উত্তরঃ

‘বিলাসী’ গল্পটি প্রথম ‘ভারতবর্ষ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

ফুলদানিতে জল দিয়ে বাসি ফুল ভিজিয়ে রাখলে সাময়িকভাবে সেটিকে সতেজ ও সজীব দেখালেও তার প্রকৃত সজীবতা, সৌরভ ও প্রাণবন্ততা ফিরে আসে না। বরং এটি সাময়িকভাবে ক্ষয়িষ্ণু দশাকে ঢেকে রাখার এক কৃত্রিম প্রচেষ্টা মাত্র।

উক্তিটির মাধ্যমে এমন এক অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে যেখানে কোনো বিষয়, সম্পর্ক বা সৌন্দর্য তার মৌলিকত্ব ও স্বাভাবিক মাধুর্য হারিয়ে ফেলেছে, কিন্তু বাহ্যিক উপায়ে তাকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর দ্বারা গভীরতা ও সজীবতার অভাব এবং কৃত্রিমতাকে নির্দেশ করা হয়, যা সময়ের সাথে সাথে যেকোনো কিছুর স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও মূল্য হারানোকে ইঙ্গিত করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত চরণগুলোর মাধ্যমে 'বিলাসী' গল্পের জাতিভেদ প্রথা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মানবিকতার জয়লাভের দিকটি ফুটে উঠেছে। প্রেম ও মানবতাকে ছাপিয়ে যে ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং জাতপাতের সংকীর্ণতা সমাজে বিদ্যমান, উদ্দীপকটি সেই দিকটিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিলাসী' গল্পে সমাজের এই রক্ষণশীল ও অন্ধ জাতিভেদ প্রথার কদর্য রূপটি উন্মোচিত হয়েছে। গল্পের প্রধান চরিত্র ন্যাড়ার প্রতি বিলাসী নামের সাপুড়ে মেয়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এবং এই ভালোবাসার কারণে সমাজের চোখে ন্যাড়ার পতন, প্রকৃতপক্ষে জাতপাতের সংকীর্ণতাকে আঘাত করে মানব প্রেমের মাহাত্ম্যকেই তুলে ধরে। ন্যাড়া ব্রাহ্মণের ছেলে হয়েও নিম্নবর্গীয় বিলাসীকে ভালোবাসার কারণে সমাজচ্যুত হয়, যা তৎকালীন সমাজের নির্মম বাস্তবতাকে চিত্রিত করে।

উদ্দীপকের পংক্তিগুলোতে 'মালা' ও 'তসবি' ধারণ করে ভিন্ন জাত দাবি করার প্রবণতাকে প্রশ্ন করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে জন্ম বা মৃত্যুর সময় কোনো জাতের চিহ্ন থাকে না। এটি 'বিলাসী' গল্পের মূল সুরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদ্দীপকের বক্তব্য ইঙ্গিত করে যে, বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান বা প্রতীক ধারণ করে মানুষ ভিন্ন পরিচয়ে পরিচিত হতে চাইলেও মানবসত্তা হিসেবে সবার মৌলিক পরিচয় এক। 'বিলাসী' গল্পে ন্যাড়ার প্রতি সমাজের অবিচার এবং বিলাসী ও ন্যাড়ার আত্মত্যাগ এই বার্তাই দেয় যে, মানবতা এবং নির্ভেজাল ভালোবাসা সকল জাতিভেদ, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও সামাজিক কুসংস্কারের ঊর্ধ্বে। উদ্দীপকের মূলভাব গল্পের এই প্রতিবাদী ও মানবতাবাদী দিকটিকে সমর্থন করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে সবচেয়ে বড় দাসত্ব হলো পরাবলম্বন । 

Md jubayer
Md jubayer
2 years ago
উত্তরঃ

যার মনে আত্মবিশ্বাস নেই, সেই মানুষই বাইরের প্রতিকূল পরিস্থিতি বা বাধা দেখে ভীত হয়। অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা বা ভয়ের কারণে সে বাইরের সামান্য বিপদকেও বড় করে দেখে এবং সহজে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

প্রকৃতপক্ষে, ভয় বাইরের কোনো বস্তু নয়, বরং এটি মানুষের মনের একটি অবস্থা। আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিরা অভ্যন্তরীণ শক্তিতে বলীয়ান হওয়ায় বাইরের কোনো প্রতিকূলতা দেখে ভীত হন না। পক্ষান্তরে, যে ব্যক্তি মানসিকভাবে দুর্বল ও ভীতু, তার কাছে বাইরের জগৎও ভয়ের কারণ হয়ে ওঠে, কারণ সে নিজের অক্ষমতা দিয়ে বাইরের পরিস্থিতিকে বিচার করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম ছিল হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায়।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

বুড়ো রহমান মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্লাদি' গল্পের একটি প্রধান চরিত্র। মেয়ের নাম আহ্লাদি। আহ্লাদির দারিদ্র্যপীড়িত, নিরন্তর শ্রমসাধ্য জীবন, ক্ষুধা ও বঞ্চনা দেখে বুড়ো রহমানের হৃদয় ভারাক্রান্ত হয়। নিজের অক্ষমতার কারণে মেয়ের এমন কষ্টের জীবনে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত হন এবং তার চোখে জল চলে আসে।

এই ছলছল চোখে তাকানোর মাধ্যমে বুড়ো রহমান কেবল তার সন্তানের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করেন না, বরং তৎকালীন সমাজের দরিদ্র ও অসহায় পিতার প্রতিকৃতি হিসেবে নিজের ব্যর্থতা, অসহায়ত্ব এবং মেয়ের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এটি গল্পের মূল বিষয়বস্তু – দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাত এবং মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েনকে ফুটিয়ে তোলে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ নুরুলহুদার ছেলে রুমির জন্য তাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

“মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি পড়ছে রেইনকোটের উপর” উক্তিটি জাহানারা ইমামের “একাত্তরের দিনগুলি” নামক স্মৃতিচারণমূলক রচনায় ব্যবহৃত হয়েছে। এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ছোট ছোট গেরিলা আক্রমণ এবং প্রতিরোধ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের স্থানীয় দোসরদের ওপর তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারছিল না—এই হতাশাব্যঞ্জক পরিস্থিতিকে বোঝানো হয়েছে।

বৃষ্টি যেমন রেইনকোট ভেদ করে ভেতরের অংশকে ভেজাতে পারে না, ঠিক তেমনি হানাদার বাহিনীও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধকে পাত্তা দিচ্ছিল না। এই উক্তিটির মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীর অমানবিকতা, তাদের নির্মম মনোভাব এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাথমিক পর্যায়ের প্রচেষ্টাগুলোর অকার্যকারিতার একটি মর্মস্পর্শী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি মুক্তিকামী সাধারণ মানুষের মনে সৃষ্ট হতাশা ও ক্ষোভের প্রতীকী প্রকাশ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
362


আমার কর্ণধার আমি। আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। আমার যাত্রা শুরুর আগে আমি সালাম জানাচ্ছি— নমস্কার করছি আমার সত্যকে। যে-পথ আমার সত্যের বিরোধী, সে পথ আর কোনো পথই আমার বিপথ নয় । রাজভয়— লোকভয় কোনো ভয়ই আমায় বিপথে নিয়ে যাবে না। আমি যদি সত্যি করে আমার সত্যকে চিনে থাকি, আমার অন্তরে মিথ্যার ভয় না থাকে, তাহলে বাইরের কোনো ভয়ই আমার কিছু করতে পারবে না। যার ভিতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়। অতএব যে মিথ্যাকে চেনে, সে মিছামিছি তাকে ভয়ও করে না। যার মনে মিথ্যা, সে-ই মিথ্যাকে ভয় করে। নিজকে চিনলে মানুষের মনে আপনা-আপনি এত বড় একটা জোর আসে যে, সে আপন সত্য ছাড়া আর কাউকে কুর্নিশ করে না— অর্থাৎ কেউ তাকে ভয় দেখিয়ে পদানত রাখতে পারে না । এই যে, নিজকে চেনা, আপনার সত্যকে আপনার গুরু, পথপ্রদর্শক কাণ্ডারি বলে জানা, এটা দম্ভ নয়, অহংকার নয় । এটা আত্মকে চেনার সহজ স্বীকারোক্তি । আর যদি এটাকে কেউ ভুল করে অহংকার বলে মনে করেন, তবু এটা মন্দের ভালো— অর্থাৎ মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। অনেক সময় খুব বেশি বিনয় দেখাতে গিয়ে নিজের সত্যকে অস্বীকার করে ফেলা হয় । ওতে মানুষকে ক্রমেই ছোট করে ফেলে, মাথা নিচু করে আনে । ও রকম বিনয়ের চেয়ে অহংকারের পৌরুষ অনেক-অনেক ভালো ।
অতএব এই অভিশাপ-রথের সারথির স্পষ্ট কথা বলাটাকে কেউ যেন অহংকার বা স্পর্ধা বলে ভুল না করেন।
স্পষ্ট কথা বলায় একটা অবিনয় নিশ্চয় থাকে; কিন্তু তাতে কষ্ট পাওয়াটা দুর্বলতা। নিজকে চিনলে, নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে নিজের শক্তির ওপর অটুট বিশ্বাস আসে। এই স্বাবলম্বন, এই নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস করতেই শেখাচ্ছিলেন মহাত্মা গান্ধীজি। কিন্তু আমরা তাঁর কথা বুঝলাম না, “আমি আছি” এই কথা না বলে সবাই বলতে লাগলাম “গান্ধীজি আছেন” । এই পরাবলম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেললে । একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব। অন্তরে যাদের এত গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে? আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। এই আত্মনির্ভরতা যেদিন সত্যি সত্যিই আমাদের আসবে, সেই দিনই আমরা স্বাধীন হব, তার আগে কিছুতেই নয়। নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেত, তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকত না। আত্মকে চেনা নিজের সত্যকে বড় মনে করার দম্ভ— আর যাই হোক ভণ্ডামি নয়। এ-দম্ভ শির উঁচু করে, পুরুষ করে, মনে একটা ‘ডোন্ট কেয়ার’-ভাব আনে । আর যাদের এই তথাকথিত দম্ভ আছে, শুধু তারাই অসাধ্য সাধন করতে পারবে।
যার ভিত্তি পচে গেছে, তাকে একদম উপড়ে ফেলে নতুন করে ভিত্তি না গাঁথলে তার ওপর ইমারত যতবার খাড়া করা যাবে, ততবারই তা পড়ে যাবে। দেশের যারা শত্রু, দেশের যা-কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি, মেকি তা সব দূর করতে প্রয়োজন হবে আগুনের সম্মার্জনা! আমার এমন গুরু কেউ নেই, যার খাতিরে সে আগুন-সত্যকে অস্বীকার করে কারুর মিথ্যা বা ভণ্ডামিকে প্রশ্রয় দেবে। আমি সে-দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত । আমি কোনো দিনই কারুর বাণীকে বেদবাক্য বলে মেনে নেব না, যদি তার সত্যতা প্রাণে তার সাড়া না দেয়। না বুঝে বোঝার ভণ্ডামি করে পাঁচ জনের শ্রদ্ধা আর প্রশংসা পাবার লোভ আমি কোনো দিনই করব না ।
ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়। কোনো ভুল করছি বুঝতে পারলেই আমি প্রাণ খুলে তা স্বীকার করে নেব। কিন্তু না বুঝেও নয়, ভয়েও নয়। ভুল করছি বা করেছি বুঝেও শুধু জেদের খাতিরে বা গোঁ বজায় রাখবার জন্যে ভুলটাকে ধরে থাকব না। তাহলে আমার আগুন সেই দিনই নিভে যাবে। একমাত্র মিথ্যার জলই এই শিখাকে নিভাতে পারবে। তাছাড়া কেউ নিভাতে পারবে না ।
মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম। হিন্দু-মুসলমানের মিলনের অন্তরায় বা ফাঁকি কোনখানে তা দেখিয়ে দিয়ে এর গলদ দূর করা আমার এ পথের অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষে মানুষে যেখানে প্রাণের মিল, আদত সত্যের মিল, সেখানে ধর্মের বৈষম্য, কোনো হিংসার দুশমনির ভাব আনে না । যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না। দেশের পক্ষে যা মঙ্গলকর বা সত্য, শুধু তাই লক্ষ্য করে এই আগুনের ঝান্ডা দুলিয়ে পথে বাহির হলাম ।

[সংক্ষেপিত ও পরিমার্জিত]

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'রেইনকোট' গল্পের দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতা, পাশবিকতা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তাদের সন্দেহপ্রবণ মনোভাবের দিকটি ফুটে উঠেছে।

'রেইনকোট' গল্পে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরতা ও নির্বিচার গণহত্যার একটি চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পাকিস্তানি সেনারা সাধারণ মানুষদের মুক্তি সন্দেহে ধরে নিয়ে নির্যাতন করত এবং বিনা বিচারে হত্যা করত। তারা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তাদের মধ্যে মুক্তি বাহিনীর প্রতি এক গভীর বিদ্বেষ এবং সন্দেহপ্রবণতা কাজ করত, যা তাদের আরও উন্মত্ত করে তুলত।

উদ্দীপকে দেখা যায়, চকচকে রোদে একজন কিশোর তার গরু নিয়ে মাঠ থেকে ফিরছে। কলিমুদ্দি দফাদার তাকে রাখাল হিসেবে চিনলেও, সৈনিকরা তাকে 'মুক্তি' আখ্যা দিয়ে গুলি করে হত্যা করে। এখানে পাকিস্তানি সৈনিকদের যুক্তিহীন সন্দেহ, নৃশংসতা এবং নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে হত্যার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা 'রেইনকোট' গল্পের মূল ভাবনারই প্রতিচ্ছবি। তারা একটি সাধারণ কিশোরকে সামান্য অজুহাতে হত্যা করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চেয়েছিল, যা ছিল তাদের দখলদারিত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
969
উত্তরঃ ৪৩ বছর বয়সে

কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। ১৯৪২ সালের দিকে তিনি পিক্‌স ডিজিজ (Pick's disease) নামক এক দুরারোগ্য নিউরোলজিক্যাল ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এই অসুস্থতার কারণে তার সাহিত্য জীবন ৪৩ বছর বয়সেই স্তব্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৩৫ বছর নির্বাক থাকার পর ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর এই অসুস্থতা দেশের সাহিত্য অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
431
উত্তরঃ

মানুষ ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়, কারণ এটি সকল প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ও বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের ঊর্ধ্বে মানবতা, পরোপকার, সহমর্মিতা ও নৈতিক মূল্যবোধকে স্থান দেয়। মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও কল্যাণ করাই এর মূল ভিত্তি।

প্রকৃত ধর্ম মানুষকে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে এবং বিপদে পাশে দাঁড়াতে শেখায়। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হলো মানবধর্মের সারকথা। তাই সব ধর্মীয় ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে মানবসেবাকেই শ্রেষ্ঠ ধর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
672
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews