার আগের দিন সুভা তার চিরপরিচিত জগৎ নদীতীরে এসে লুটিয়ে পড়ে। দুই বাহু প্রসারিত করে সে যেন ধরণিকে আঁকড়ে ধরতে চায়। কারণ সে তার এই চিরচেনা প্রকৃতি ও পরিবেশ ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে চায় না। সে চায় ধরণিও তাকে যেন জড়িয়ে ধরে রাখে। তাকে যেন যেতে না দেয়।

উত্তরঃ

কাব্যের বাবা-মা'র সঙ্গে 'সুভা' গল্পের বাবা-মা'র মনোভাব ও পদক্ষেপ গ্রহণে বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

সমাজে স্বাভাবিক মানুষের সঙ্গে কিছু বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষও দেখা যায়। তারা শারীরিক অক্ষমতার কারণে অনেক সময় অবহেলার শিকার হয়। অথচ তারাও মানুষ। সবার সহযোগিতা, আদর-যত্ন পেলে তারাও সমাজে অবদান রাখতে পারে। তাদের জীবন আরও সুন্দর হতে পারে। 

উদ্দীপকের কাব্য বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তার মা মিসেস শরীফা একটুও ঘাবড়ালেন না; স্বামীকেও বোঝালেন। বাবা-মায়ের পরম স্নেহ-মমতা ও আদর-যত্নে বেড়ে উঠতে লাগল কাব্য। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পে বাবা তাকে কিছুটা ভালোবাসলেও মা সুভাকে নিজের ত্রুটি হিসেবে দেখেন; তাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক বিবেচনা করে তার প্রতি খুবই বিরক্ত হন। বয়স বাড়তে শুরু করলে মা-বাবা তাকে বোঝা হিসেবে মনে করেন। লোকের নিন্দা থেকে বাঁচার জন্য পিতা সুভাকে নিয়ে কলকাতায় চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। তাই বলা যায়, কাব্যের বাবা-মা'র সাথে 'সুভা' গল্পের বাবা-মা'র বৈসাদৃশ্য হলো প্রতিবন্ধী সন্তানের প্রতি তাদের আচরণ ও মনোভাবে।

উত্তরঃ

উপযুক্ত পরিবেশ ও পরিচর্যা পেলে কাব্যের মতো সুভা সমাজের একজন হয়ে উঠতে পারত। 

আমাদের সমাজে প্রতিবন্ধীরা নানাভাবে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ হয়। তারা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। অথচ তারাও কোনো-না-কোনো প্রতিভা নিয়েই জন্মগ্রহণ করে। তাদের সঙ্গে স্বাভাবিক ব্যবহার করা হলে, পরম আদর-যত্নে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ করে দেওয়া হলে দেশ ও জাতির উন্নয়নে তারা অবদান রাখতে পারে। 

উদ্দীপকের কাব্য একজন বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও বাবা-মায়ের কাছ থেকে পরম স্নেহ-মমতা ও আদর-যত্ন পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে উঠেছে। কাগজে আঁকিবুকি দেখে মা তাকে নিয়ে আশান্বিত হন। তিনি বুঝে যান মুখে ভাষা না থাকলেও তুলির আঁচড়েই সে একদিন বিশ্ব জয় করবে। স্বামীর সাথে পরামর্শ করে ছেলের আঁকাআঁকির জন্য যা যা করা দরকার সব করলেন। ফলে সে তার প্রতিভা সবাইকে দেখিয়ে দেয়। দেশে-বিদেশে প্রদর্শনী হয় তার ছবির, বিক্রি হয় বহু মূল্যে।

'সুভা' গল্পে সুভা একজন বাষ্প্রতিবন্ধী। তবে তার চারপাশের সবকিছুই উপলব্ধি করতে পারে। বাষ্প্রতিবন্ধী সুভা মা, পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন কারও কাছ থেকে কোনো ধরনের মানসিক সহায়তা বা সহানুভূতি পায়নি। অথচ সে প্রকৃতির সাথে মিশে যেতে পেরেছে। প্রতাপের কথায় সে কষ্টও পেয়েছে। বাবা-মা কলকাতায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে সে চোখের জলে বুক ভাসিয়েছে। গাভীকে সে নিজের বেদনার সঙ্গী করেছে। পরিবার, সমাজ থেকে সে শুধু কষ্টই পেয়েছে, কোনো রকম অনুপ্রেরণা পায়নি। কিন্তু পরিবার ও সমাজ থেকে উপযুক্ত পরিবেশ ও পরিচর্যা পেলে কাব্যের মতো সুভা সমাজের একজন হয়ে উঠতে পারত। কেননা সব বোধ ও অনুভূতি তার পরিপূর্ণ ছিল। তাই বলা যায়, প্রশ্নে প্রদত্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

925

Related Question

View All
উত্তরঃ

'পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার'- কথাটির মধ্য দিয়ে লেখক বাষ্প্রতিবন্ধী সুভার বিয়ের বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিতে না পারায় পিতা-মাতার হৃদয়ের নীরব কষ্টকে বোঝাতে চেয়েছেন।

সুভা বাণীকন্ঠের ছোট মেয়ে। সে কথা বলতে পারে না। বাণীকণ্ঠ তার বড় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় ছোট মেয়ে সুভাকে বিয়ে দিতে পারেননি। তাই সুভার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাণীকণ্ঠ এবং তার স্ত্রী উভয়েই চিন্তিত। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তাদের হৃদয়ে নীরব কষ্ট সৃষ্টি হয়। লেখক সেই কষ্টকেই বলেছেন- পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার।

10.6k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিকটির সংগতি দেখানো হয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকে সমাজে অবহেলার শিকার হয়। এতে সমাজের মানুষ হীনম্মন্যতার পরিচয় দেয়। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূশীল হলে তবেই তারা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

'সুভা' গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। আনন্দের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এলেও কথা বলতে না পারার বিষয়টি কিছুটা সুভার বাবা- মায়ের মনে নীরব হৃদয়ভারের জন্ম দেয়। উদ্দীপকের কল্যাণীর জন্মও পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসে। কিন্তু তার মানসিক প্রতিবন্ধিতার দিকটি সবাইকে চিন্তিত করে তোলে। তার মানসিক বিকাশ কিছুটা কম হয়েছে। 'সুভা' গল্পের সুভাও বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার পরিবারের সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার প্রতিবন্ধিতার দিকটি সংগতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

7.5k
উত্তরঃ

কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

শারীরিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলার সম্মুখীন হয়। তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের কল্যাণে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের সহানুভূতি পেলে তারা জীবনের পূর্ণতা লাভ করবে।

উদ্দীপকে কল্যাণীর মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে ঘটেনি। বিয়ের কথাবার্তায় তার বাবা পলাশ বাবু বরপক্ষের কাছে সে সব কথা খুলে বলেন। তারা সব শুনে উদারতার পরিচয় দেন। বরের বাবা সুবোধ বাবু মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে কল্যাণীকে ঘরে নিয়ে যেতে চান। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারে না। সবার কাছ থেকে অবহেলা পেলেও সুভা তার বাবার ভালোবাসা পেয়েছে। সুভার সাথে কেউ মেশে না বলে সে পোষা প্রাণীদের মাঝে নিজের একটি বিশাল জগৎ তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের কল্যাণী ও 'সুভা' গল্পের সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন। কল্যাণী সুবোধ বাবুর উদারতায় পেয়েছে সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধান। অথচ 'সুভা' গল্পের সুভার পরিণতি এতটা মানবিকতায় সিক্ত হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5.8k
উত্তরঃ

শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে কি হৃদয়ের উত্থানপতনের শব্দ শুনিতেছ

7.9k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews